নিউজ ডেস্ক
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 12:14 PM
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি জাহাজ জব্দের দাবি জানানোর পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। আর এটি চলমান সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) এশিয়ার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪.৭৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৬৬ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৮৮.৫৫ ডলারে।
এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনাকে। এর আগে ইরান ঘোষণা দেয়, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল সীমিত করতে পারে এবং প্রয়োজনে যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। বিশ্বে ব্যবহৃত মোট তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক পদক্ষেপের পর থেকেই জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা শুরু হয়। এর জেরে তেলের দাম একসময় ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়, যা আগে ৭০ ডলারের নিচে ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারের প্রতিক্রিয়া অনেকটাই রাজনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার ওপর নির্ভর করছে। জ্বালানি বিশ্লেষক সল কেভনিক বলেন, বাস্তব সরবরাহ পরিস্থিতির চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান ও ঘোষণাই বাজারকে বেশি প্রভাবিত করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার কথাও শোনা যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, আলোচনার জন্য প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে যেতে পারে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভেন্স। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সম্মতি পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে, কারণ এই অঞ্চলের বড় অংশের জ্বালানি আমদানি এই নৌপথের ওপর নির্ভরশীল।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়, কর্মঘণ্টা কমানো এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে জেট ফুয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 12:14 PM
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের একটি জাহাজ জব্দের দাবি জানানোর পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হয়। আর এটি চলমান সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২০ এপ্রিল) এশিয়ার বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ৪.৭৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৪.৬৬ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৫.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৮৮.৫৫ ডলারে।
এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনাকে। এর আগে ইরান ঘোষণা দেয়, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল সীমিত করতে পারে এবং প্রয়োজনে যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে। বিশ্বে ব্যবহৃত মোট তেল ও এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক পদক্ষেপের পর থেকেই জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা শুরু হয়। এর জেরে তেলের দাম একসময় ১২০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছায়, যা আগে ৭০ ডলারের নিচে ছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারের প্রতিক্রিয়া অনেকটাই রাজনৈতিক বার্তা ও উত্তেজনার ওপর নির্ভর করছে। জ্বালানি বিশ্লেষক সল কেভনিক বলেন, বাস্তব সরবরাহ পরিস্থিতির চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান ও ঘোষণাই বাজারকে বেশি প্রভাবিত করছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার কথাও শোনা যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, আলোচনার জন্য প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে যেতে পারে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভেন্স। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সম্মতি পাওয়া যায়নি।
হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে, কারণ এই অঞ্চলের বড় অংশের জ্বালানি আমদানি এই নৌপথের ওপর নির্ভরশীল।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ বিদ্যুৎ সাশ্রয়, কর্মঘণ্টা কমানো এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। একই সঙ্গে জেট ফুয়েলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিমান চলাচলেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।