নিউজ ডেস্ক
০৪ মে, ২০২৬, 12:40 PM
হবিগঞ্জে টানা ভারি বৃষ্টিপাতে সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি। কষ্টের ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। আছেন রোদের আশায়। কাটা ধানগুলো শুকানোর জন্য। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে হাওর ও নন-হাওর মিলিয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় ১১ হাজার ৫৩৭ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ হাজার হেক্টর জমি। এতে সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার কৃষক।
এদিকে জমির কাটা ধান খোলা মাঠ ও সড়কে স্তুপ করে রাখায় রোদের অভাবে অনেক ধানে চারা গজিয়ে ও পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
০৪ মে, ২০২৬, 12:40 PM
হবিগঞ্জে টানা ভারি বৃষ্টিপাতে সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতি। কষ্টের ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। আছেন রোদের আশায়। কাটা ধানগুলো শুকানোর জন্য। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে হাওর ও নন-হাওর মিলিয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৪৪ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছিল। এর মধ্যে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় ১১ হাজার ৫৩৭ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ হাজার হেক্টর জমি। এতে সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার কৃষক।
এদিকে জমির কাটা ধান খোলা মাঠ ও সড়কে স্তুপ করে রাখায় রোদের অভাবে অনেক ধানে চারা গজিয়ে ও পচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।