নিউজ ডেস্ক
২৫ এপ্রিল, ২০২৬, 12:13 PM
যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘জোনস অ্যাক্ট’ শিথিলের মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকার পতাকাবাহী জাহাজ ছাড়াও বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজগুলো এখন থেকে সহজেই দেশটিতে তেল ও গ্যাস পরিবহন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ সচল করতে প্রথম দফায় ৬০ দিনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিলেন ট্রাম্প। সেই মেয়াদের সফলতার ওপর ভিত্তি করেই নতুন করে এই সময়সীমা বাড়ানো হলো।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক ছাড় দেওয়ার পর সংগৃহীত নতুন তথ্যে দেখা গেছে, এই পদক্ষেপের ফলে অনেক বেশি পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ মার্কিন বন্দরগুলোতে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ১০৩ থেকে ১০৭ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এই দাম গত ২৮ ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। প্রসঙ্গত, ওই দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধার প্রভাব বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক বাণিজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিশ্বের অপরপ্রান্তে পানামা খালের ওপর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
২৫ এপ্রিল, ২০২৬, 12:13 PM
যুক্তরাষ্ট্রের বন্দরে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে ‘জোনস অ্যাক্ট’ শিথিলের মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়িয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকার পতাকাবাহী জাহাজ ছাড়াও বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজগুলো এখন থেকে সহজেই দেশটিতে তেল ও গ্যাস পরিবহন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ সচল করতে প্রথম দফায় ৬০ দিনের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিলেন ট্রাম্প। সেই মেয়াদের সফলতার ওপর ভিত্তি করেই নতুন করে এই সময়সীমা বাড়ানো হলো।
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক ছাড় দেওয়ার পর সংগৃহীত নতুন তথ্যে দেখা গেছে, এই পদক্ষেপের ফলে অনেক বেশি পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ মার্কিন বন্দরগুলোতে দ্রুত পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ১০৩ থেকে ১০৭ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে। তবে এই দাম গত ২৮ ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। প্রসঙ্গত, ওই দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকেই তেলের বাজারে অস্থিরতা শুরু হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধার প্রভাব বিশ্বজুড়ে সামুদ্রিক বাণিজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিশ্বের অপরপ্রান্তে পানামা খালের ওপর দিয়ে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।