নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:18 PM
দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিমভাবে বিমান টিকিটের দাম বাড়ানো এবং দেশের বাইরে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ থেকে অবশেষে অব্যাহতি পেলো ট্রাভেল সার্ভিস প্রদানকারী সংস্থা সাইমন ওভারসিজ লিমিটেড। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় অভিযোগটি পর্যালোচনা করে সেটিকে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করে সংস্থাটিকে অব্যাহতি প্রদান করেছে।
মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা পত্রে (বিমান মন্ত্রনালয় পত্র নং ৩০.০০.০০০০. ০০০. ০২৫.২৭.০০০৬.২৫-৮৭৭ তারিখ ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ইং) সাইমন ওভারসিজকে অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, সাইমন ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর ২০২৪-২০২৫ মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহের নেতৃত্বে যখন যাত্রীদের নাম ও বিস্তারিত তথ্য ছাড়াই গ্রুপ বুকিং ও সিট ব্লক করে রাখার মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তখনই ক্ষুব্ধ একটি সিন্ডিকেট প্রতিহিংসামূলকভাবে সাইমন ওভারসিজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা শুরু করে।
৪৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ‘দেশের বাইরে এয়ার টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার’-এর অভিযোগ আনা হয়। তবে অভিযোগে কোনো যাত্রী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, পিএনআর, টিকিট নম্বর বা অর্থ লেনদেনের গ্রহণযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ব্যাখ্যা তলব নোটিশের জবাবে সাইমন ওভারসিজ লিমিটেড বিস্তারিত তথ্য, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ওঅঞঅ ইঝচ রিপোর্ট, টিকিট কপি ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট দাখিল করে। এসব পর্যালোচনা করেই মন্ত্রণালয় অভিযোগটি মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাইমন ওভারসিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়:
‘এই মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।’
ট্রাভেল ট্রেড বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এয়ার টিকিট সিন্ডিকেশন ও কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে নেওয়া উদ্যোগগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ট্রাভেল ট্রেড সংশ্লিষ্টরা আটাব নির্বাচন ও ট্রেড সংস্কার কার্যক্রমকে ঘিরে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রতারক চক্রটিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 6:18 PM
দীর্ঘদিন ধরে কৃত্রিমভাবে বিমান টিকিটের দাম বাড়ানো এবং দেশের বাইরে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে অর্থ পাচারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ থেকে অবশেষে অব্যাহতি পেলো ট্রাভেল সার্ভিস প্রদানকারী সংস্থা সাইমন ওভারসিজ লিমিটেড। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় অভিযোগটি পর্যালোচনা করে সেটিকে ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করে সংস্থাটিকে অব্যাহতি প্রদান করেছে।
মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা পত্রে (বিমান মন্ত্রনালয় পত্র নং ৩০.০০.০০০০. ০০০. ০২৫.২৭.০০০৬.২৫-৮৭৭ তারিখ ১৪ই ডিসেম্বর ২০২৫ইং) সাইমন ওভারসিজকে অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা গেছে, সাইমন ওভারসিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)-এর ২০২৪-২০২৫ মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহের নেতৃত্বে যখন যাত্রীদের নাম ও বিস্তারিত তথ্য ছাড়াই গ্রুপ বুকিং ও সিট ব্লক করে রাখার মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তখনই ক্ষুব্ধ একটি সিন্ডিকেট প্রতিহিংসামূলকভাবে সাইমন ওভারসিজের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা শুরু করে।
৪৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ‘দেশের বাইরে এয়ার টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার’-এর অভিযোগ আনা হয়। তবে অভিযোগে কোনো যাত্রী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, পিএনআর, টিকিট নম্বর বা অর্থ লেনদেনের গ্রহণযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ব্যাখ্যা তলব নোটিশের জবাবে সাইমন ওভারসিজ লিমিটেড বিস্তারিত তথ্য, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ওঅঞঅ ইঝচ রিপোর্ট, টিকিট কপি ও সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট দাখিল করে। এসব পর্যালোচনা করেই মন্ত্রণালয় অভিযোগটি মিথ্যা হিসেবে চিহ্নিত করে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সাইমন ওভারসিজ লিমিটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়:
‘এই মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের মাধ্যমে আমাদের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু করা হয়েছে।’
ট্রাভেল ট্রেড বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এয়ার টিকিট সিন্ডিকেশন ও কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে নেওয়া উদ্যোগগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। ট্রাভেল ট্রেড সংশ্লিষ্টরা আটাব নির্বাচন ও ট্রেড সংস্কার কার্যক্রমকে ঘিরে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রতারক চক্রটিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।