CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

‘সাংবিধানিক রীতিনীতির ভুল প্রয়োগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল হয়’

#
news image

‘সাংবিধানিক রীতিনীতির ভুল প্রয়োগের কারণেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছেন বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। সেই রায়ে দেশের বাস্তবতা বিবেচনা করা হয়নি। যার কারণে তিনটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে একতরফা। এক হাজার মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। আশা করি শুনানির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসবে।’ এসব কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। তিনি জানান এ মামলার রিভিউ শুনানি বুধবারের (২২ অক্টোবর) মধ্যে শেষ হতে পারে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট কারিশমা জাহানসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

ড. শরিফ ভূঁইয়া জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেহেতু বিশেষ সাংবিধানিক আদেশে গঠন হয়েছে, তাই আগামী সংসদ নির্বাচন হবে এ সরকারের অধীনে। আর পরবর্তী সংসদ নির্বাচন করবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কারণ আইন অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ড. শরিফ বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সব দলের সম্মতি ছিল। বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর ভিত্তিতেই আদালত এই আইন পাস হয়। অথচ বিগত দিনে এ ব্যাপারে কোনও ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই এক ধরনের বায়বীয় আদেশে এ সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। সাড়ে ৭০০ পৃষ্ঠার এ রায় রায় ছিল অপ্রয়োজনীয় ও অপচয়। আমরা মনে করি এটি ছিল দেশের সামগ্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।’

তিনি বলেন, ‘বিচারপতি খায়রুল হক বলেছিলেন, অনির্বাচিত সরকার সাংবিধানিক নয়, তাই বাতিল করা হয়েছে। অথচ বিগত সরকারের অধীনে অনির্বাচিত অনেক উপদেষ্টা ছিলেন। যারা মন্ত্রী পদমর্যাদা থেকেও বেশি প্রভাব খাটিয়েছেন। অপরদিকে নির্বাচিত সরকারের অধীনে বিগত ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সেই সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছিল না। গুম-খুন ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এমনটি হতো না।’

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ অক্টোবর, ২০২৫,  3:38 PM

news image

‘সাংবিধানিক রীতিনীতির ভুল প্রয়োগের কারণেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছেন বিচারপতি খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এর মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। সেই রায়ে দেশের বাস্তবতা বিবেচনা করা হয়নি। যার কারণে তিনটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে একতরফা। এক হাজার মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। আশা করি শুনানির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসবে।’ এসব কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. শরিফ ভূঁইয়া। তিনি জানান এ মামলার রিভিউ শুনানি বুধবারের (২২ অক্টোবর) মধ্যে শেষ হতে পারে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট কারিশমা জাহানসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

ড. শরিফ ভূঁইয়া জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেহেতু বিশেষ সাংবিধানিক আদেশে গঠন হয়েছে, তাই আগামী সংসদ নির্বাচন হবে এ সরকারের অধীনে। আর পরবর্তী সংসদ নির্বাচন করবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কারণ আইন অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দেওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ড. শরিফ বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংশোধনীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ সব দলের সম্মতি ছিল। বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর ভিত্তিতেই আদালত এই আইন পাস হয়। অথচ বিগত দিনে এ ব্যাপারে কোনও ধরনের ব্যাখ্যা না দিয়েই এক ধরনের বায়বীয় আদেশে এ সরকার পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। সাড়ে ৭০০ পৃষ্ঠার এ রায় রায় ছিল অপ্রয়োজনীয় ও অপচয়। আমরা মনে করি এটি ছিল দেশের সামগ্রিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।’

তিনি বলেন, ‘বিচারপতি খায়রুল হক বলেছিলেন, অনির্বাচিত সরকার সাংবিধানিক নয়, তাই বাতিল করা হয়েছে। অথচ বিগত সরকারের অধীনে অনির্বাচিত অনেক উপদেষ্টা ছিলেন। যারা মন্ত্রী পদমর্যাদা থেকেও বেশি প্রভাব খাটিয়েছেন। অপরদিকে নির্বাচিত সরকারের অধীনে বিগত ১৪, ১৮ ও ২৪ সালের নির্বাচন ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সেই সময় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছিল না। গুম-খুন ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে এমনটি হতো না।’