CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

রাবিতে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি,আমরণ অনশনে দুই শিক্ষার্থী

#
news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতার দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন দুই শিক্ষার্থী। আজ শনিবার (২৫ সেপ্টেম¦র) বিকেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা। এর আগে তাঁরা দুইদিনে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেছিলেন।  

 

অনশনে বসা ওই দুজন হলেন নাট্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল। রাত সাড়ে দশটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করছে। 

তাঁদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিকেলে উপস্থিত ছিলেন নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক হাবিব জাকারিয়া উল্লাস ও সহযোগী অধ্যাপক কাজী সুষ্মিন আফসানা। এ সময় তাঁরা ‘নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনশন কর্মসূচি’,‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই হবে একসাথে’, ‘জবাবদিহিতা নিশ্চিত কর!’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

 

সংহতি জানিয়ে শিক্ষক হাবিব জাকারিয়া উল্লাস বলেন, এ রকম অভিযোগ উঠার পরও বিভাগের সভাপতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভায় বসেনি। তিনি চব্বিশ পরবর্তী প্রশাসনের প্রতি তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের ওপর আস্থা রেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছেন। 

 

আরেক শিক্ষক কাজী সুষ্মিন আফসানা বলেন, তিনি তাঁর নৈতিক দায়িত্ব থেকে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের নিকট যে দাবি জানিয়েছে সেটা যেন আরও জোরদার হয়, সেজন্যই তাঁরা এখানে এসেছেন। 

 

অনশনে বসা শিক্ষার্থী সাদেক রহমান অভিযোগ তুলে বলেন, ফরেনসিক রিপোর্টে শিক্ষক নিয়োগে কল রেকর্ড ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আমরা বিভাগের সভাপতি মীর মেহবুবকে বারবার জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চাইলেও বারবার তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমি বিভাগের ছাত্র প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও বিভাগের এসব বিষয়ে কোনো তথ্য পাচ্ছি না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে আরও বঞ্চিত। 

 

সাদেক রহমান আরও বলেন, দুইদিনে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করার পরও প্রশাসন থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরণ অনশনে বসেছেন।

 

এ বিষয়ে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মীর মেহবুব আলমের মুঠোফোনে একাধিকার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ প্রশাসন পায়নি। বিতর্কিত কোনো বিষয়ে তদন্তবিহীন সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিবে না।

রাবি প্রতিনিধি

২৬ অক্টোবর, ২০২৫,  8:04 AM

news image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতার দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন দুই শিক্ষার্থী। আজ শনিবার (২৫ সেপ্টেম¦র) বিকেল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা। এর আগে তাঁরা দুইদিনে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করেছিলেন।  

 

অনশনে বসা ওই দুজন হলেন নাট্যকলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল। রাত সাড়ে দশটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান করছে। 

তাঁদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বিকেলে উপস্থিত ছিলেন নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক হাবিব জাকারিয়া উল্লাস ও সহযোগী অধ্যাপক কাজী সুষ্মিন আফসানা। এ সময় তাঁরা ‘নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অনশন কর্মসূচি’,‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই হবে একসাথে’, ‘জবাবদিহিতা নিশ্চিত কর!’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

 

সংহতি জানিয়ে শিক্ষক হাবিব জাকারিয়া উল্লাস বলেন, এ রকম অভিযোগ উঠার পরও বিভাগের সভাপতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা সভায় বসেনি। তিনি চব্বিশ পরবর্তী প্রশাসনের প্রতি তদন্ত ও সুষ্ঠু বিচারের ওপর আস্থা রেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছেন। 

 

আরেক শিক্ষক কাজী সুষ্মিন আফসানা বলেন, তিনি তাঁর নৈতিক দায়িত্ব থেকে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের নিকট যে দাবি জানিয়েছে সেটা যেন আরও জোরদার হয়, সেজন্যই তাঁরা এখানে এসেছেন। 

 

অনশনে বসা শিক্ষার্থী সাদেক রহমান অভিযোগ তুলে বলেন, ফরেনসিক রিপোর্টে শিক্ষক নিয়োগে কল রেকর্ড ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। আমরা বিভাগের সভাপতি মীর মেহবুবকে বারবার জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চাইলেও বারবার তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমি বিভাগের ছাত্র প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও বিভাগের এসব বিষয়ে কোনো তথ্য পাচ্ছি না। সাধারণ শিক্ষার্থীরা সেখানে আরও বঞ্চিত। 

 

সাদেক রহমান আরও বলেন, দুইদিনে ১২ ঘণ্টা প্রতীকী অনশন করার পরও প্রশাসন থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরণ অনশনে বসেছেন।

 

এ বিষয়ে নাট্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মীর মেহবুব আলমের মুঠোফোনে একাধিকার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ প্রশাসন পায়নি। বিতর্কিত কোনো বিষয়ে তদন্তবিহীন সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিবে না।