CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক চুক্তি’ চায় ইরান

#
news image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি 'শান্তিপূর্ণ' চুক্তি করতে চায় ইরান। তবে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করবে না তেহরান। জানিয়েছেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১২তম আবুধাবি স্ট্র্যাটেজিক ডিবেটে বক্তৃতাকালে খাতিবজাদে বলেন, ওয়াশিংটন তৃতীয় দেশের মাধ্যমে তেহরানকে পারমাণবিক আলোচনা বিষয়ে বিপরীতধর্মী বার্তা পাঠাচ্ছে। খাতিবজাদে বলেন, দুই দেশের মধ্যে এখনও বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে, বিশেষ করে ইরানি ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুতে। খাতিবজাদে বলেন, “তেহরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায় না এবং সে বিষয়ে বিশ্বকে আশ্বস্ত করতে প্রস্তুত। আমরা আমাদের নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গর্বিত।” যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনা হোক, যাতে অস্ত্র তৈরির ঝুঁকি না থাকে। কিন্তু তেহরান এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, তার ইউরোপীয় মিত্র এবং ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে অস্ত্র তৈরির ছদ্মবেশ হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছে। তবে ইরান বরাবরই দাবি করে এসেছে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চিকিৎসা গবেষণার জন্য পরিচালিত।

গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যখন ইরান প্রস্তুত, যুক্তরাষ্ট্রও একটি চুক্তি করতে প্রস্তুত। ইরানের প্রতি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার হাত খোলা রয়েছে।”

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরুর আগে পর্যন্ত পাঁচ দফা পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু ওই যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর পর আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়।

গত সপ্তাহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না তেহরান।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    

১১ নভেম্বর, ২০২৫,  5:42 PM

news image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারমাণবিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি 'শান্তিপূর্ণ' চুক্তি করতে চায় ইরান। তবে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করবে না তেহরান। জানিয়েছেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য দিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১২তম আবুধাবি স্ট্র্যাটেজিক ডিবেটে বক্তৃতাকালে খাতিবজাদে বলেন, ওয়াশিংটন তৃতীয় দেশের মাধ্যমে তেহরানকে পারমাণবিক আলোচনা বিষয়ে বিপরীতধর্মী বার্তা পাঠাচ্ছে। খাতিবজাদে বলেন, দুই দেশের মধ্যে এখনও বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে, বিশেষ করে ইরানি ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুতে। খাতিবজাদে বলেন, “তেহরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায় না এবং সে বিষয়ে বিশ্বকে আশ্বস্ত করতে প্রস্তুত। আমরা আমাদের নিজস্ব পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে গর্বিত।” যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ শূন্যে নামিয়ে আনা হোক, যাতে অস্ত্র তৈরির ঝুঁকি না থাকে। কিন্তু তেহরান এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র, তার ইউরোপীয় মিত্র এবং ইসরায়েল তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে অস্ত্র তৈরির ছদ্মবেশ হিসেবে অভিযুক্ত করে আসছে। তবে ইরান বরাবরই দাবি করে এসেছে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চিকিৎসা গবেষণার জন্য পরিচালিত।

গত অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যখন ইরান প্রস্তুত, যুক্তরাষ্ট্রও একটি চুক্তি করতে প্রস্তুত। ইরানের প্রতি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার হাত খোলা রয়েছে।”

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরুর আগে পর্যন্ত পাঁচ দফা পারমাণবিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু ওই যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর পর আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়।

গত সপ্তাহে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনায় বসবে না তেহরান।