নিউজ ডেস্ক
১৬ মে, ২০২৬, 12:39 PM
অনেকে বলেন, আমার ‘লো প্রেশার’, সব সময় রক্তচাপ কম থাকে। অনেকে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। আসলেই কি কারও লো প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপ থাকতে পারে? কেনই–বা হয়?
রক্তচাপ মাপার সময় আমরা দুটো পরিমাপ দেখি। ওপরেরটা হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ। আর নিচেরটা হলো ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের কম আর ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের কম থাকা উচিত, এটাই রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা। কিন্তু কত কম পর্যন্ত স্বাভাবিক?
আসলে সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মিলিমিটার পারদের কম অথবা ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মিলিমিটার পারদের কম না হলে নিম্ন রক্তচাপ বা ‘লো প্রেশার’ বলা হয় না। তার মানে ৯০/৬০ মিলিমিটার পারদ থেকে ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ পর্যন্ত মাত্রা হলো স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকে সামান্য কমের দিকে রক্তচাপ পেলেই তাকে কম রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ বা ‘লো প্রেশার’ ভাবেন, যা ঠিক নয়।
দিনের বিভিন্ন সময় আমাদের রক্তচাপের তারতম্য হয়। হাঁটাচলা, ব্যায়াম, পরিশ্রম, পানিশূন্যতা, বিশ্রাম বা ঘুম—অনেক কিছুর সঙ্গে রক্তচাপের সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘ সময় দাঁড়ানো, শোয়া বা বসে থাকাও রক্তচাপের ওপর প্রভাব ফেলে। মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যে রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। বাড়তে শুরু করে ভোর থেকে। দুপুর ও বিকেলে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছে কমতে থাকে সন্ধ্যা থেকে। এই ওঠানামা সাধারণত সিস্টোলিকের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং ডায়াস্টোলিকের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ মিলিমিটারের মধ্যে থাকে। তাই বিভিন্ন সময় পরিমাপ একটু এদিক–ওদিক পাওয়াটা স্বাভাবিক।
নিম্ন রক্তচাপ উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনো রোগ নয়। নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে অন্য কোনো রোগের উপসর্গ। তাই কারও নিম্ন রক্তচাপ হলে (৯০/৬০ মিমি পারদের কম), তার সঠিক কারণ বের করে চিকিৎসা করতে হবে। আর যদি হঠাৎ করে এমনটা হয় তাহলে অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
লো প্রেসারের সাধারণ লক্ষণগুলো বিস্তারিত দেওয়া হলো:
প্রাথমিক লক্ষণ:
*মাথা ঘোরা ও হালকা লাগা: অনেকক্ষণ বসে বা শুয়ে থেকে হঠাৎ দাঁড়ালে মাথা ঘুরে ওঠা।
*দুর্বলতা: শরীরে শক্তি না পাওয়া এবং সবসময় ক্লান্ত লাগা।
*চোখে ঝাপসা দেখা: সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঝাপসা বা অন্ধকার হয়ে যাওয়া।
গুরুতর লক্ষণ:
*মূর্ছা যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়া: রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
*বুক ধড়ফড় করা: হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত বা ধীর হওয়া।
*মনোযোগের অভাব: বিভ্রান্তি লাগা বা কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া।
*ত্বকের পরিবর্তন: ত্বক ফ্যাকাশে, ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত ঘামে ভেজা বা আঠালো (Clammy) অনুভব হওয়া।
*বমি ভাব: পেট খারাপের মতো বমি বমি ভাব হওয়া।
নিউজ ডেস্ক
১৬ মে, ২০২৬, 12:39 PM
অনেকে বলেন, আমার ‘লো প্রেশার’, সব সময় রক্তচাপ কম থাকে। অনেকে এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। আসলেই কি কারও লো প্রেশার বা নিম্ন রক্তচাপ থাকতে পারে? কেনই–বা হয়?
রক্তচাপ মাপার সময় আমরা দুটো পরিমাপ দেখি। ওপরেরটা হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ। আর নিচেরটা হলো ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ। সিস্টোলিক রক্তচাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের কম আর ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের কম থাকা উচিত, এটাই রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা। কিন্তু কত কম পর্যন্ত স্বাভাবিক?
আসলে সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মিলিমিটার পারদের কম অথবা ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মিলিমিটার পারদের কম না হলে নিম্ন রক্তচাপ বা ‘লো প্রেশার’ বলা হয় না। তার মানে ৯০/৬০ মিলিমিটার পারদ থেকে ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ পর্যন্ত মাত্রা হলো স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকে সামান্য কমের দিকে রক্তচাপ পেলেই তাকে কম রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ বা ‘লো প্রেশার’ ভাবেন, যা ঠিক নয়।
দিনের বিভিন্ন সময় আমাদের রক্তচাপের তারতম্য হয়। হাঁটাচলা, ব্যায়াম, পরিশ্রম, পানিশূন্যতা, বিশ্রাম বা ঘুম—অনেক কিছুর সঙ্গে রক্তচাপের সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘ সময় দাঁড়ানো, শোয়া বা বসে থাকাও রক্তচাপের ওপর প্রভাব ফেলে। মধ্যরাতে ঘুমের মধ্যে রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। বাড়তে শুরু করে ভোর থেকে। দুপুর ও বিকেলে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছে কমতে থাকে সন্ধ্যা থেকে। এই ওঠানামা সাধারণত সিস্টোলিকের ক্ষেত্রে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং ডায়াস্টোলিকের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ মিলিমিটারের মধ্যে থাকে। তাই বিভিন্ন সময় পরিমাপ একটু এদিক–ওদিক পাওয়াটা স্বাভাবিক।
নিম্ন রক্তচাপ উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনো রোগ নয়। নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে অন্য কোনো রোগের উপসর্গ। তাই কারও নিম্ন রক্তচাপ হলে (৯০/৬০ মিমি পারদের কম), তার সঠিক কারণ বের করে চিকিৎসা করতে হবে। আর যদি হঠাৎ করে এমনটা হয় তাহলে অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
লো প্রেসারের সাধারণ লক্ষণগুলো বিস্তারিত দেওয়া হলো:
প্রাথমিক লক্ষণ:
*মাথা ঘোরা ও হালকা লাগা: অনেকক্ষণ বসে বা শুয়ে থেকে হঠাৎ দাঁড়ালে মাথা ঘুরে ওঠা।
*দুর্বলতা: শরীরে শক্তি না পাওয়া এবং সবসময় ক্লান্ত লাগা।
*চোখে ঝাপসা দেখা: সাময়িকভাবে দৃষ্টি ঝাপসা বা অন্ধকার হয়ে যাওয়া।
গুরুতর লক্ষণ:
*মূর্ছা যাওয়া বা অজ্ঞান হওয়া: রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলা।
*বুক ধড়ফড় করা: হৃদস্পন্দন স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত বা ধীর হওয়া।
*মনোযোগের অভাব: বিভ্রান্তি লাগা বা কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া।
*ত্বকের পরিবর্তন: ত্বক ফ্যাকাশে, ঠান্ডা এবং অতিরিক্ত ঘামে ভেজা বা আঠালো (Clammy) অনুভব হওয়া।
*বমি ভাব: পেট খারাপের মতো বমি বমি ভাব হওয়া।