পাংশা (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা
১৬ জুন, ২০২৫, 8:07 PM
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের সরিষা ইউপির নাওরা বনগ্রামে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার শিহাব মন্ডল (১৯) নামের এক আসামীকে সোমবার (১৬ জুন) রাতে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ধৃত শিহাব মন্ডল পার্শবর্তী কশবামাজাইল ইউপির কুঠিমালিয়াট গ্রামের উজ্জল মন্ডলের ছেলে। একই সময়ে একই সাথে সংঘটিত অপর ধর্ষণ মামলার আসামী কুঠিমালিয়াট গ্রামের জেহের মন্ডলের ছেলে হাসমত মন্ডল (২১) পলাতক রয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে স্কুলের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত রবিবার সকালে বনগ্রাম আতারুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক পলি রানী সরকারের নিকট প্রাইভেট পড়া শেষ করে বাড়ী ফেরার পথে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল ছাত্রী দুই বান্ধবীর ১জনকে নাওড়া বনগ্রাম বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে এবং অপরজনকে বিদ্যালয়ের পেছনে পানের বরজের মধ্যে নিয়ে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বখাটে শিহাব মন্ডল ও হাসমত মন্ডল। ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিনই উভয় ভিকটিমের পরিবার পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২১ ও ২২।
মামলার পরপরই পাংশা মডেল থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারে তৎপর হয় এবং সোমবার (১৬ জুন) রাত দেড়টার দিকে কশবামাজাইল ইউপির ভাতশালা গ্রাম থেকে ২১ নং মামলার এজাহার নামীয় আসামী শিহাব মন্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, একটি মামলার এজাহার নামীয় আসামী শিহাব মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর মামলার এজাহার নামীয় আসামী হাসমত মন্ডলকে গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে।
এদিকে, স্কুল ছাত্রী দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় বনগ্রাম আতারুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম তীব্র নিন্দা জানান। ভিকটিম সুরাইয়া আক্তার ও তার বান্ধবী ভিকটিম মায়া আক্তার উভয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী। তাদের বাড়ী সরিষা ইউপির বড়বনগ্রামে। ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১১টায় হাটবনগ্রাম বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
পাংশা (রাজবাড়ী) সংবাদদাতা
১৬ জুন, ২০২৫, 8:07 PM
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের সরিষা ইউপির নাওরা বনগ্রামে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণ মামলার শিহাব মন্ডল (১৯) নামের এক আসামীকে সোমবার (১৬ জুন) রাতে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ধৃত শিহাব মন্ডল পার্শবর্তী কশবামাজাইল ইউপির কুঠিমালিয়াট গ্রামের উজ্জল মন্ডলের ছেলে। একই সময়ে একই সাথে সংঘটিত অপর ধর্ষণ মামলার আসামী কুঠিমালিয়াট গ্রামের জেহের মন্ডলের ছেলে হাসমত মন্ডল (২১) পলাতক রয়েছে। আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১১টার দিকে স্কুলের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত রবিবার সকালে বনগ্রাম আতারুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক পলি রানী সরকারের নিকট প্রাইভেট পড়া শেষ করে বাড়ী ফেরার পথে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুল ছাত্রী দুই বান্ধবীর ১জনকে নাওড়া বনগ্রাম বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভিতরে এবং অপরজনকে বিদ্যালয়ের পেছনে পানের বরজের মধ্যে নিয়ে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বখাটে শিহাব মন্ডল ও হাসমত মন্ডল। ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিনই উভয় ভিকটিমের পরিবার পাংশা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২১ ও ২২।
মামলার পরপরই পাংশা মডেল থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতারে তৎপর হয় এবং সোমবার (১৬ জুন) রাত দেড়টার দিকে কশবামাজাইল ইউপির ভাতশালা গ্রাম থেকে ২১ নং মামলার এজাহার নামীয় আসামী শিহাব মন্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, একটি মামলার এজাহার নামীয় আসামী শিহাব মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর মামলার এজাহার নামীয় আসামী হাসমত মন্ডলকে গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে।
এদিকে, স্কুল ছাত্রী দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় বনগ্রাম আতারুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম তীব্র নিন্দা জানান। ভিকটিম সুরাইয়া আক্তার ও তার বান্ধবী ভিকটিম মায়া আক্তার উভয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী। তাদের বাড়ী সরিষা ইউপির বড়বনগ্রামে। ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বেলা ১১টায় হাটবনগ্রাম বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।