CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে গণতন্ত্র ফিরবে না : আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

#
news image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় পার্টি অবশ্যই নির্বাচন  চায় ,কিন্তু  কোনো যেন তেন নির্বাচন চায় না। নির্বাচনের আগে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে হবে।কিন্তু বর্তমানে দেশের যে আইন—শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাতে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।  আর নির্বাচন স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য না হলে কোনভাবেই গণতন্ত্র ফিরে আসবেনা। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে  যেমন রাজনৈতিক ঐক্যমত জরুরী তেমনি জরুরি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নতি হওয়া। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি দরকার। এখনো দেশে মব সন্ত্রাস চলছে। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। সাংবাদিকরা হত্যাকাণ্ডের থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এই অবস্থায় দেশে কোনভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় পার্টি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। 
এ সময় ব্যারিস্টার আনিস আরো বলেন গেল বছরের ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর দেশের রাজনীতিতেও পরিবর্তন এসেছে । এই প্রেক্ষাপটে আমরা জাতীয় পার্টিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে  প্রায় দেড় হাজার মানুষ জীবন দিয়েছে। তাদের জীবন আমরা বৃথা যেতে দেব না। আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। যেখানে কোন বৈষম্য থাকবে না। দেশের সকল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। প্রতিষ্ঠিত করব গণতন্ত্র। তবে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার আগে নিজের দলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে  নতুন  নেতৃত্ব এসেছে।  এখন থেকে  জাতীয় পার্টি গণতান্ত্রিক উপায়ে যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে  পরিচালিত হবে। আমরা  গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিতর্কিত ধারা বাদ দেয়া দিয়েছি । ইতোমধ্যে  আমাদের কমিটির পাশাপাশি আমরা নির্বাচন কমিশনের সেই গঠনতন্ত্র জমা দিয়েছি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম  মাহমুদ আরো বলেন, সরকার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে,  আমরাও সংস্কারের পক্ষে। কারণ পল্লীবন্ধু এরশাদই এদেশের শ্রেষ্ঠ সংস্কারক। কিন্তু সংস্কার করতে হলে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা  দরকার। তাছাড়া নির্বাচিত পার্লামেন্ট ছাড়া সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন অসম্ভব । ব্যারিস্টার আনিস বলেন,আমরাও বিচারপতি খায়রুল হকের  বিচার চাই। কারণ তিনি ওপেন কোর্টে দুই মেয়াদ  তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তার রায় নিজে পরিবর্তন করেছেন। সেজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার নামে হত্যা মামলা দেয়া হবে। তিনি বলেন অবশ্যই সরকারকে   বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনভাবে যেন একতরফা বিচার না হয়। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে যাতে তার ভোটাধিকার  প্রয়োগ করতে পারে সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন —জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান  এডভোকেট মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, কো— চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা,  শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে— সাহিদুর রহমান টেপা,শফিকুল ইসলাম সেন্টু, নাজমা আকতার, লিয়াকত হোসেন খোকা,জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাসরুর মওলা, জসিম উদ্দিন ভুইয়া, সরদার শাহ জাহান, হারুন আর রশিদ, নজরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মিলন, ইয়াহিয়া চৌধুরী  মো: ইয়াকুব হোসেন,  শেখ আলমগীর হোসেন,  নীগার সুলতানা রানী, মোঃ বেলাল হোসেন, ফখরুল আহসান শাহজাদা, নাসির উদ্দিন সরকার, গোলাম মোস্তফা,  হাফেজ মাহমুদুর রহমান,সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী,শারমিন পারভীন লিজা, মিজানুর রহমান দুলাল, তাসলিমা আকবর রুনা,শারমিন আকতার আবুল কালাম আজাদ, এস এম হাসেম সহ  সর্বস্থরের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কালো মেঘ সৃষ্টি হয়েছে। সকল দলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এই কালো মেঘ কেটে যেতে পারে। 
যখনই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখনই   দেশে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন দেশে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। জাতীয় নেতা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আমাদের সম্মেলনে এসেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে আর এই দেশ গড়ার  পেছনে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি আমাদের সম্মেলনে এসে তার মতামত পেশ করেছেন। তার ওই মতামত কারো ভালো লাগতে পারে কারো খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক গত দুদিন আগে তার বাসায় বোমা হামলা হয়েছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। 

হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা প্রতিহিংসা রাজনীতি করিনা। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একসময়  আমাদেরকে  স্বৈরাচার বলতো। কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারেনি আমরা স্বৈরাচার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ আগস্ট, ২০২৫,  3:35 PM

news image

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় পার্টি অবশ্যই নির্বাচন  চায় ,কিন্তু  কোনো যেন তেন নির্বাচন চায় না। নির্বাচনের আগে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে হবে।কিন্তু বর্তমানে দেশের যে আইন—শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাতে কোনোভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।  আর নির্বাচন স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য না হলে কোনভাবেই গণতন্ত্র ফিরে আসবেনা। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে  যেমন রাজনৈতিক ঐক্যমত জরুরী তেমনি জরুরি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি উন্নতি হওয়া। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি দরকার। এখনো দেশে মব সন্ত্রাস চলছে। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে। সাংবাদিকরা হত্যাকাণ্ডের থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এই অবস্থায় দেশে কোনভাবেই অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয়। শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশানে জাতীয় পার্টি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। 
এ সময় ব্যারিস্টার আনিস আরো বলেন গেল বছরের ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর দেশের রাজনীতিতেও পরিবর্তন এসেছে । এই প্রেক্ষাপটে আমরা জাতীয় পার্টিকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে  প্রায় দেড় হাজার মানুষ জীবন দিয়েছে। তাদের জীবন আমরা বৃথা যেতে দেব না। আমরা একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। যেখানে কোন বৈষম্য থাকবে না। দেশের সকল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। প্রতিষ্ঠিত করব গণতন্ত্র। তবে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার আগে নিজের দলেও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। জাতীয় পার্টির দশম জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে  নতুন  নেতৃত্ব এসেছে।  এখন থেকে  জাতীয় পার্টি গণতান্ত্রিক উপায়ে যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে  পরিচালিত হবে। আমরা  গঠনতন্ত্র সংশোধন করে বিতর্কিত ধারা বাদ দেয়া দিয়েছি । ইতোমধ্যে  আমাদের কমিটির পাশাপাশি আমরা নির্বাচন কমিশনের সেই গঠনতন্ত্র জমা দিয়েছি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম  মাহমুদ আরো বলেন, সরকার সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে,  আমরাও সংস্কারের পক্ষে। কারণ পল্লীবন্ধু এরশাদই এদেশের শ্রেষ্ঠ সংস্কারক। কিন্তু সংস্কার করতে হলে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা  দরকার। তাছাড়া নির্বাচিত পার্লামেন্ট ছাড়া সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন অসম্ভব । ব্যারিস্টার আনিস বলেন,আমরাও বিচারপতি খায়রুল হকের  বিচার চাই। কারণ তিনি ওপেন কোর্টে দুই মেয়াদ  তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তার রায় নিজে পরিবর্তন করেছেন। সেজন্য অবশ্যই তার বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার নামে হত্যা মামলা দেয়া হবে। তিনি বলেন অবশ্যই সরকারকে   বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনভাবে যেন একতরফা বিচার না হয়। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে যাতে তার ভোটাধিকার  প্রয়োগ করতে পারে সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন —জাতীয় পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান  এডভোকেট মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, কো— চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা,  শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে— সাহিদুর রহমান টেপা,শফিকুল ইসলাম সেন্টু, নাজমা আকতার, লিয়াকত হোসেন খোকা,জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাসরুর মওলা, জসিম উদ্দিন ভুইয়া, সরদার শাহ জাহান, হারুন আর রশিদ, নজরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মিলন, ইয়াহিয়া চৌধুরী  মো: ইয়াকুব হোসেন,  শেখ আলমগীর হোসেন,  নীগার সুলতানা রানী, মোঃ বেলাল হোসেন, ফখরুল আহসান শাহজাদা, নাসির উদ্দিন সরকার, গোলাম মোস্তফা,  হাফেজ মাহমুদুর রহমান,সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী,শারমিন পারভীন লিজা, মিজানুর রহমান দুলাল, তাসলিমা আকবর রুনা,শারমিন আকতার আবুল কালাম আজাদ, এস এম হাসেম সহ  সর্বস্থরের নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কালো মেঘ সৃষ্টি হয়েছে। সকল দলের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এই কালো মেঘ কেটে যেতে পারে। 
যখনই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখনই   দেশে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। তিনি বলেন দেশে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। জাতীয় নেতা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আমাদের সম্মেলনে এসেছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে আর এই দেশ গড়ার  পেছনে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি আমাদের সম্মেলনে এসে তার মতামত পেশ করেছেন। তার ওই মতামত কারো ভালো লাগতে পারে কারো খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক গত দুদিন আগে তার বাসায় বোমা হামলা হয়েছে। আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। 

হাওলাদার বলেন, জাতীয় পার্টি সব সময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা প্রতিহিংসা রাজনীতি করিনা। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা একসময়  আমাদেরকে  স্বৈরাচার বলতো। কিন্তু তারা প্রমাণ করতে পারেনি আমরা স্বৈরাচার।