রাবি প্রতিনিধি
০৪ নভেম্বর, ২০২৫, 5:27 PM
ঐতিহ্যের স্বাদ ও শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘গুড় সম্মেলন ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে “ রস ও গুড় “ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তা ডেভেলপমেন্ট ক্লাবের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের ৬৪টি জেলা থেকে প্রায় ছয় শতাধিক গুড় উৎপাদনকারী, গাছী, উদ্যোক্তা এবং গবেষক দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশ নেন। এসময় কয়েকটি স্টলে গুড় উৎপাদন, গুড় গবেষণা, বাজারজাতকরণ ও বিভিন্ন প্রকার গুড়ের প্রদর্শনী করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসআরআই এর মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, হোয়াইট সুগার এবং লবণ এগুলো হচ্ছে হোয়াইট পয়জন। হোয়াইট সুগার বাদ দিয়ে গুড় অথবা ব্রাউন সুগার বেছে নেওয়া উচিত। গুড় শরীরকে ঠান্ডা রাখে। আমরা চা, শরবত অথবা মিষ্টি জাতীয় খাবারে গুড় ব্যবহার করতে পারি।
উদোক্ত্যাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা বিরাট অংশ জুড়ে আছেন। চাকরী প্রত্যাশীদের চাকরির পেছনে না দৌড়ে উদোক্ত্যা হওয়া উচিত। এতে একাধারে যেমন সে নিজে সাবলম্বী হতে পারবে পাশাপাশি আরোও দশ জন বেকার সাবলম্বী হবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ইয়ামিন হোসেন বলেন, আমরা যে গুড় খেয়ে থাকি সেখানে কোনো ক্যামিকাল থাকেনা কিন্তু আমরা যে চিনি খাই সেটা অনেক প্রকার ক্যামিকাল দ্বারা তৈরি। গরম চায়ে আমরা যখন চিনি ব্যবহার করছি তখন আরোও প্রায় ২৭ প্রকার ক্যামিকাল উৎপন্ন হচ্ছে যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অন্যদিকে গুড়ের ব্যবহারে এমন কোনো ক্ষতি নেই। এটা অর্গানিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত। গুড়ের ব্যবহারের প্রচলন আমাদের বাড়াতে হবে
সম্মেলনে অংশ নেওয়া গবেষক ও উদ্যোক্তা সৈয়দ মুহাম্মদ মঈনুল আনোয়ার বলেন, আমরা চাই গুড়ের মত একটা সম্ভবনাময় শিল্পকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে।গুড়কে বিশুদ্ধভাবে সকলের কাছে সরবরাহ করা এবং বিদেশে গুড় রপ্তানী করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
খেজ্্ুরগুড় ছাড়াও খেজুরগাছের বাণিজ্যিক দিকের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিদেশ থেকে আমরা চাইানিজ জায়নামাজ, মেসওয়াক,তসবীহসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানী করে থাকি। কিন্তু আমরা চাইলেই খেজুর গাছের বিভিন্ন অংশ দিয়ে দৈনন্দিন বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে নিতে পারি।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন উদ্যোক্তা বলেন, এখানে এসে খুবই ভালো লাগছে। সম্মেলনে এসে আমরা জানতে পেরেছি কিভাবে ভালো গুড় উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভোক্তাদের কাছে বাজারজাতকরণ করা যায়। এই সম্মলনের মাধ্যমে আমরা যতটা সচেতন হবো ঠিক ততটাই উপকৃত হবে ভোক্তারা।
রাবি প্রতিনিধি
০৪ নভেম্বর, ২০২৫, 5:27 PM
ঐতিহ্যের স্বাদ ও শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ‘গুড় সম্মেলন ২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে “ রস ও গুড় “ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোক্তা ডেভেলপমেন্ট ক্লাবের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের ৬৪টি জেলা থেকে প্রায় ছয় শতাধিক গুড় উৎপাদনকারী, গাছী, উদ্যোক্তা এবং গবেষক দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশ নেন। এসময় কয়েকটি স্টলে গুড় উৎপাদন, গুড় গবেষণা, বাজারজাতকরণ ও বিভিন্ন প্রকার গুড়ের প্রদর্শনী করা হয়।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসআরআই এর মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, হোয়াইট সুগার এবং লবণ এগুলো হচ্ছে হোয়াইট পয়জন। হোয়াইট সুগার বাদ দিয়ে গুড় অথবা ব্রাউন সুগার বেছে নেওয়া উচিত। গুড় শরীরকে ঠান্ডা রাখে। আমরা চা, শরবত অথবা মিষ্টি জাতীয় খাবারে গুড় ব্যবহার করতে পারি।
উদোক্ত্যাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা বিরাট অংশ জুড়ে আছেন। চাকরী প্রত্যাশীদের চাকরির পেছনে না দৌড়ে উদোক্ত্যা হওয়া উচিত। এতে একাধারে যেমন সে নিজে সাবলম্বী হতে পারবে পাশাপাশি আরোও দশ জন বেকার সাবলম্বী হবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ইয়ামিন হোসেন বলেন, আমরা যে গুড় খেয়ে থাকি সেখানে কোনো ক্যামিকাল থাকেনা কিন্তু আমরা যে চিনি খাই সেটা অনেক প্রকার ক্যামিকাল দ্বারা তৈরি। গরম চায়ে আমরা যখন চিনি ব্যবহার করছি তখন আরোও প্রায় ২৭ প্রকার ক্যামিকাল উৎপন্ন হচ্ছে যা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অন্যদিকে গুড়ের ব্যবহারে এমন কোনো ক্ষতি নেই। এটা অর্গানিক এবং স্বাস্থ্যসম্মত। গুড়ের ব্যবহারের প্রচলন আমাদের বাড়াতে হবে
সম্মেলনে অংশ নেওয়া গবেষক ও উদ্যোক্তা সৈয়দ মুহাম্মদ মঈনুল আনোয়ার বলেন, আমরা চাই গুড়ের মত একটা সম্ভবনাময় শিল্পকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে।গুড়কে বিশুদ্ধভাবে সকলের কাছে সরবরাহ করা এবং বিদেশে গুড় রপ্তানী করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।
খেজ্্ুরগুড় ছাড়াও খেজুরগাছের বাণিজ্যিক দিকের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিদেশ থেকে আমরা চাইানিজ জায়নামাজ, মেসওয়াক,তসবীহসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানী করে থাকি। কিন্তু আমরা চাইলেই খেজুর গাছের বিভিন্ন অংশ দিয়ে দৈনন্দিন বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা মিটিয়ে নিতে পারি।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন উদ্যোক্তা বলেন, এখানে এসে খুবই ভালো লাগছে। সম্মেলনে এসে আমরা জানতে পেরেছি কিভাবে ভালো গুড় উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভোক্তাদের কাছে বাজারজাতকরণ করা যায়। এই সম্মলনের মাধ্যমে আমরা যতটা সচেতন হবো ঠিক ততটাই উপকৃত হবে ভোক্তারা।