CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ধান কাটা ও সজিনার চারা রোপণ উদ্বোধন করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরতে চান মাহি রাজধানীতে ম্যালেরিয়া বিস্তারের শঙ্কা, আগাম সতর্ক করলেন বিশেষজ্ঞরা পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে ইসলামাবাদে আরাগচি জ্বালানি পরিবহনে জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও ৯০ দিন শিথিল করলেন ট্রাম্প নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন শুরু মারা গেছেন অভিনেতা ও বাচিকশিল্পী বিপ্লব দাশগুপ্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদাও মারা গেছেন মোদিকে নিয়ে মমতার প্রশ্ন -এতটা নীচ? এমন শালীনতা ও সৌজন্যবোধ?

মিসাইল ও রকেট তৈরি করলেন মামা-ভাগ্নে

#
news image

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নিজ উদ্যোগে ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট তৈরির দাবি করেছেন দুই তরুণ। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে। তারা হলেন উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের প্রিতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। দুজনই রোবটিক্স নিয়ে কাজ করেন।

প্রিতম পাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তার মামা সুজন চন্দ্র পাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

তাদের ভাষ্য, সম্ভাব্য বৈশ্বিক সংকট ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে তারা মিসাইল ও রকেট তৈরির কাজ শুরু করেন।

২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে নিজেদের সঞ্চয়, টিফিনের টাকা এবং পারিবারিক সহায়তায় প্রায় সাত লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। সম্প্রতি তারা কাজটি সম্পন্ন করেছেন বলে জানান।

তাদের দাবি, এই মিসাইল ও রকেট ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে সক্ষম। তবে সরকারের অনুমতি না থাকায় এটি পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়নি।

প্রিতম ও সুজন-দুজনেই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে আগ্রহী। রোবটিক্সে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।

তারা ‘আইডিয়া’ প্রকল্প থেকে ১০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক একটি প্রতিযোগিতায় শীর্ষ দশে স্থান করে নিয়েছেন বলেও জানান।

এর আগে প্রিতম পাল রোবটিক্স হ্যান্ড ও স্মার্ট সিটি–সংক্রান্ত উদ্ভাবনের জন্য ২০২৪ সালের ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে স্বর্ণপদক এবং বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে রৌপ্যপদক অর্জন করেন। একই বছর বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণে উপজেলা পর্যায়ে বর্ষসেরা নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে সুজন চন্দ্র পাল ২০২২ সালে এমন একটি রোবট তৈরি করেন, যা আগুন বা গ্যাস লিকেজ হলে সতর্কসংকেত দিতে পারে। এ উদ্ভাবনের জন্য তিনি ২০২৩ সালের ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

সুজন বলেন, স্কুলজীবন থেকেই উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা একসঙ্গে কাজ করে এই প্রকল্পটি করেছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।

প্রিতম বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে আমরা আমাদের কাজকে আরও উন্নত করতে পারব এবং দেশের জন্য কিছু করতে চাই।

প্রিতমের বাবা গৌতম পাল বলেন, ছেলে নিজের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এবং আমাদের সহায়তায় এই কাজ করেছে। আমরা তাদের নিয়ে গর্বিত।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ যথাযথ সহায়তা পেলে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল, ২০২৬,  12:24 PM

news image
সংগৃহীত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় নিজ উদ্যোগে ‘থান্ডারবোল্ট’ নামের একটি মিসাইল ও রকেট তৈরির দাবি করেছেন দুই তরুণ। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে। তারা হলেন উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের উত্তর শিহিপাশা গ্রামের প্রিতম পাল ও সুজন চন্দ্র পাল। দুজনই রোবটিক্স নিয়ে কাজ করেন।

প্রিতম পাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তার মামা সুজন চন্দ্র পাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

তাদের ভাষ্য, সম্ভাব্য বৈশ্বিক সংকট ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগে তারা মিসাইল ও রকেট তৈরির কাজ শুরু করেন।

২০২৫ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে নিজেদের সঞ্চয়, টিফিনের টাকা এবং পারিবারিক সহায়তায় প্রায় সাত লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। সম্প্রতি তারা কাজটি সম্পন্ন করেছেন বলে জানান।

তাদের দাবি, এই মিসাইল ও রকেট ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে সক্ষম। তবে সরকারের অনুমতি না থাকায় এটি পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হয়নি।

প্রিতম ও সুজন-দুজনেই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে আগ্রহী। রোবটিক্সে কাজ করার সুবাদে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।

তারা ‘আইডিয়া’ প্রকল্প থেকে ১০ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক একটি প্রতিযোগিতায় শীর্ষ দশে স্থান করে নিয়েছেন বলেও জানান।

এর আগে প্রিতম পাল রোবটিক্স হ্যান্ড ও স্মার্ট সিটি–সংক্রান্ত উদ্ভাবনের জন্য ২০২৪ সালের ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে স্বর্ণপদক এবং বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে রৌপ্যপদক অর্জন করেন। একই বছর বঙ্গবন্ধু সৃজনশীল মেধা অন্বেষণে উপজেলা পর্যায়ে বর্ষসেরা নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে সুজন চন্দ্র পাল ২০২২ সালে এমন একটি রোবট তৈরি করেন, যা আগুন বা গ্যাস লিকেজ হলে সতর্কসংকেত দিতে পারে। এ উদ্ভাবনের জন্য তিনি ২০২৩ সালের ৪৪তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে প্রথম স্থান অধিকার করেন।

সুজন বলেন, স্কুলজীবন থেকেই উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা একসঙ্গে কাজ করে এই প্রকল্পটি করেছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।

প্রিতম বলেন, সরকারি সহায়তা পেলে আমরা আমাদের কাজকে আরও উন্নত করতে পারব এবং দেশের জন্য কিছু করতে চাই।

প্রিতমের বাবা গৌতম পাল বলেন, ছেলে নিজের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে এবং আমাদের সহায়তায় এই কাজ করেছে। আমরা তাদের নিয়ে গর্বিত।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. খোরশেদ আলম বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের এমন উদ্যোগ যথাযথ সহায়তা পেলে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।