CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

রাবি শিক্ষার্থীদের দীপাবলি উৎসব

#
news image

মতিহারের সবুজ চত্ত্বরে বইছে হেমন্তের হাওয়া। শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির। এমন সুন্দর মৌসুমে কয়েকদিন আগে রাবি শিক্ষার্থীরা মেতে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে। নির্বাচনী আমেজ শেষ না হতেই চলে এসেছে দীপাবলি উৎসব। অমাবস্যার রাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে জীবনের সব অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে আলোকে আমন্ত্রণ জানানোর অভিলাষে এ দিন হিন্দুরা ঘরের প্রতিটি কোণ আলোকিত করে তোলে। তবে, ক্যাম্পাসে থাকা শিক্ষার্থীরা বাড়ির থেকে দূরে থাকার কারণে আবাসিক হলেই পালন করছেন এই উৎসব। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালী পূজার দিন দীপাবলি অনুষ্ঠিত হয়। 

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হল, আমীর আলী হল, মতিহার হল সহ অন্তত ছয়টি হলে দীপাবলি পালন করা হয়। সরিজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের হলের বারান্দা, মুক্তমঞ্চ ও কক্ষের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে, অনেকে আবার কক্ষের পড়ার টেবিল সাজিয়ে দীপাবলি পালন করতে দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আজ দেখা যায় এক অন্য সাজে। আলোকবাতি, হরেক রকম ফুল ও প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণ। ধুপের গন্ধ, ঢাকের তাল, পুরোহিতের মন্ত্র ও শাস্ত্রের ছন্দ মিলিয়ে নাঁচে গানে চলছে কালীপূজোর তোরজোড়। 

 

অনুভূতি ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনুরাধা রায় বলেন, দীপাবলী আমার কাছে শুধু আলোর উৎসব নয়, এটি মনের অন্ধকার দূর করার এক প্রতীক। আজ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি মন্দির ঘুরে দেখেছি এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে দূর করেছি সকল অন্ধকার।

 

নীলফামারীর কৌশিক কুন্ডু কাব্য। পড়াশোনা করছেন পরিসংখ্যান বিভাগে। চতুর্থ বর্ষের কাব্যের কাছে দীপাবলির অনুভূতি কিছুটা ভিন্ন। ছোটোবেলায় কাব্য ও তার দিদি একসাথে কালীপূজায় পুরো বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাতেন। তবে এখন সে সুযোগ আর হয় না। কাব্য বলেন, বাসার সবাই একসাথে ভূতচতুর্দশী পালন করতাম । বাসার সবাই একসাথে নেড়া পোড়ানো, বন্ধু-বান্ধবের সাথে একসাথে ঘুরে বেড়ানো, ক্যাম্পাসে এসে এগুলো এখন ভীষণভাবে মনে পড়ে। 

 

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী অর্পণ ধর বলেন, কালীপূজার সবচেয়ে বড় প্রশান্তি আতশবাজি ফাটানো। ছোটবেলায় বন্ধুরা মিলে একসাথে বিভিন্ন মন্ডপে ঘুরে ঘুরে পূজা দেখতাম আর আতশবাজি ফাটাতাম। এখনো সেই ছোটোবেলার সোনালী সময়গুলো মিস করি।

ঐশ্বর্য বিশ্বাস, রাবি

২০ অক্টোবর, ২০২৫,  10:05 PM

news image

মতিহারের সবুজ চত্ত্বরে বইছে হেমন্তের হাওয়া। শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির। এমন সুন্দর মৌসুমে কয়েকদিন আগে রাবি শিক্ষার্থীরা মেতে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে। নির্বাচনী আমেজ শেষ না হতেই চলে এসেছে দীপাবলি উৎসব। অমাবস্যার রাতে প্রদীপ জ্বালিয়ে জীবনের সব অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে আলোকে আমন্ত্রণ জানানোর অভিলাষে এ দিন হিন্দুরা ঘরের প্রতিটি কোণ আলোকিত করে তোলে। তবে, ক্যাম্পাসে থাকা শিক্ষার্থীরা বাড়ির থেকে দূরে থাকার কারণে আবাসিক হলেই পালন করছেন এই উৎসব। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব কালী পূজার দিন দীপাবলি অনুষ্ঠিত হয়। 

 

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হল, আমীর আলী হল, মতিহার হল সহ অন্তত ছয়টি হলে দীপাবলি পালন করা হয়। সরিজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা থেকেই সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের হলের বারান্দা, মুক্তমঞ্চ ও কক্ষের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে, অনেকে আবার কক্ষের পড়ার টেবিল সাজিয়ে দীপাবলি পালন করতে দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আজ দেখা যায় এক অন্য সাজে। আলোকবাতি, হরেক রকম ফুল ও প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছে মন্দির প্রাঙ্গণ। ধুপের গন্ধ, ঢাকের তাল, পুরোহিতের মন্ত্র ও শাস্ত্রের ছন্দ মিলিয়ে নাঁচে গানে চলছে কালীপূজোর তোরজোড়। 

 

অনুভূতি ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অনুরাধা রায় বলেন, দীপাবলী আমার কাছে শুধু আলোর উৎসব নয়, এটি মনের অন্ধকার দূর করার এক প্রতীক। আজ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি মন্দির ঘুরে দেখেছি এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে দূর করেছি সকল অন্ধকার।

 

নীলফামারীর কৌশিক কুন্ডু কাব্য। পড়াশোনা করছেন পরিসংখ্যান বিভাগে। চতুর্থ বর্ষের কাব্যের কাছে দীপাবলির অনুভূতি কিছুটা ভিন্ন। ছোটোবেলায় কাব্য ও তার দিদি একসাথে কালীপূজায় পুরো বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাতেন। তবে এখন সে সুযোগ আর হয় না। কাব্য বলেন, বাসার সবাই একসাথে ভূতচতুর্দশী পালন করতাম । বাসার সবাই একসাথে নেড়া পোড়ানো, বন্ধু-বান্ধবের সাথে একসাথে ঘুরে বেড়ানো, ক্যাম্পাসে এসে এগুলো এখন ভীষণভাবে মনে পড়ে। 

 

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী অর্পণ ধর বলেন, কালীপূজার সবচেয়ে বড় প্রশান্তি আতশবাজি ফাটানো। ছোটবেলায় বন্ধুরা মিলে একসাথে বিভিন্ন মন্ডপে ঘুরে ঘুরে পূজা দেখতাম আর আতশবাজি ফাটাতাম। এখনো সেই ছোটোবেলার সোনালী সময়গুলো মিস করি।