নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:47 PM
অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক এন্ডেভার (ওচঊ)-২০২৫ প্রথম পর্যায়ের যৌথ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তত্ত্বাবধানে জলবায়ু নিরাপত্তা ও জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক সেমিনার ঢাকা কুর্মিটোলাস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এ গতকাল মঙ্গলবার সমাপ্ত হয়। সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি (অরৎ ঠরপব গধৎংযধষ ঔধাবফ ঞধহাববৎ কযধহ) প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মান্যবর অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল (ঐ.ঊ. গং. ঝঁংধহ জুষব), যিনি এই উদ্যোগকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এর এয়ার অধিনায়ক এবং সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে কারিগরি অধিবেশন এবং আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আলোচনার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিরক্ষা ও বেসামরিক বিমান খাতে সাস্টেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এছাড়াও সামরিক কার্যক্রমে জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা সংযোজনের কৌশল ও পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
এই সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার, জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী বিমান চলাচল প্রযুক্তি গ্রহণে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ আয়োজন পরিবেশগত স্থায়িত্বে বাহিনীসমূহের অবিচল নিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ বিমান অভিযানের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণে তাদের সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 5:47 PM
অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্স এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক এন্ডেভার (ওচঊ)-২০২৫ প্রথম পর্যায়ের যৌথ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর তত্ত্বাবধানে জলবায়ু নিরাপত্তা ও জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা বিষয়ক সেমিনার ঢাকা কুর্মিটোলাস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এ গতকাল মঙ্গলবার সমাপ্ত হয়। সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান, ওএসপি, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি (অরৎ ঠরপব গধৎংযধষ ঔধাবফ ঞধহাববৎ কযধহ) প্রধান অতিথি হিসেবে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মান্যবর অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল (ঐ.ঊ. গং. ঝঁংধহ জুষব), যিনি এই উদ্যোগকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার এর এয়ার অধিনায়ক এবং সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
সমাপনী অনুষ্ঠানে কারিগরি অধিবেশন এবং আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আলোচনার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিরক্ষা ও বেসামরিক বিমান খাতে সাস্টেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল ব্যবহারের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এছাড়াও সামরিক কার্যক্রমে জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা সংযোজনের কৌশল ও পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়।
এই সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার, জ্বালানি স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী বিমান চলাচল প্রযুক্তি গ্রহণে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এ আয়োজন পরিবেশগত স্থায়িত্বে বাহিনীসমূহের অবিচল নিষ্ঠা এবং ভবিষ্যৎ বিমান অভিযানের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণে তাদের সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়।