CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৩ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জাহাজভাঙা শিল্পে দখল করতে চায় ভারত

#
news image

জাহাজভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের বাজার দখল করতে চায় ভারত। এর জন্য নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার, যার মধ্যে রয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি রুপি প্রণোদনার বিষয়ও। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

খবরে বলা হয়েছে, বিপুল প্রণোদনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কাছ থেকে জাহাজভাঙা শিল্পের বাজার দখল করতে চায় ভারত। প্রস্তাবটি চলতি মাসের শেষের দিকে ভারতীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে টানা ১০ বছর এ সুবিধা দেওয়া হবে। জাহাজমালিকরা ভারতে জাহাজ ভাঙতে নিলে জাহাজের স্ক্র্যাপ মূল্যের প্রায় ৪০ শতাংশ সমপরিমাণ ক্রেডিট নোট পাবেন, যা দিয়ে তিন বছরের মধ্যে ভারতীয় জাহাজ কিনতে পারবেন। একাধিক ক্রেডিট নোট একসঙ্গে ব্যবহার বা বিক্রিও করা যাবে।

দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক জাহাজভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের দখল ছিল ৪৬ শতাংশ, আর ভারতের ছিল এক-তৃতীয়াংশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজভাঙা ইয়ার্ড ভারতের আলাং-এ অবস্থিত হলেও প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সস্তা শ্রম এ বাজারে ভারতের অংশীদারি কমিয়ে দিয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আবার ব্যবসার চাহিদা বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলের রুট পরিবর্তন ও ভাড়া বৃদ্ধি জাহাজের আয়ুষ্কাল বাড়ালেও শেষমেশ স্ক্র্যাপের চাপ তৈরি করছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, ভারত পূর্ব উপকূলে নতুন জাহাজভাঙা কেন্দ্র স্থাপনেরও চিন্তা করছে, যাতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থান দখল করা যায়। পাশাপাশি মোদী সরকার চলতি মাসে ২৫ হাজার কোটি রুপির সামুদ্রিক উন্নয়ন তহবিল অনুমোদনেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার লক্ষ্য ভারতীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরতা কমানো।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক    

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  5:10 PM

news image

জাহাজভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের বাজার দখল করতে চায় ভারত। এর জন্য নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর সরকার, যার মধ্যে রয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি রুপি প্রণোদনার বিষয়ও। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস।

খবরে বলা হয়েছে, বিপুল প্রণোদনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কাছ থেকে জাহাজভাঙা শিল্পের বাজার দখল করতে চায় ভারত। প্রস্তাবটি চলতি মাসের শেষের দিকে ভারতীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে শুরু করে টানা ১০ বছর এ সুবিধা দেওয়া হবে। জাহাজমালিকরা ভারতে জাহাজ ভাঙতে নিলে জাহাজের স্ক্র্যাপ মূল্যের প্রায় ৪০ শতাংশ সমপরিমাণ ক্রেডিট নোট পাবেন, যা দিয়ে তিন বছরের মধ্যে ভারতীয় জাহাজ কিনতে পারবেন। একাধিক ক্রেডিট নোট একসঙ্গে ব্যবহার বা বিক্রিও করা যাবে।

দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক জাহাজভাঙা শিল্পে বাংলাদেশের দখল ছিল ৪৬ শতাংশ, আর ভারতের ছিল এক-তৃতীয়াংশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজভাঙা ইয়ার্ড ভারতের আলাং-এ অবস্থিত হলেও প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সস্তা শ্রম এ বাজারে ভারতের অংশীদারি কমিয়ে দিয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আবার ব্যবসার চাহিদা বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলের রুট পরিবর্তন ও ভাড়া বৃদ্ধি জাহাজের আয়ুষ্কাল বাড়ালেও শেষমেশ স্ক্র্যাপের চাপ তৈরি করছে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, ভারত পূর্ব উপকূলে নতুন জাহাজভাঙা কেন্দ্র স্থাপনেরও চিন্তা করছে, যাতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থান দখল করা যায়। পাশাপাশি মোদী সরকার চলতি মাসে ২৫ হাজার কোটি রুপির সামুদ্রিক উন্নয়ন তহবিল অনুমোদনেরও প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার লক্ষ্য ভারতীয় জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহিত করা এবং বিদেশি জাহাজের ওপর নির্ভরতা কমানো।