CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

নাগরপুরে সাংবাদিক মাসউদুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা

#
news image

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দৈনিক জনতার জমিন ও বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃ মাসউদুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামের প্রতিবেশী, ধর্ষণ মামলার আসামি মিজানুর শিকদার ও উক্ত মামলার সাক্ষী হন আরেক ধর্ষক হুমায়ুন কবির, মোতালেব। স্থানীয় মানুষ মামলা মোতায় নামে চিনে।
 স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ২৩-৭-২০২৪ ইং তারিখে মোঃ আব্দুর রহমান শিকদার চাষাভাদ্রা(মোড়ের)বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মিজানুর সিকদার, কোহিনূর শিকদার গং হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা করে। যার প্রেক্ষিতে আব্দুর রহমান সিকদার টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাগরপুর আমলী আদালতে মামলা করেন, সি আর মামলা নং-৪৮৭/২৪।প্রায় ৬ মাস পরে কাউন্টার মামলা করে মিজানুর শিকদার, টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাগরপুর আমলী আদালতে সিআর মামলা নং-২১৯/২৫।

সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, বাদীর বড় ভাই মোঃ শওকত শিকদার প্রতিবেদককে জানান, ঘটনাস্থলে না থাকা সত্ত্বেও পূর্বে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে মামলায় আসামি করেন, সাংবাদিক মাসউদুর রহমান কে। আমার ছোট ভাই মিজানুর ও কহিনুর মামলাবাজ আপন ভাই হওয়া সত্বেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাইছে। তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সপরিবার বাপ দাদার ভিটা মাটি ছাড়া। তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন তা না হলে একের পর এক অপরাধ করেই যাবে।

ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল উদ্দিন সরদার বলেন, আব্দুর রহমান ও মিজানুরদের মধ্যে মারামারি হয়েছে আমি শুনেছি, উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আপোস মীমাংসার কথা ছিল। এক পক্ষ না মানার কারণে মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি। আমি মিজানুর ও কহিনুদের কাছ থেকে শুনেছি এই মারামারিতে সাংবাদিক উপস্থিত ছিল না, যদি সাংবাদিককে আসামি করে থাকে তা দুঃখজনক, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেশী বলেন, মিজানুর, কহিনুর ও মোতালেব এরা মূলত মামলাবাজ। ইতিপূর্বে মিজানুর, হুমায়ুন কবির মোতালেব ধর্ষণ করেছিল, সেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে সাংবাদিক কে মামলায় আসামি করে, মারামারি হয় ভদ্রা ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামে সাংবাদিকের বাড়ি দপ্তিয়র ইউনিয়নের সারোটি গাজী গ্রামে। মারামারিতে সাংবাদিক ছিল না, এটা সত্য। তারপরও আসামি করেছে। 
নাগরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. এরশাদ মিয়া বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ঘটনাস্থলে আমাদের সাংবাদিক উপস্থিত ছিল কিনা? কোহিনুর ও মিজানুর বলছে ছিলনা। ঘটনাস্থলে না থাকার পরেও যদি সাংবাদিক কে আসামী দিয়ে থাকে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে মামলা থেকে সাংবাদিক মো. মাসউদুর রহমানকে অব্যাহতি দিতে হবে।  

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসউদুর রহমান বলেন, বাদী মিজানুর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক ও ঘটনাস্থলে না থাকা সত্ত্বেও আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মামলায় আসামি করে। বাদী চিহ্নিত ধর্ষক! প্রতিবেশী এক সহজ সরল মেয়েকে ধর্ষণ করে হাজত খাটে, জেল থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। সাক্ষী হুমায়ুন কবির (মোতালেব) সেও একজন ধর্ষক। বাক প্রতিবন্ধী এক মেয়েকে ধর্ষণ করে দেড় লক্ষ টাকায় রফা দফা করে, সেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে আমাকে মামলায় আসামি করে, আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

বাদী মিজানুর রহমান শিকদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ জুলাই, ২০২৫,  1:35 PM

news image

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দৈনিক জনতার জমিন ও বাংলাদেশ সময়ের স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃ মাসউদুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা করার অভিযোগ উঠেছে। নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামের প্রতিবেশী, ধর্ষণ মামলার আসামি মিজানুর শিকদার ও উক্ত মামলার সাক্ষী হন আরেক ধর্ষক হুমায়ুন কবির, মোতালেব। স্থানীয় মানুষ মামলা মোতায় নামে চিনে।
 স্থানীয় সূত্রে জানা যায় গত ২৩-৭-২০২৪ ইং তারিখে মোঃ আব্দুর রহমান শিকদার চাষাভাদ্রা(মোড়ের)বাজার থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মিজানুর সিকদার, কোহিনূর শিকদার গং হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা করে। যার প্রেক্ষিতে আব্দুর রহমান সিকদার টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাগরপুর আমলী আদালতে মামলা করেন, সি আর মামলা নং-৪৮৭/২৪।প্রায় ৬ মাস পরে কাউন্টার মামলা করে মিজানুর শিকদার, টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাগরপুর আমলী আদালতে সিআর মামলা নং-২১৯/২৫।

সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, বাদীর বড় ভাই মোঃ শওকত শিকদার প্রতিবেদককে জানান, ঘটনাস্থলে না থাকা সত্ত্বেও পূর্বে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে মামলায় আসামি করেন, সাংবাদিক মাসউদুর রহমান কে। আমার ছোট ভাই মিজানুর ও কহিনুর মামলাবাজ আপন ভাই হওয়া সত্বেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাইছে। তাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সপরিবার বাপ দাদার ভিটা মাটি ছাড়া। তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়ার প্রয়োজন তা না হলে একের পর এক অপরাধ করেই যাবে।

ভাদ্রা ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল উদ্দিন সরদার বলেন, আব্দুর রহমান ও মিজানুরদের মধ্যে মারামারি হয়েছে আমি শুনেছি, উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আপোস মীমাংসার কথা ছিল। এক পক্ষ না মানার কারণে মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি। আমি মিজানুর ও কহিনুদের কাছ থেকে শুনেছি এই মারামারিতে সাংবাদিক উপস্থিত ছিল না, যদি সাংবাদিককে আসামি করে থাকে তা দুঃখজনক, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিবেশী বলেন, মিজানুর, কহিনুর ও মোতালেব এরা মূলত মামলাবাজ। ইতিপূর্বে মিজানুর, হুমায়ুন কবির মোতালেব ধর্ষণ করেছিল, সেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে সাংবাদিক কে মামলায় আসামি করে, মারামারি হয় ভদ্রা ইউনিয়নের পাতিলা পাড়া গ্রামে সাংবাদিকের বাড়ি দপ্তিয়র ইউনিয়নের সারোটি গাজী গ্রামে। মারামারিতে সাংবাদিক ছিল না, এটা সত্য। তারপরও আসামি করেছে। 
নাগরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. এরশাদ মিয়া বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ঘটনাস্থলে আমাদের সাংবাদিক উপস্থিত ছিল কিনা? কোহিনুর ও মিজানুর বলছে ছিলনা। ঘটনাস্থলে না থাকার পরেও যদি সাংবাদিক কে আসামী দিয়ে থাকে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে মামলা থেকে সাংবাদিক মো. মাসউদুর রহমানকে অব্যাহতি দিতে হবে।  

ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো: মাসউদুর রহমান বলেন, বাদী মিজানুর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ষড়যন্ত্রমূলক ও ঘটনাস্থলে না থাকা সত্ত্বেও আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মামলায় আসামি করে। বাদী চিহ্নিত ধর্ষক! প্রতিবেশী এক সহজ সরল মেয়েকে ধর্ষণ করে হাজত খাটে, জেল থেকে জামিনে বের হয়ে আসে। সাক্ষী হুমায়ুন কবির (মোতালেব) সেও একজন ধর্ষক। বাক প্রতিবন্ধী এক মেয়েকে ধর্ষণ করে দেড় লক্ষ টাকায় রফা দফা করে, সেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলার জেরে আমাকে মামলায় আসামি করে, আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

বাদী মিজানুর রহমান শিকদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।