নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ নভেম্বর, ২০২৫, 4:25 PM
জামালপুর কারাগারে হযরত আলী ওরফে পাগলা হযরত (২৫) নামে এক বন্দিকে পিটিয়ে জখম ও মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।গুরুতর অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কারারক্ষীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসটাতালে ভর্তি করান। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হযরত আলীর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক এবং কারারক্ষী আরমান জানিয়েছেন, নিহতের মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, হযরত আলী জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া বাজার টেংরি বাড়ি গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট।
নিহতের বাবা বলেন, প্রায় মাসখানেক আগে হযরত আলী মাদক মামলার গ্রেফতার হয়ে জামালপুর কারাগারে বন্দি ছিল।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সেই কারাগারের কর্মকর্তারা প্রথমে জানিয়েছেন, আমার ছেলে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। তাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে আমি সেখানে যেতে যেতে জানান, ছেলেকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
পরে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হযরত আলীর পরিবার জানতে পারে যে, বৃহস্পতিবার সকালে ফ্যান ছাড়া নিয়ে সেখানকার অন্য এক বন্দির সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। পরে দুই-তিন জন বন্দি মিলে দরজার চৌকাঠ খুলে তার মাথাসহ শরীরে পিটিয়ে আহত করে।
তিনি আরও বলেন, কারা কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, যারা তাকে পিটিয়েছে, তাদেরকে পানিশমেন্ট দিয়ে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে।
নিহতের বাবা বলেন, সেখানে এত সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আমার ছেলেকে একেবারে পিটিয়ে মেরে ফেললো। আমি এর বিচার চাই।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ নভেম্বর, ২০২৫, 4:25 PM
জামালপুর কারাগারে হযরত আলী ওরফে পাগলা হযরত (২৫) নামে এক বন্দিকে পিটিয়ে জখম ও মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।গুরুতর অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে কারারক্ষীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসটাতালে ভর্তি করান। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হযরত আলীর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক এবং কারারক্ষী আরমান জানিয়েছেন, নিহতের মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেকের মর্গে রাখা হয়েছে।
জানা গেছে, হযরত আলী জামালপুর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার তারাটিয়া বাজার টেংরি বাড়ি গ্রামের ইমাম হোসেনের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট।
নিহতের বাবা বলেন, প্রায় মাসখানেক আগে হযরত আলী মাদক মামলার গ্রেফতার হয়ে জামালপুর কারাগারে বন্দি ছিল।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সেই কারাগারের কর্মকর্তারা প্রথমে জানিয়েছেন, আমার ছেলে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। তাকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পরে আমি সেখানে যেতে যেতে জানান, ছেলেকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।
পরে কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হযরত আলীর পরিবার জানতে পারে যে, বৃহস্পতিবার সকালে ফ্যান ছাড়া নিয়ে সেখানকার অন্য এক বন্দির সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। পরে দুই-তিন জন বন্দি মিলে দরজার চৌকাঠ খুলে তার মাথাসহ শরীরে পিটিয়ে আহত করে।
তিনি আরও বলেন, কারা কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, যারা তাকে পিটিয়েছে, তাদেরকে পানিশমেন্ট দিয়ে আলাদাভাবে রাখা হয়েছে।
নিহতের বাবা বলেন, সেখানে এত সিকিউরিটি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আমার ছেলেকে একেবারে পিটিয়ে মেরে ফেললো। আমি এর বিচার চাই।