CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

রংপুরে নোটিশ ছাড়াই পাঁচ পরিবার উচ্ছেদ, ক্ষতিপূরণ পেতে আদালতে মামলা 

#
news image

রংপুর মহানগরীর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানার আশরতপুর কোর্টপাড়ায় বিনা নোটিশে বাড়িঘর উচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫টি পরিবারের মানুষজন মানবেতর জীবন যাপন করছে। 

জানা যায়,ওই মহল্লার কেরামত প্রামাণিকের মৃত্যুর পর তাঁর দুই ছেলে হবিবর ও নকিবর এবং এক মেয়ে ছইমন নেছা উত্তরাধিকার সূত্রে  ১১৮.৫ শতাংশ জমির মালিক হন। 

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ছইমন নেছার ওয়ারিশগণ তাঁদের অংশের ২১ শতাংশ জমি বৈধভাবে বিক্রি করেন। ক্রেতারা নিয়মিত দলিল, খাজনা ও খারিজ সম্পন্ন করে ওই জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিলেন। উক্ত তফসিল ভুক্ত জমি পূণ: দখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় এক ব্যক্তি নানা ভাবে প্রভাব খাটিয়ে চলতি বছরের ৪ঠা সেপ্টেম্বর  দুপুরে মব তৈরি করে কোনও সরকারি নোটিশ কিংবা আদালতের আদেশ ছাড়াই সেখানে উচ্ছেদের ঘটনা ঘটায়।

 ভুক্তভোগীদের দাবি, উচ্ছেদের সময় আসবাবপত্র, টাকা-পয়সা, সোনা গহনা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়। ফলে, ৫ পরিবার গৃহহীন হয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক মিজানুর সরদার রিপন, সাংবাদিকদের বলেন, আমরা উচ্ছেদের আগে নোটিশ পেলে আমাদের ঘরের বিভিন্ন মালামাল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করতে পারতাম। কিন্তু নোটিশ ছাড়াই আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ায় আমরা ঘরের কোন কিছু উদ্ধার করতে পারিনি। 

এজন্য  বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ৫ পরিবারের পুণ: বাসনের দাবি জানাই।

 এবিষয়ে আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, একটি কুচক্রি মহল মব সৃষ্টি করে বিনা নোটিশে ভুক্তভোগীদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা এদেশের নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমি তাদেরকে ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  প্রতিপক্ষ মোছাঃ রওশনারা বেগম জানান, দলিল মূলে ১৯৯১ সালের মধ্যে  ৫২১৯/৫২২০ দাগের জমি ক্রয় করি। কিন্তু আমি সব জমি দখলে না পেয়ে, আদালতে মামলা করি। তারপর,আদালতের  রায়ের মাধ্যমে জমি ফেরৎ পেয়েছি।

রংপুর প্রতিনিধি

১৩ অক্টোবর, ২০২৫,  4:17 PM

news image

রংপুর মহানগরীর মেট্রোপলিটন তাজহাট থানার আশরতপুর কোর্টপাড়ায় বিনা নোটিশে বাড়িঘর উচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৫টি পরিবারের মানুষজন মানবেতর জীবন যাপন করছে। 

জানা যায়,ওই মহল্লার কেরামত প্রামাণিকের মৃত্যুর পর তাঁর দুই ছেলে হবিবর ও নকিবর এবং এক মেয়ে ছইমন নেছা উত্তরাধিকার সূত্রে  ১১৮.৫ শতাংশ জমির মালিক হন। 

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ছইমন নেছার ওয়ারিশগণ তাঁদের অংশের ২১ শতাংশ জমি বৈধভাবে বিক্রি করেন। ক্রেতারা নিয়মিত দলিল, খাজনা ও খারিজ সম্পন্ন করে ওই জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিলেন। উক্ত তফসিল ভুক্ত জমি পূণ: দখলের উদ্দেশ্যে স্থানীয় এক ব্যক্তি নানা ভাবে প্রভাব খাটিয়ে চলতি বছরের ৪ঠা সেপ্টেম্বর  দুপুরে মব তৈরি করে কোনও সরকারি নোটিশ কিংবা আদালতের আদেশ ছাড়াই সেখানে উচ্ছেদের ঘটনা ঘটায়।

 ভুক্তভোগীদের দাবি, উচ্ছেদের সময় আসবাবপত্র, টাকা-পয়সা, সোনা গহনা ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করা হয়। ফলে, ৫ পরিবার গৃহহীন হয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক মিজানুর সরদার রিপন, সাংবাদিকদের বলেন, আমরা উচ্ছেদের আগে নোটিশ পেলে আমাদের ঘরের বিভিন্ন মালামাল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করতে পারতাম। কিন্তু নোটিশ ছাড়াই আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ায় আমরা ঘরের কোন কিছু উদ্ধার করতে পারিনি। 

এজন্য  বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। প্রশাসনের কাছে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ ৫ পরিবারের পুণ: বাসনের দাবি জানাই।

 এবিষয়ে আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, একটি কুচক্রি মহল মব সৃষ্টি করে বিনা নোটিশে ভুক্তভোগীদের বাড়িঘর ভেঙ্গে দিয়েছে। ভুক্তভোগীরা এদেশের নাগরিক হিসেবে ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমি তাদেরকে ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  প্রতিপক্ষ মোছাঃ রওশনারা বেগম জানান, দলিল মূলে ১৯৯১ সালের মধ্যে  ৫২১৯/৫২২০ দাগের জমি ক্রয় করি। কিন্তু আমি সব জমি দখলে না পেয়ে, আদালতে মামলা করি। তারপর,আদালতের  রায়ের মাধ্যমে জমি ফেরৎ পেয়েছি।