CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১ ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকার দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু ১৬০ রান করে কত রানে জিততে হবে বাংলাদেশের

ইসলামি দলগুলোর জোটবদ্ধ হয়ে এক বাক্সে যাওয়ার ব্যাপারটি কাছাকাছি

#
news image

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো জোটবদ্ধ হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশপ্রেমিক ও মানবতাপ্রেমিকদের জোটবদ্ধ হয়ে একটি বাক্সে যাওয়ার বিষয়টি কাছাকাছি।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামি দলগুলোর ব্যাপারে ৫ আগস্টের পর বলেছিলাম, আমরা ইসলামি দলগুলো একটি বাক্সে যাওয়ার ব্যাপারে একটা ঘোষণা দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছিলাম, এখন আলহামদুলিল্লাহ এটা অনেকটাই কাছাকাছি। এ রকম একটা পরিবেশ আল্লাহর রহমতে তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। এই পরিস্থিতিতে দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিনিধিত্বশীল কিছু রাজনৈতিক সংগঠন একত্রিত হয়ে আলাপ আলোচনা করেছি। আমরা সবদিক চিন্তা করে এবং জুলাইয়ের রক্তের প্রতি দায়বোধ থেকে সুনির্দিষ্ট এই দাবিগুলো নিয়ে রাজনৈতিকভাবে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা একই দাবি নিয়ে যূথবদ্ধ কর্মসূচি পালন করবো। যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলবো।

নির্বাচনের পর সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়ে রেজাউল করীম বলেন, আমরা ৯০ সালেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যৌথ সংস্কার প্রতিজ্ঞা দেখেছি। নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন দল ইশতেহার দেয়। সেগুলোতে সুন্দর সুন্দর বাণী থাকে। কিন্তু তার কোনো আইনি ভিত্তি না থাকায় নির্বাচনের পরে গালভরা সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন আর হয় না। জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রতিশ্রুতিই হয়ে থাকবে যদি আইনিভিত্তি নিশ্চিত না করা যায়।

তিনি বলেন, যে কোনো গণঅভ্যুত্থানের সার্বভৌম এখতিয়ার থাকে। সেই ক্ষমতা ও এখতিয়ার বলে জুলাই সনদকে এই আমলেই বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এই ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। কারণ, অতীতের অভিজ্ঞতায় নির্বাচনের পরে কেউ এসে এটা বাস্তবায়ন করবে সেই আশা করা যায় না। অতএব, দ্রুত সাংবিধানিক আদেশ বা গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনসম্মত করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  6:06 PM

news image

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো জোটবদ্ধ হওয়ার কাছাকাছি রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশপ্রেমিক ও মানবতাপ্রেমিকদের জোটবদ্ধ হয়ে একটি বাক্সে যাওয়ার বিষয়টি কাছাকাছি।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামি দলগুলোর ব্যাপারে ৫ আগস্টের পর বলেছিলাম, আমরা ইসলামি দলগুলো একটি বাক্সে যাওয়ার ব্যাপারে একটা ঘোষণা দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছিলাম, এখন আলহামদুলিল্লাহ এটা অনেকটাই কাছাকাছি। এ রকম একটা পরিবেশ আল্লাহর রহমতে তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলন কোনো দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। এই পরিস্থিতিতে দেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিনিধিত্বশীল কিছু রাজনৈতিক সংগঠন একত্রিত হয়ে আলাপ আলোচনা করেছি। আমরা সবদিক চিন্তা করে এবং জুলাইয়ের রক্তের প্রতি দায়বোধ থেকে সুনির্দিষ্ট এই দাবিগুলো নিয়ে রাজনৈতিকভাবে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা একই দাবি নিয়ে যূথবদ্ধ কর্মসূচি পালন করবো। যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলবো।

নির্বাচনের পর সংস্কার বাস্তবায়নের বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়ে রেজাউল করীম বলেন, আমরা ৯০ সালেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যৌথ সংস্কার প্রতিজ্ঞা দেখেছি। নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন দল ইশতেহার দেয়। সেগুলোতে সুন্দর সুন্দর বাণী থাকে। কিন্তু তার কোনো আইনি ভিত্তি না থাকায় নির্বাচনের পরে গালভরা সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন আর হয় না। জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রতিশ্রুতিই হয়ে থাকবে যদি আইনিভিত্তি নিশ্চিত না করা যায়।

তিনি বলেন, যে কোনো গণঅভ্যুত্থানের সার্বভৌম এখতিয়ার থাকে। সেই ক্ষমতা ও এখতিয়ার বলে জুলাই সনদকে এই আমলেই বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এই ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। কারণ, অতীতের অভিজ্ঞতায় নির্বাচনের পরে কেউ এসে এটা বাস্তবায়ন করবে সেই আশা করা যায় না। অতএব, দ্রুত সাংবিধানিক আদেশ বা গণভোটের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদকে আইনসম্মত করতে হবে।