CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

‘শুল্ক কমায় কৌশলে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে’

#
news image

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম বলেছেন, শুল্ক কমায় একটি নতুন সুযোগও তৈরি হয়েছে কৌশলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।

তৃতীয় দফার আলোচনা শেষে ১৫ শতাংশ কমিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় জাগো নিউজকে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফল আলোচনার পর বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ চূড়ান্ত শুল্ক রপ্তানিকারকদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। যেহেতু অন্য দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ছে বাংলাদেশ এখন রপ্তানি বাজারকে আরও বৈচিত্র্য করার সুযোগ পাচ্ছে। এই শুল্ক নতুন প্রযুক্তি, উন্নত মান ও টেকসই পোশাকের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষতা, ডিজাইন ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করলে পোশাকখাত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। সঠিক পরিকল্পনায় এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও আধুনিক, উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের করে তুলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ আগস্ট, ২০২৫,  5:16 PM

news image

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম বলেছেন, শুল্ক কমায় একটি নতুন সুযোগও তৈরি হয়েছে কৌশলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য।

তৃতীয় দফার আলোচনা শেষে ১৫ শতাংশ কমিয়ে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় জাগো নিউজকে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফল আলোচনার পর বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর ২০ শতাংশ চূড়ান্ত শুল্ক রপ্তানিকারকদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। যেহেতু অন্য দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ছে বাংলাদেশ এখন রপ্তানি বাজারকে আরও বৈচিত্র্য করার সুযোগ পাচ্ছে। এই শুল্ক নতুন প্রযুক্তি, উন্নত মান ও টেকসই পোশাকের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষতা, ডিজাইন ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করলে পোশাকখাত প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে। সঠিক পরিকল্পনায় এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও আধুনিক, উদ্ভাবনী ও বিশ্বমানের করে তুলতে পারে।