CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

জুলাই সনদ রাজনৈতিক দর কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে

#
news image

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) সদস্য সচিব আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ বলেছেন, জুলাই সনদ ছিল জনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কিন্তু তা এখন রাজনৈতিক দর কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ-২০২৫’ নিয়ে দুটি প্রশ্নে গণভোট করতে হবে। কারণ জনগণের মতামত যাচাইয়ের একমাত্র গণতান্ত্রিক পথ হলো গণভোট।’

তিনি জানান, দলের প্রস্তাব অনুযায়ী, গণভোটে থাকবে দুটি পৃথক ব্যালট। প্রথম ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এমন সংস্কার প্রস্তাব, যেগুলোর বিপক্ষে চার বা তার কম রাজনৈতিক দল ‘‘নোট অব ডিসেন্ট’’ দিয়েছে। দ্বিতীয় ব্যালটে থাকবে পাঁচ বা ততোধিক দলের আপত্তি থাকা প্রস্তাবগুলো।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের ২৭০ দিনের মেয়াদকে সমর্থন জানিয়ে আপ বাংলাদেশ আরও প্রস্তাব করে, গণভোট যেন আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিনেই আয়োজন করা হয়। জুলাই সনদকে রাজনৈতিক দর কষাকষির নয়, জনগণের ইচ্ছার দলিল হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যেন কোনও পক্ষ ধোয়াশা সৃষ্টি না করে। কেউ যেন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করতে না পারে এ বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ অক্টোবর, ২০২৫,  5:00 PM

news image

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) সদস্য সচিব আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ বলেছেন, জুলাই সনদ ছিল জনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। কিন্তু তা এখন রাজনৈতিক দর কষাকষির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরেফিন মোহাম্মদ হিযবুল্লাহ বলেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) আদেশ-২০২৫’ নিয়ে দুটি প্রশ্নে গণভোট করতে হবে। কারণ জনগণের মতামত যাচাইয়ের একমাত্র গণতান্ত্রিক পথ হলো গণভোট।’

তিনি জানান, দলের প্রস্তাব অনুযায়ী, গণভোটে থাকবে দুটি পৃথক ব্যালট। প্রথম ব্যালটে অন্তর্ভুক্ত থাকবে এমন সংস্কার প্রস্তাব, যেগুলোর বিপক্ষে চার বা তার কম রাজনৈতিক দল ‘‘নোট অব ডিসেন্ট’’ দিয়েছে। দ্বিতীয় ব্যালটে থাকবে পাঁচ বা ততোধিক দলের আপত্তি থাকা প্রস্তাবগুলো।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের ২৭০ দিনের মেয়াদকে সমর্থন জানিয়ে আপ বাংলাদেশ আরও প্রস্তাব করে, গণভোট যেন আগামী জাতীয় নির্বাচনের দিনেই আয়োজন করা হয়। জুলাই সনদকে রাজনৈতিক দর কষাকষির নয়, জনগণের ইচ্ছার দলিল হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যেন কোনও পক্ষ ধোয়াশা সৃষ্টি না করে। কেউ যেন নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করতে না পারে এ বিষয়ে দেশবাসীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।