রাবি প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর, ২০২৫, 9:40 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মহানবী (সা.) কে উদ্দেশ্য করে এক শিক্ষার্থীর অবমাননাকর মন্তব্য এবং কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ রোববার ( ১৯ অক্টোবর ) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
ছাত্রশিবিরের চার দফা দাবি হলোÑঘটনার দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আযোজন করা হোক এবং তদন্ত প্রতিবেদন সর্বসম্মতভাবে প্রকাশ করা হোক; তদন্তক্রমে দোষী ঘোষিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফেসবুক/সামাজিক যোগাযোগের আইডেন্টিটি (ফেক/রিয়েল) নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত তদন্ত করা এবং বিগত সময়ে কয়েকটি হলে কুরআন পোড়ানোর ঘটনা এবং আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সম্মানহানির সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আরবি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদের এক ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের প্রতি উত্তরে দিপ্ত রয় নামের এক শিক্ষার্থী মহানবী (সা.)-কে উদ্দেশ করে অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন। পরবর্তীকালে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার স্টোরিতে কালেমা বিকৃতভাবে ব্যবহার করে এবং রাসুল (সা.)-কে সম্মানহানি করে ব্যঙ্গাত্মক বার্তা প্রেরণ করেছেন। এসব মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ও ধর্মপ্রাণ ছাত্রসমাজ গভীরভাবে আহত ও উদ্বিগ্ন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ টি আবাসিক হলে কোরআন পোড়ানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফেরদৌস রহমান ফরিদকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি পুলিশ প্রশাসন, ডিজিএফআই, সিটিএসবি, এনএসআইসহ যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আছে তাদের সাহায্য নিয়ে আইপি এড্রেস বা লোকেশন ট্রাক করে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব। প্রয়োজনে মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেই আইডির লোকেশন ট্রাক করে তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য দাবি জানিয়েছি।
তিনি আরোও বলেন, আমরা মনে করি কোরআন পোড়ানোর ঘটনা যে কোন একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব না। এটির পিছনে যাদের চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আছে, সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রাখতে এবং ভবিষ্যতে যেন এ রকম ঘটনা না ঘটে এজন্য জনসম্মুখে নিয়ে আসা উচিত।
রাবি প্রতিনিধি
১৯ অক্টোবর, ২০২৫, 9:40 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মহানবী (সা.) কে উদ্দেশ্য করে এক শিক্ষার্থীর অবমাননাকর মন্তব্য এবং কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ রোববার ( ১৯ অক্টোবর ) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
ছাত্রশিবিরের চার দফা দাবি হলোÑঘটনার দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আযোজন করা হোক এবং তদন্ত প্রতিবেদন সর্বসম্মতভাবে প্রকাশ করা হোক; তদন্তক্রমে দোষী ঘোষিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফেসবুক/সামাজিক যোগাযোগের আইডেন্টিটি (ফেক/রিয়েল) নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত তদন্ত করা এবং বিগত সময়ে কয়েকটি হলে কুরআন পোড়ানোর ঘটনা এবং আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সম্মানহানির সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আরবি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল আহমেদের এক ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যের প্রতি উত্তরে দিপ্ত রয় নামের এক শিক্ষার্থী মহানবী (সা.)-কে উদ্দেশ করে অশালীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেন। পরবর্তীকালে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার স্টোরিতে কালেমা বিকৃতভাবে ব্যবহার করে এবং রাসুল (সা.)-কে সম্মানহানি করে ব্যঙ্গাত্মক বার্তা প্রেরণ করেছেন। এসব মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ও ধর্মপ্রাণ ছাত্রসমাজ গভীরভাবে আহত ও উদ্বিগ্ন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ টি আবাসিক হলে কোরআন পোড়ানোর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফেরদৌস রহমান ফরিদকে গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি পুলিশ প্রশাসন, ডিজিএফআই, সিটিএসবি, এনএসআইসহ যে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আছে তাদের সাহায্য নিয়ে আইপি এড্রেস বা লোকেশন ট্রাক করে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব। প্রয়োজনে মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেই আইডির লোকেশন ট্রাক করে তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য দাবি জানিয়েছি।
তিনি আরোও বলেন, আমরা মনে করি কোরআন পোড়ানোর ঘটনা যে কোন একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব না। এটির পিছনে যাদের চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আছে, সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রাখতে এবং ভবিষ্যতে যেন এ রকম ঘটনা না ঘটে এজন্য জনসম্মুখে নিয়ে আসা উচিত।