নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ জুন, ২০২৫, 6:55 PM
ঢাকার নীলক্ষেতে অবস্থিত একটি কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের একটি কক্ষ থেকে রিয়া আক্তার শান্তা (৩০) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি অগ্রণী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে রাজধানীর দোহারে একটি শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রোববার (১৫ জুন) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হোস্টেলের ৩য় তলায় তার কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে নিউমার্কেট থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছায় এবং দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। উপপরিদর্শক (এসআই) হোসনে মোবারক জানান, রিয়াকে নিজের পরিহিত ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কক্ষটি ভেতর থেকে আটকানো ছিল।
পুলিশ জানায়, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে রিয়ার মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং তারা ঢাকায় আসছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
রিয়ার গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার পলাশপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। হোস্টেল কর্তৃপক্ষ জানান, রিয়া বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে থাকতেন এবং খুব শান্ত স্বভাবের ছিলেন। তার আচরণে কখনও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।
পুলিশ বলছে, হোস্টেলের অন্যান্য বাসিন্দাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।
এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, প্রয়োজনে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে রিয়ার মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করা হবে, যাতে আত্মহত্যার পেছনে কোনো কারণ উদঘাটন করা যায়।
রিয়ার মৃত্যুর খবরে সহকর্মী ও পরিচিত মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দায়ীদের শনাক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন (যদি আত্মহত্যার পেছনে কোনো প্ররোচনার বিষয় থাকে)।
ঘটনার পর হোস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, একাকী কর্মজীবী নারীদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে হলে আরও কার্যকর নজরদারি ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দরকার।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ থাকলে সেটিও গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ জুন, ২০২৫, 6:55 PM
ঢাকার নীলক্ষেতে অবস্থিত একটি কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলের একটি কক্ষ থেকে রিয়া আক্তার শান্তা (৩০) নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি অগ্রণী ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে রাজধানীর দোহারে একটি শাখায় দায়িত্ব পালন করছিলেন।
রোববার (১৫ জুন) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে হোস্টেলের ৩য় তলায় তার কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে নিউমার্কেট থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছায় এবং দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। উপপরিদর্শক (এসআই) হোসনে মোবারক জানান, রিয়াকে নিজের পরিহিত ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কক্ষটি ভেতর থেকে আটকানো ছিল।
পুলিশ জানায়, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে রিয়ার মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং তারা ঢাকায় আসছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।
রিয়ার গ্রামের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার পলাশপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। হোস্টেল কর্তৃপক্ষ জানান, রিয়া বেশ কিছুদিন ধরে সেখানে থাকতেন এবং খুব শান্ত স্বভাবের ছিলেন। তার আচরণে কখনও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।
পুলিশ বলছে, হোস্টেলের অন্যান্য বাসিন্দাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।
এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, প্রয়োজনে প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে রিয়ার মোবাইল ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করা হবে, যাতে আত্মহত্যার পেছনে কোনো কারণ উদঘাটন করা যায়।
রিয়ার মৃত্যুর খবরে সহকর্মী ও পরিচিত মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তারা তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দায়ীদের শনাক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন (যদি আত্মহত্যার পেছনে কোনো প্ররোচনার বিষয় থাকে)।
ঘটনার পর হোস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনেকে মনে করছেন, একাকী কর্মজীবী নারীদের জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে হলে আরও কার্যকর নজরদারি ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা দরকার।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ থাকলে সেটিও গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।