CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৮ মে, ২০২৬

তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

#
news image

ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোমবারও তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা এবং ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

ব্রেন্ট ক্রুড বা অপরিশোধিত তেলের দাম ২ ডলার ১ সেন্ট বা ১.৮৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১১.২৭ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের শুরুতে এটি ১১২ ডলার ছুঁয়েছিল, যা মে মাসের শুরুর পর সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২ ডলার ৩৩ সেন্ট বা ২.২১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৭.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দাম ১০৮.৭০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

গত সপ্তাহে উভয় সূচকই ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা ও জব্দের ঘটনা বন্ধে শান্তিচুক্তির আশা ক্ষীণ হয়ে যাওয়ায় এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠকেও ইরান সংঘাত নিরসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক দেশ চীন সংঘাত নিরসনে সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে ড্রোন হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, “এই ড্রোন হামলাগুলো স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নতুন হামলা ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় আরও বড় ধরনের হামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এমন ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।

সৌদি আরবও জানিয়েছে, ইরাকি আকাশসীমা থেকে প্রবেশ করা তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। দেশটি সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মঙ্গলবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানবিষয়ক সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

একই সঙ্গে রাশিয়ার সমুদ্রপথে তেল কেনার ক্ষেত্রে কিছু দেশের জন্য দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়াও বাজারে সরবরাহ উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

১৮ মে, ২০২৬,  12:39 PM

news image
ইন্টারনেট

ইরান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোমবারও তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা এবং ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে নতুন উদ্বেগের কারণে বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।

ব্রেন্ট ক্রুড বা অপরিশোধিত তেলের দাম ২ ডলার ১ সেন্ট বা ১.৮৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১১.২৭ ডলারে পৌঁছেছে। দিনের শুরুতে এটি ১১২ ডলার ছুঁয়েছিল, যা মে মাসের শুরুর পর সর্বোচ্চ।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২ ডলার ৩৩ সেন্ট বা ২.২১ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৭.৭৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে দাম ১০৮.৭০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

গত সপ্তাহে উভয় সূচকই ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা ও জব্দের ঘটনা বন্ধে শান্তিচুক্তির আশা ক্ষীণ হয়ে যাওয়ায় এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাম্প্রতিক বৈঠকেও ইরান সংঘাত নিরসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক দেশ চীন সংঘাত নিরসনে সরাসরি কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে ড্রোন হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, “এই ড্রোন হামলাগুলো স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নতুন হামলা ইরানের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় আরও বড় ধরনের হামলার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

আমিরাত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার উৎস খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এমন ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।

সৌদি আরবও জানিয়েছে, ইরাকি আকাশসীমা থেকে প্রবেশ করা তিনটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। দেশটি সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মঙ্গলবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানবিষয়ক সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

একই সঙ্গে রাশিয়ার সমুদ্রপথে তেল কেনার ক্ষেত্রে কিছু দেশের জন্য দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়াও বাজারে সরবরাহ উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স