CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

আট বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগ 

#
news image

ঝালকাঠির রাজাপুরে উত্তমপুর এলাকার আদর্শগ্রাম নূরানী ও হাফেজী মাদ্রাসার ২য় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ শফিকুল ইসলাম (শাহাদাত)।

শিশুটির দাদি জানায়, "সোমবার (২৮ জুলাই) বিকালে ৪শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় অভিযুক্ত কৌশলে প্রথমে দুই শিক্ষার্থীকে ছুটি ও অপর এক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার অন্য একটি কক্ষ ঝাড়ু দিতে পাঠায়। পরে ভুক্তভোগীকে ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে বিবস্ত্র করে যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে। শিশুটি অচেতন হলে শাহাদাত বাহির থেকে রুমের দরজা বন্ধ করে চলে যায়। শিশুটির জ্ঞান ফিরলে ডাক চিৎকার শুনে ঝাড়ু দিতে পাঠানো শিক্ষার্থী রিফাত ছুটে দরজা খুলে এ নির্যাতিত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।" 

স্থানীয়রা জানা যায়, "এলাকাবাসী এ ঘটনা জানতে পেরে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ৮/১০ জনের একটি দল মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় আরও শতাধিক লোকের উপস্থিত ছিলো।

ভুক্তভোগীর দাদি জানায়, "শিক্ষক শাহাদাত তার নাতনিকে রুমে আটকিয়ে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বিবস্ত্র করে যৌন নিপীড়ন চালায়। অচেতন অবস্থায় রিফাত উদ্ধার করে।"

শিশুটির বাবা মোঃ সবজি বলেন, "আমি রাজাপুর থানায় অভিযোগ করেছি। "আমার মেয়ের সাথে যে অন্যায় হয়েছে তার বিচার চাই।" 

অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রী দাবি করেন, এ ঘটনা মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। মাহফিল ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে স্থানীয়দের সাথে বিরোধ থাকার জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।"

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

৩০ জুলাই, ২০২৫,  5:40 PM

news image

ঝালকাঠির রাজাপুরে উত্তমপুর এলাকার আদর্শগ্রাম নূরানী ও হাফেজী মাদ্রাসার ২য় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে, মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য ওই মাদ্রাসার শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ শফিকুল ইসলাম (শাহাদাত)।

শিশুটির দাদি জানায়, "সোমবার (২৮ জুলাই) বিকালে ৪শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়ানোর সময় অভিযুক্ত কৌশলে প্রথমে দুই শিক্ষার্থীকে ছুটি ও অপর এক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার অন্য একটি কক্ষ ঝাড়ু দিতে পাঠায়। পরে ভুক্তভোগীকে ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে বিবস্ত্র করে যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে। শিশুটি অচেতন হলে শাহাদাত বাহির থেকে রুমের দরজা বন্ধ করে চলে যায়। শিশুটির জ্ঞান ফিরলে ডাক চিৎকার শুনে ঝাড়ু দিতে পাঠানো শিক্ষার্থী রিফাত ছুটে দরজা খুলে এ নির্যাতিত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে।" 

স্থানীয়রা জানা যায়, "এলাকাবাসী এ ঘটনা জানতে পেরে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ৮/১০ জনের একটি দল মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় আরও শতাধিক লোকের উপস্থিত ছিলো।

ভুক্তভোগীর দাদি জানায়, "শিক্ষক শাহাদাত তার নাতনিকে রুমে আটকিয়ে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বিবস্ত্র করে যৌন নিপীড়ন চালায়। অচেতন অবস্থায় রিফাত উদ্ধার করে।"

শিশুটির বাবা মোঃ সবজি বলেন, "আমি রাজাপুর থানায় অভিযোগ করেছি। "আমার মেয়ের সাথে যে অন্যায় হয়েছে তার বিচার চাই।" 

অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার স্ত্রী দাবি করেন, এ ঘটনা মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ষড়যন্ত্র করে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। মাহফিল ও প্রতিষ্ঠান নিয়ে স্থানীয়দের সাথে বিরোধ থাকার জেরে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।"