CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

অভিনেতার সঙ্গে চুম্বনদৃশ্যে বাধ্য করা হয়েছিল: ফারহা খান

#
news image

বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক তথা প্রযোজক ফারাহ খান সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন— এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্লগে এ কথা জানিয়েছেন ফারাহ খান। বিভিন্ন তারকার বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন এ পরিচালক। এবার গায়ক শানের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দিলেন ফারাহ খান। সেখানে গায়কের সঙ্গে ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘যো জিতা ওহি সিকান্দার’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই সিনেমায় জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা খান। কিন্তু প্রথমে সহপরিচালক হিসেবে সেই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
ফারহা খান বলেন, আমি আসলে সহপরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তারপর দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিওগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনো নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হতো।
এভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা খান। এ কোরিওগ্রাফার বলেন, একটা দৃশ্য ছিল সিনেমায়, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি। এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাদের মধ্যে। শান বলেন, সেই সিনেমার জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, আরে! তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনো পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই সিনেমাটা আমাকে যা যা দিয়েছে, তা কোনো চেক দিতে পারত না। ওই সিনেমাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। 

বিনোদন ডেস্ক

১৬ অক্টোবর, ২০২৫,  5:33 PM

news image

বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক তথা প্রযোজক ফারাহ খান সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন— এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্লগে এ কথা জানিয়েছেন ফারাহ খান। বিভিন্ন তারকার বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন এ পরিচালক। এবার গায়ক শানের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দিলেন ফারাহ খান। সেখানে গায়কের সঙ্গে ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘যো জিতা ওহি সিকান্দার’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই সিনেমায় জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা খান। কিন্তু প্রথমে সহপরিচালক হিসেবে সেই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
ফারহা খান বলেন, আমি আসলে সহপরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তারপর দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিওগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনো নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হতো।
এভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা খান। এ কোরিওগ্রাফার বলেন, একটা দৃশ্য ছিল সিনেমায়, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি। এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাদের মধ্যে। শান বলেন, সেই সিনেমার জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, আরে! তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনো পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই সিনেমাটা আমাকে যা যা দিয়েছে, তা কোনো চেক দিতে পারত না। ওই সিনেমাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল।