রংপুর প্রতিনিধি
০৩ অক্টোবর, ২০২৫, 6:11 PM
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দু। সেই সাথে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হবে এবং ১০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
দুলু বলেন, তিস্তা অববাহিকার প্রায় ২কোটি মানুষের প্রাণের দাবি হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শুধু পানি ব্যবস্থাপনায় নয়, কৃষি, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন জীবিকা নিরাপদ হবে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তার ২ তীরে ১শত ১৫ কিলোমিটার জুড়ে ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে লাখো মানুষের অংশ গ্রহণে আন্দোলন প্রাণ পায়। সমাপনীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান।
অধ্যক্ষ দুলু বলেন, সরকারের আন্তরিক উদ্যোগে ইতিমধ্যে জাগানিয়া রেলসেতু চত্বরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হবে। ১০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা চীনের ঋণ থেকে এবং বাকিটা সরকারি কোষাগার থেকে আসবে।
এসময় প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে তিনি ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন, আগামী ৫ অক্টোবর রংপুর বিভাগের ৫ টি জেলায় পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান। ৯ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ে গণমিছিল ও গণসমাবেশ এবং ১৬ অক্টোবর নদী তীরবর্তী ১০টি উপজেলায় একযোগে মশাল প্রজ্জ্বলন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, "আমরা চাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালেই মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হোক। পরবর্তী সরকার এ প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক। এ জন্য জরুরি প্রয়োজন আগামী একনেক সভায় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর মহানগর বিএনপি ও তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান লাকু প্রমুখ।
রংপুর প্রতিনিধি
০৩ অক্টোবর, ২০২৫, 6:11 PM
তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দু। সেই সাথে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হবে এবং ১০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
দুলু বলেন, তিস্তা অববাহিকার প্রায় ২কোটি মানুষের প্রাণের দাবি হলো তিস্তা মহাপরিকল্পনা। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শুধু পানি ব্যবস্থাপনায় নয়, কৃষি, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন জীবিকা নিরাপদ হবে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তিস্তার ২ তীরে ১শত ১৫ কিলোমিটার জুড়ে ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে লাখো মানুষের অংশ গ্রহণে আন্দোলন প্রাণ পায়। সমাপনীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানান।
অধ্যক্ষ দুলু বলেন, সরকারের আন্তরিক উদ্যোগে ইতিমধ্যে জাগানিয়া রেলসেতু চত্বরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হবে। ১০ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা চীনের ঋণ থেকে এবং বাকিটা সরকারি কোষাগার থেকে আসবে।
এসময় প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে তিনি ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন, আগামী ৫ অক্টোবর রংপুর বিভাগের ৫ টি জেলায় পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান। ৯ অক্টোবর উপজেলা পর্যায়ে গণমিছিল ও গণসমাবেশ এবং ১৬ অক্টোবর নদী তীরবর্তী ১০টি উপজেলায় একযোগে মশাল প্রজ্জ্বলন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, "আমরা চাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালেই মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হোক। পরবর্তী সরকার এ প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখুক। এ জন্য জরুরি প্রয়োজন আগামী একনেক সভায় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করা।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর মহানগর বিএনপি ও তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব আনিসুর রহমান লাকু প্রমুখ।