CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

সাজাপ্রাপ্ত ও চাকরিচ্যুত কর্মচারী রাজনৈতিক  প্রভাবে সরকারি বাসা দখলে রাখছেন

#
news image

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক নির্বাহী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের অপসারণকৃত সাবেক উচ্চমান সহকারী মুহা. মনোয়ার হোছাইন ওরফে কাউছারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি বাসা দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অবৈধ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন রাজধানীর আজিমপুরস্থ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম।
জানা গেছে, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের উচ্চমান সহকারী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন গত ১৯৯৪ সালের ১৯ মে ‘ক্র’ পদে যোগদান করেন। তার জন্মতারিখ ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর মতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী ১৮ বছর পূর্ন হওয়ার আগেই চাকরিতে যোগদান করেন। কিন্তু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত ছিল আবেদনকারীর বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর হতে হবে। কিন্তু তিনি উক্ত শর্ত ভঙ্গ করে ‘ক্র’ পদে চাকরির আবেদন করেন। আরও শর্ত ছিল যে, আবেদনে কোন মিথ্যা তর্থ সরবরাহ করলে অথবা পরে তা প্রমাণিত হলে চাকরির আবেদন সরাসরি বাতিল বা চাকরিচ্যুত হবেন। এজন্য সরকারি শর্ত ভঙ্গ করায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হয়। 
অপরদিকে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-১৯৯২ মোতাবেক ‘ক্র’ পদ (৪র্থ শ্রেণী) হতে এল.ডি. কাম টাইপিস্ট ও উচ্চমান সহকারী পদে পদোন্নতির কোন বিধান নেই। উক্ত পদে সরাসরি নিয়োগযোগ্য, কিন্তু তিনি মিথ্যা তথ্য উস্থাপন করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে পদোন্নতি গ্রহণ করেন। তবে ‘ক্র’ পদ হতে ‘ইনসেক্ট কালেক্টর’ ও সুপারভাইজার’ পদে পদোন্নতির বিধান রয়েছে। ফলে তার এই পদোন্নতির আদেশটি বাতিল যোগ্য হয়। 
সূত্র জানায়, মশক নিবারণী অধিদপ্তরের ‘ক্র’ মুহা. মনোয়ার হোছাইন এর জাল সার্টিফিকেট দিয়ে পদোন্নতি গ্রহণ করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ উত্থাপিত হলে গত ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪৬.০৭০.০৬০.--- ২০১১-১৯৭২ নং স্বারকের আলোকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রগুলি যাচাই করা হয়।এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানান যে, তার এল.এল.বি সনদপত্রটি জাল এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উক্ত জানানো হয়। 
এদিকে মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন গত ২০১০ সালে কর্মচারী নিয়োগকালে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোঠায় নির্বাচিত প্রার্থীর নিয়োগপত্র গোপন করে তাদের নাম ঠিকানা ঠিক রেখে শুধু ছবি পরিবর্তন করে তার পূর্ব পরিচিত ব্যক্তিদের বা তার আত্মীয় স্বজনের চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করেন। অপরদিকে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি গ্রহণকৃত কর্মচারীগণ কারণ দর্শানোর জবাবে জানান যে, মুহা. মনোয়ার হোছাইন তাদের কাছ  থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মশক নিবারনীর ‘ক্র’ মনোয়ার হোছাইনের বিরুদ্ধে তার অফিস প্রধানের স্বাক্ষর জাল বা সৃজন করে নিজেই নিজের চাকরি স্থায়ীকরণ জালিয়াতির মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। মনোয়ার হোছাইন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের ভি, আর প্রতিবেদন ছাড়াই প্রাক্তন অফিস প্রধান এর স্বাক্ষর জাল/সৃজন করে নিজেই নিজের চাকরি স্থায়ী করেন। এই বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ২০১৩ সালের ১৮ জুন ৪৬.০৭০.----২০১১-৬০৫ নম্বর স্বারকে তার বিরুদ্ধে রাজধানীর চকবাজার থানায়  ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারী (মামলা নম্বর -০৪) দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা কর্তৃক তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, বিজ্ঞ বিশেষ জজ আদালত-৭ ঢাকা, বিশেষ মামলা নং ০১/২০২০ এর গত ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন এর বিরুদ্ধে এক আদেশ প্রদান করেন। উক্ত আদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ‘১৯৪৭’ এর ৫(২) ধারার অপরাধে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২০ হাজার টকাা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ের ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং পেনাল কোর্ট ১৮৬০ এর ৪৬৭ ধারার অপরাধে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত জরিমানা অনাদায়ের আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। এরপর উক্ত আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। কিন্তু তিনি আদালতে আত্মসমপর্ন বা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি। 
তাছাড়া, তার এই জাল জালিয়াতির বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিট কর্পোরেশন-১ শাখা) গত ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ স্বারক নং ৪৬.---২০১-২০২ এর মাধ্য  এক প্রজ্ঞাপন জারি করেন। উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মনোয়ার হোছাইন উচ্চমান সহকারী, ঢাকা মশক নির্বারনী দপ্তরে কর্মরত থাকা অবস্থায় মো. খালেদ হোসেন ভুইয়া, মো. আইনুল সর্দার, আল আমীন শাহ, মো, রুহুল আমিন, মো. মামুনসহ ৫ জনকে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগে সহযোগিতা করেন। 
উল্লেখ্য আলোচিত উক্ত মামলাটি দুদকের পক্ষে এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জুয়েল এবং আসামি পক্ষে এ্যাডভোকেট কাজা গোলামুর রহমান পরিচালনা করেন। মামলার আপিলেও আসামির বিরুদ্ধে উল্লেখিত রায় বহাল থাকে। আদালতের চুড়ান্ত রায় এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে মশক নিবারণীর চাকুরীচ্যুত ‘ক্র’ মোহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন এখনো আজিমপুরস্থ  ২৭ নম্বর সরকারি কলোনীর বাসা দখলে রাখছেন। আর তার এই কাজে বদিউল আলম ওরফে সুইট নামের একজন ঠিকাদার সহযোগিতা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তিনি অন্য ব্যক্তির ঠিকাদারি লাইসেন্স ব্যবহার করে গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগে বাংলাদেশ সচিবালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ৈর জননিরাপত্তা বিভাগে মো. সোহেল নামের এক ব্যক্তি গত ১২ আগস্ট লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উক্ত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদার সমিতির গঠনতন্ত্র বিধি লঙ্ঘন করে সমিতির মর্যাদা ও সুনাম ক্ষন্ন করে রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে অবাধে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবাধে যাতায়াত করছেন। এ বিষয়ে তার সেল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেননি। পরে সংশ্লিষ্ট একজন ঠিকাদার নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সকালের সময়কে বলেন, বদিউল আলম সুইট গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্যাতিত ছিল। তার লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি অনেকেই এখন বলছেন। গত সরকারের সময় ত সে লাইসেন্স নবায়ন করতে পারেননি। তবে এখন সম্ভবত নবায়ন করেছেন। এদিকে আলোচিত অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার কার্যালয়ে একাধিক বার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে তার সেল ফোনে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আব্দুল লতিফ রানা 

২০ আগস্ট, ২০২৫,  6:48 PM

news image

গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক নির্বাহী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের অপসারণকৃত সাবেক উচ্চমান সহকারী মুহা. মনোয়ার হোছাইন ওরফে কাউছারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি বাসা দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অবৈধ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন রাজধানীর আজিমপুরস্থ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম।
জানা গেছে, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের উচ্চমান সহকারী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনকারী মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন গত ১৯৯৪ সালের ১৯ মে ‘ক্র’ পদে যোগদান করেন। তার জন্মতারিখ ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর মতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী ১৮ বছর পূর্ন হওয়ার আগেই চাকরিতে যোগদান করেন। কিন্তু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত ছিল আবেদনকারীর বয়স ১৮ হতে ৩০ বছর হতে হবে। কিন্তু তিনি উক্ত শর্ত ভঙ্গ করে ‘ক্র’ পদে চাকরির আবেদন করেন। আরও শর্ত ছিল যে, আবেদনে কোন মিথ্যা তর্থ সরবরাহ করলে অথবা পরে তা প্রমাণিত হলে চাকরির আবেদন সরাসরি বাতিল বা চাকরিচ্যুত হবেন। এজন্য সরকারি শর্ত ভঙ্গ করায় তার নিয়োগ অবৈধ হিসেবে প্রমাণিত হয়। 
অপরদিকে ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-১৯৯২ মোতাবেক ‘ক্র’ পদ (৪র্থ শ্রেণী) হতে এল.ডি. কাম টাইপিস্ট ও উচ্চমান সহকারী পদে পদোন্নতির কোন বিধান নেই। উক্ত পদে সরাসরি নিয়োগযোগ্য, কিন্তু তিনি মিথ্যা তথ্য উস্থাপন করে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে পদোন্নতি গ্রহণ করেন। তবে ‘ক্র’ পদ হতে ‘ইনসেক্ট কালেক্টর’ ও সুপারভাইজার’ পদে পদোন্নতির বিধান রয়েছে। ফলে তার এই পদোন্নতির আদেশটি বাতিল যোগ্য হয়। 
সূত্র জানায়, মশক নিবারণী অধিদপ্তরের ‘ক্র’ মুহা. মনোয়ার হোছাইন এর জাল সার্টিফিকেট দিয়ে পদোন্নতি গ্রহণ করার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ উত্থাপিত হলে গত ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার বিভাগের ৪৬.০৭০.০৬০.--- ২০১১-১৯৭২ নং স্বারকের আলোকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রগুলি যাচাই করা হয়।এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানান যে, তার এল.এল.বি সনদপত্রটি জাল এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক উক্ত জানানো হয়। 
এদিকে মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন গত ২০১০ সালে কর্মচারী নিয়োগকালে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোঠায় নির্বাচিত প্রার্থীর নিয়োগপত্র গোপন করে তাদের নাম ঠিকানা ঠিক রেখে শুধু ছবি পরিবর্তন করে তার পূর্ব পরিচিত ব্যক্তিদের বা তার আত্মীয় স্বজনের চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করেন। অপরদিকে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি গ্রহণকৃত কর্মচারীগণ কারণ দর্শানোর জবাবে জানান যে, মুহা. মনোয়ার হোছাইন তাদের কাছ  থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়ে চাকরিতে যোগদানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মশক নিবারনীর ‘ক্র’ মনোয়ার হোছাইনের বিরুদ্ধে তার অফিস প্রধানের স্বাক্ষর জাল বা সৃজন করে নিজেই নিজের চাকরি স্থায়ীকরণ জালিয়াতির মামলায় ১২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। মনোয়ার হোছাইন সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের ভি, আর প্রতিবেদন ছাড়াই প্রাক্তন অফিস প্রধান এর স্বাক্ষর জাল/সৃজন করে নিজেই নিজের চাকরি স্থায়ী করেন। এই বিষয়টি তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার বিভাগ গত ২০১৩ সালের ১৮ জুন ৪৬.০৭০.----২০১১-৬০৫ নম্বর স্বারকে তার বিরুদ্ধে রাজধানীর চকবাজার থানায়  ২০১৩ সালের ২ জানুয়ারী (মামলা নম্বর -০৪) দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা কর্তৃক তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, বিজ্ঞ বিশেষ জজ আদালত-৭ ঢাকা, বিশেষ মামলা নং ০১/২০২০ এর গত ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মুহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন এর বিরুদ্ধে এক আদেশ প্রদান করেন। উক্ত আদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ‘১৯৪৭’ এর ৫(২) ধারার অপরাধে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২০ হাজার টকাা জরিমানা এবং জরিমানা অনাদায়ের ৩ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং পেনাল কোর্ট ১৮৬০ এর ৪৬৭ ধারার অপরাধে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত জরিমানা অনাদায়ের আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। এরপর উক্ত আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। কিন্তু তিনি আদালতে আত্মসমপর্ন বা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি। 
তাছাড়া, তার এই জাল জালিয়াতির বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ (সিট কর্পোরেশন-১ শাখা) গত ২০১৫ সালের ১৫ মার্চ স্বারক নং ৪৬.---২০১-২০২ এর মাধ্য  এক প্রজ্ঞাপন জারি করেন। উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মনোয়ার হোছাইন উচ্চমান সহকারী, ঢাকা মশক নির্বারনী দপ্তরে কর্মরত থাকা অবস্থায় মো. খালেদ হোসেন ভুইয়া, মো. আইনুল সর্দার, আল আমীন শাহ, মো, রুহুল আমিন, মো. মামুনসহ ৫ জনকে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগে সহযোগিতা করেন। 
উল্লেখ্য আলোচিত উক্ত মামলাটি দুদকের পক্ষে এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জুয়েল এবং আসামি পক্ষে এ্যাডভোকেট কাজা গোলামুর রহমান পরিচালনা করেন। মামলার আপিলেও আসামির বিরুদ্ধে উল্লেখিত রায় বহাল থাকে। আদালতের চুড়ান্ত রায় এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে মশক নিবারণীর চাকুরীচ্যুত ‘ক্র’ মোহাম্মদ মনোয়ার হোছাইন এখনো আজিমপুরস্থ  ২৭ নম্বর সরকারি কলোনীর বাসা দখলে রাখছেন। আর তার এই কাজে বদিউল আলম ওরফে সুইট নামের একজন ঠিকাদার সহযোগিতা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তিনি অন্য ব্যক্তির ঠিকাদারি লাইসেন্স ব্যবহার করে গণপূর্ত ঠিকাদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগে বাংলাদেশ সচিবালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ৈর জননিরাপত্তা বিভাগে মো. সোহেল নামের এক ব্যক্তি গত ১২ আগস্ট লিখিত অভিযোগ করেছেন।
উক্ত অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ঠিকাদার সমিতির গঠনতন্ত্র বিধি লঙ্ঘন করে সমিতির মর্যাদা ও সুনাম ক্ষন্ন করে রাজনৈতিক পরিচয় গোপন করে অবাধে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবাধে যাতায়াত করছেন। এ বিষয়ে তার সেল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি তার ফোনটি রিসিভ করেননি। পরে সংশ্লিষ্ট একজন ঠিকাদার নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সকালের সময়কে বলেন, বদিউল আলম সুইট গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নির্যাতিত ছিল। তার লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি অনেকেই এখন বলছেন। গত সরকারের সময় ত সে লাইসেন্স নবায়ন করতে পারেননি। তবে এখন সম্ভবত নবায়ন করেছেন। এদিকে আলোচিত অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল হালিম এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার কার্যালয়ে একাধিক বার চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। পরে তার সেল ফোনে ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।