রাবি প্রতিনিধি
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:06 PM
সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে চলমান কমপ্লিট শাটডাউন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি) অফিসার্স সমিতি। আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় অফিসার্স সমিতির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত রেখেছে।
পোষ্য কোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচারের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অফিসার্স সমিতির কমপ্লিট শাটডাউন চলমান ছিল। এতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছিল।রাকসু নির্বাচন আগামী ১৬ অক্টোবরে পেছানোর পর গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাইড পেইজে ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি তুলে নেওয়া হয়। এরপর গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে অফিসার্স সমিতির দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে আজ দুপুর ১ টা থেকে শাটডাউন তুলে নেয় তারা। তবে, সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনে যাবে হলে হুশিয়ারি দেন তারা।
অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন বলেন, “গতকাল আমাদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় বসেন। সেখানে আমাদের দাবির বিষয়ে তাঁরা কয়েকদিন সময় চেয়েছে। তার প্রেক্ষিতে আজ আমরা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সাথে মিটিংয়ে বসি, সেখানে আমরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রশাসনকে সাত দিনের সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ বেলা ১টা থেকে আমরা শাটডাউন প্রত্যাহার করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এই সাত কর্মদিবসে যদি প্রশাসন আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে না পারে তাহলে পরবর্তীতে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তাহকে এই দায়ভার শুধুই প্রশাসনকে নিতে হবে।”
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখনো আমাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করিনি। অফিসার্স সমিতি কী করল সেটা আমরা দেখব না। আমাদের দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাব।”
রাবি প্রতিনিধি
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:06 PM
সাত দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে চলমান কমপ্লিট শাটডাউন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়(রাবি) অফিসার্স সমিতি। আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় অফিসার্স সমিতির এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত রেখেছে।
পোষ্য কোটা পুনর্বহাল ও শিক্ষক লাঞ্ছনার বিচারের দাবিতে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষকদের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অফিসার্স সমিতির কমপ্লিট শাটডাউন চলমান ছিল। এতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছিল।রাকসু নির্বাচন আগামী ১৬ অক্টোবরে পেছানোর পর গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাইড পেইজে ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বরে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি তুলে নেওয়া হয়। এরপর গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সাথে অফিসার্স সমিতির দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে আজ দুপুর ১ টা থেকে শাটডাউন তুলে নেয় তারা। তবে, সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনে যাবে হলে হুশিয়ারি দেন তারা।
অফিসার্স সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন বলেন, “গতকাল আমাদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় বসেন। সেখানে আমাদের দাবির বিষয়ে তাঁরা কয়েকদিন সময় চেয়েছে। তার প্রেক্ষিতে আজ আমরা কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সাথে মিটিংয়ে বসি, সেখানে আমরা সর্বসম্মতিক্রমে প্রশাসনকে সাত দিনের সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ বেলা ১টা থেকে আমরা শাটডাউন প্রত্যাহার করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “এই সাত কর্মদিবসে যদি প্রশাসন আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে না পারে তাহলে পরবর্তীতে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে তাহকে এই দায়ভার শুধুই প্রশাসনকে নিতে হবে।”
অন্যদিকে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখনো আমাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করিনি। অফিসার্স সমিতি কী করল সেটা আমরা দেখব না। আমাদের দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাব।”