CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

নাটকীয় বিয়ের এক মাসের ব্যবধানে ডিভোর্স 

#
news image

স্ত্রী রেখেই দুইবছর শারীরিক সম্পর্কে জড়ান পুলিশ সদস্য সাজ্জাদ” এরপর বিয়ে একমাস পর ডিভোর্স। ভুক্তভোগী নারী জানান আদালতে একটি মামলাও করেছেন ওই পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে। তিনি জানান পুলিশ সদস্যর নাম সাজ্জাদ তিনি এক সময় রাজধানীর হাজারীবাগ থানার কর্মরত থাকলেও বর্তমানে তিনি রংপুর বিভাগে রয়েছেন। 
ভুক্তভোগী নারী জানান বিচারের আশায় মানুষের দ্বারেদ্বারে ঘুরছি। হুমকি আসছে পুলিশের পক্ষ থেকে। দুইবার তদন্তের তারিখ শেষ হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি তদন্ত কর্মকর্তা। মামলাটি তদন্ত করছে কামরাঙ্গীরচর থানা। ওই এএসআই কাবিনে ঠিকানা লিখেছে তাহেরপুর বাজার পাড়া, রাজশাহী বাগমারা। ডিভোর্সের ঠিকানা রয়েছে গ্রাম বোয়ালী, ডাকঘর ধর্মপুর জেলা গাইবান্ধা। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরপর চলতি বছরের ১৯ শে ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ঠিকানায়, নোটারীর মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করেন এ এসআই সাজ্জাদ। কিন্তু সেখানেও জালিয়াতি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগীকে প্রথমে দেখান ৩ লাখ টাকার কাবিন এরপর আসল কাবিনে দেখা যায় এক লাখ টাকা। এরপর বিয়ের একমাসের মধ্যে এই নারীকে ডিভোর্স দেন। 
ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি একজন বাউল শিল্পী। হাজারীবাগ এলাকায় বাউল গান করতে গেলে পরিচয় হয় পুলিশ (সদস্য এএসআই) সাজ্জাদের সঙ্গে, ঝাউচর এলাকায় আমার একটি গান প্র্যাকটিস করার স্কুল রয়েছে, সেখানে তিনি প্রতিদিন আসতেন। আমাকে উত্যক্ত  করতো একপর্যায়ে তাকে জানালাম আমার স্বামী এবং সন্তান রয়েছে তারপরও তিনি আমার পিছনেই লেগে রইলো। স্বামী সংসার ছাড়তে বাদ্য করলো, সংসার না ছাড়লে স্বামীকে মামলায় ঢুকাবে এই ভয়ে সব ছেড়ে এই পুলিশ সদস্যর হাত ধরলাম কিন্তু এখন আমার সব শেষ। বিয়ের নামে প্রতারণা করেছে সাজ্জাদ। প্রথমে একটি বাসায় হুজুর ডেকে বিয়ে হয়, এরপর দুই বছর গত হয়ে গেলে কাবিন করে বিয়ে করতে চাপ দেই, এরপর বিয়ে না করে গত ৫ আগস্টের পর রংপুর বদলি হলে আমি অসহায় হয়ে পরি। বিভিন্ন লোক মারফত তার সঙ্গে যোগাযোগ করি, বিভিন্ন স্থানে বিচার দেই, তখন আমাকে রংপুর ফুলবাড়িয়া থানা এলাকায় ডেকে নিয়ে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি ১ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করেন এর একমাস পর ডিভোর্স দেয়। এখন এক ধরনের অসহায় জীবনযাপন করছি
এবিষয় ওই এএসআই এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান আমি তাকে বিয়ে করেছি, বাকি তথ্য তার কাছ থেকে জেনে নেন। তিনি বর্তমানে কোন জেলায় কর্মরত রয়েছে তা জিজ্ঞেস করার আগেই ফোনটি কেটে দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জুলাই, ২০২৫,  6:31 PM

news image

স্ত্রী রেখেই দুইবছর শারীরিক সম্পর্কে জড়ান পুলিশ সদস্য সাজ্জাদ” এরপর বিয়ে একমাস পর ডিভোর্স। ভুক্তভোগী নারী জানান আদালতে একটি মামলাও করেছেন ওই পুলিশ সদস্যর বিরুদ্ধে। তিনি জানান পুলিশ সদস্যর নাম সাজ্জাদ তিনি এক সময় রাজধানীর হাজারীবাগ থানার কর্মরত থাকলেও বর্তমানে তিনি রংপুর বিভাগে রয়েছেন। 
ভুক্তভোগী নারী জানান বিচারের আশায় মানুষের দ্বারেদ্বারে ঘুরছি। হুমকি আসছে পুলিশের পক্ষ থেকে। দুইবার তদন্তের তারিখ শেষ হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি তদন্ত কর্মকর্তা। মামলাটি তদন্ত করছে কামরাঙ্গীরচর থানা। ওই এএসআই কাবিনে ঠিকানা লিখেছে তাহেরপুর বাজার পাড়া, রাজশাহী বাগমারা। ডিভোর্সের ঠিকানা রয়েছে গ্রাম বোয়ালী, ডাকঘর ধর্মপুর জেলা গাইবান্ধা। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরপর চলতি বছরের ১৯ শে ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ঠিকানায়, নোটারীর মাধ্যমে এক লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করেন এ এসআই সাজ্জাদ। কিন্তু সেখানেও জালিয়াতি হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী। ভুক্তভোগীকে প্রথমে দেখান ৩ লাখ টাকার কাবিন এরপর আসল কাবিনে দেখা যায় এক লাখ টাকা। এরপর বিয়ের একমাসের মধ্যে এই নারীকে ডিভোর্স দেন। 
ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমি একজন বাউল শিল্পী। হাজারীবাগ এলাকায় বাউল গান করতে গেলে পরিচয় হয় পুলিশ (সদস্য এএসআই) সাজ্জাদের সঙ্গে, ঝাউচর এলাকায় আমার একটি গান প্র্যাকটিস করার স্কুল রয়েছে, সেখানে তিনি প্রতিদিন আসতেন। আমাকে উত্যক্ত  করতো একপর্যায়ে তাকে জানালাম আমার স্বামী এবং সন্তান রয়েছে তারপরও তিনি আমার পিছনেই লেগে রইলো। স্বামী সংসার ছাড়তে বাদ্য করলো, সংসার না ছাড়লে স্বামীকে মামলায় ঢুকাবে এই ভয়ে সব ছেড়ে এই পুলিশ সদস্যর হাত ধরলাম কিন্তু এখন আমার সব শেষ। বিয়ের নামে প্রতারণা করেছে সাজ্জাদ। প্রথমে একটি বাসায় হুজুর ডেকে বিয়ে হয়, এরপর দুই বছর গত হয়ে গেলে কাবিন করে বিয়ে করতে চাপ দেই, এরপর বিয়ে না করে গত ৫ আগস্টের পর রংপুর বদলি হলে আমি অসহায় হয়ে পরি। বিভিন্ন লোক মারফত তার সঙ্গে যোগাযোগ করি, বিভিন্ন স্থানে বিচার দেই, তখন আমাকে রংপুর ফুলবাড়িয়া থানা এলাকায় ডেকে নিয়ে চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি ১ লাখ টাকা দেনমহরে বিয়ে করেন এর একমাস পর ডিভোর্স দেয়। এখন এক ধরনের অসহায় জীবনযাপন করছি
এবিষয় ওই এএসআই এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান আমি তাকে বিয়ে করেছি, বাকি তথ্য তার কাছ থেকে জেনে নেন। তিনি বর্তমানে কোন জেলায় কর্মরত রয়েছে তা জিজ্ঞেস করার আগেই ফোনটি কেটে দেন।