ধর্ম ডেস্ক
২৭ নভেম্বর, ২০২৫, 4:32 PM
ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটানো প্রত্যেক মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ইসলামের দাওয়াত প্রত্যেকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ইসলামে কল্যাণের প্রতি মানুষকে আহ্বান করার গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল হয়, যারা মানুষকে কল্যাণের প্রতি আহ্বান করবে, ভালো কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান : ১০৪)
বর্তমান সমাজে ইসলামের দাওয়াতের চর্চা কমে যাওয়ায় অজ্ঞতা-মূর্খতা-শঠতা ইত্যাদি অনেক বেড়ে গেছে। ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরবের সামাজিক জীবন যেমন অনাচার, পাপাচার, দুর্নীতি, কুসংস্কার, অরাজকতা, ঘৃণ্য আচার-অনুষ্ঠান এবং নিন্দনীয় কার্যকলাপে পরিপূর্ণ ছিল, তেমনি আমাদের সমাজও অনেকটা সে পথেই হাঁটছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ অপসংস্কৃতি প্রবেশ করেছে। চারপাশ আজ ফেতনার বেড়াজালে আবদ্ধ। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কোপানল থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে দাওয়াতের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বলো, এটা আমার পথ। আমি জেনেবুঝে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিই এবং যারা আমার অনুসরণ করেছে তারাও এ কাজ করবে। আর আল্লাহ পবিত্র মহান এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।’ (সুরা ইউসুফ : ১০৮)
দাওয়াতের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্ববোধ ও ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শত্রুতা দূরীভূত হয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঈমানি চেতনা জাগ্রত হয়, ধৈর্যশীলতা বৃদ্ধি পায়, হকের পথে ফিরে আসে, সহানুভূতিশীল হয়। যা বর্তমান সমাজে খুব বেশি প্রয়োজন। আল্লাহ বলেছেন, ‘অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় ধৈর্যধারণের, আর পরস্পরকে উপদেশ দেয় দয়া-অনুগ্রহের।’ (সুরা বালাদ : ১৭)
যিনি দাওয়াত দেন তাকে আরবিতে দাঈ বলে। একজন দাঈকে বেশ কিছু গুণের অধিকারী হতে হবে। এমনভাবে দাওয়াত দিতে হবে যাতে সবাই সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। সুন্দর সাবলীল ও উত্তম পন্থায় দ্বীনের পথে আহ্বান করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তুমি তোমরা রবের পথে হেকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াতের কাজ করো এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সঙ্গে বিতর্ক করো। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হেদায়েতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভালো করেই জানেন।’ (সুরা নাহল : ১২৫)
বর্তমান সমাজকে ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষা করতে ইসলাম ও কল্যাণের দাওয়াতের বিকল্প নেই। হেকমত ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে মানুষের অন্তরকে আলোকিত করতে পারলেই অজ্ঞতা ও শঠতার আঁধার দূরীভূত হয়ে যাবে। তাই আমাদের উচিত সুষ্ঠু ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে দাওয়াতের পরিধি বৃদ্ধি করা। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের কবুল করে নেন।
ধর্ম ডেস্ক
২৭ নভেম্বর, ২০২৫, 4:32 PM
ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটানো প্রত্যেক মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। প্রত্যেক মুসলিমের উচিত ইসলামের দাওয়াত প্রত্যেকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ইসলামে কল্যাণের প্রতি মানুষকে আহ্বান করার গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আর যেন তোমাদের মধ্য থেকে এমন একটি দল হয়, যারা মানুষকে কল্যাণের প্রতি আহ্বান করবে, ভালো কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করবে। আর তারাই সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান : ১০৪)
বর্তমান সমাজে ইসলামের দাওয়াতের চর্চা কমে যাওয়ায় অজ্ঞতা-মূর্খতা-শঠতা ইত্যাদি অনেক বেড়ে গেছে। ইসলামের আবির্ভাবের আগে আরবের সামাজিক জীবন যেমন অনাচার, পাপাচার, দুর্নীতি, কুসংস্কার, অরাজকতা, ঘৃণ্য আচার-অনুষ্ঠান এবং নিন্দনীয় কার্যকলাপে পরিপূর্ণ ছিল, তেমনি আমাদের সমাজও অনেকটা সে পথেই হাঁটছে। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজ অপসংস্কৃতি প্রবেশ করেছে। চারপাশ আজ ফেতনার বেড়াজালে আবদ্ধ। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কোপানল থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে দাওয়াতের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বলো, এটা আমার পথ। আমি জেনেবুঝে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিই এবং যারা আমার অনুসরণ করেছে তারাও এ কাজ করবে। আর আল্লাহ পবিত্র মহান এবং আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।’ (সুরা ইউসুফ : ১০৮)
দাওয়াতের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি ভ্রাতৃত্ববোধ ও ভালোবাসার সৃষ্টি হয়। শত্রুতা দূরীভূত হয়ে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঈমানি চেতনা জাগ্রত হয়, ধৈর্যশীলতা বৃদ্ধি পায়, হকের পথে ফিরে আসে, সহানুভূতিশীল হয়। যা বর্তমান সমাজে খুব বেশি প্রয়োজন। আল্লাহ বলেছেন, ‘অতঃপর সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়, যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় ধৈর্যধারণের, আর পরস্পরকে উপদেশ দেয় দয়া-অনুগ্রহের।’ (সুরা বালাদ : ১৭)
যিনি দাওয়াত দেন তাকে আরবিতে দাঈ বলে। একজন দাঈকে বেশ কিছু গুণের অধিকারী হতে হবে। এমনভাবে দাওয়াত দিতে হবে যাতে সবাই সহজে তা গ্রহণ করতে পারে। সুন্দর সাবলীল ও উত্তম পন্থায় দ্বীনের পথে আহ্বান করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘তুমি তোমরা রবের পথে হেকমত ও সুন্দর উপদেশের মাধ্যমে দাওয়াতের কাজ করো এবং সুন্দরতম পন্থায় তাদের সঙ্গে বিতর্ক করো। নিশ্চয় একমাত্র তোমার রবই জানেন কে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে এবং হেদায়েতপ্রাপ্তদের তিনি খুব ভালো করেই জানেন।’ (সুরা নাহল : ১২৫)
বর্তমান সমাজকে ধ্বংসের কবল থেকে রক্ষা করতে ইসলাম ও কল্যাণের দাওয়াতের বিকল্প নেই। হেকমত ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে মানুষের অন্তরকে আলোকিত করতে পারলেই অজ্ঞতা ও শঠতার আঁধার দূরীভূত হয়ে যাবে। তাই আমাদের উচিত সুষ্ঠু ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে দাওয়াতের পরিধি বৃদ্ধি করা। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের কবুল করে নেন।