নিউজ ডেস্ক
১৮ এপ্রিল, ২০২৬, 12:50 PM
ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের সঙ্গে বেইমানি করলে জাতি কাউকে ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত হজযাত্রীদের গাইডলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, যারা ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা যদি সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা না করেন, তবে জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, অস্ত্র ও পেশিশক্তি দিয়ে কখনোই মানুষের আকাঙ্ক্ষা দমিয়ে রাখা যায় না।
তিনি দাবি করেন, ছাত্র-জনতার স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে গণভোটের রায় মেনে চলতে হবে এবং জুলাই সনদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দলটির শীর্ষ ১১ নেতাকে ‘বিচারিক হত্যার’ শিকার হতে হয়েছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি জনগণের মাঝে ফিরে এসেছেন এবং সামনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হজযাত্রীদের উদ্দেশে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করার আহ্বান জানান। তার মতে, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সামর্থ্যবানদের জন্য হজ পালন যেমন ফরজ, তেমনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি ধর্মীয় বিধান পালনে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পদ-পদবি অর্জনের চেয়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সফলতা অর্জনই মানুষের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত।
নিউজ ডেস্ক
১৮ এপ্রিল, ২০২৬, 12:50 PM
ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের সঙ্গে বেইমানি করলে জাতি কাউকে ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াত আয়োজিত হজযাত্রীদের গাইডলাইন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, যারা ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর ভর করে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা যদি সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা না করেন, তবে জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। তিনি আরও বলেন, অস্ত্র ও পেশিশক্তি দিয়ে কখনোই মানুষের আকাঙ্ক্ষা দমিয়ে রাখা যায় না।
তিনি দাবি করেন, ছাত্র-জনতার স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে গণভোটের রায় মেনে চলতে হবে এবং জুলাই সনদের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর ত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দলটির শীর্ষ ১১ নেতাকে ‘বিচারিক হত্যার’ শিকার হতে হয়েছে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বহু নেতাকর্মী জীবন দিয়েছেন।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি জনগণের মাঝে ফিরে এসেছেন এবং সামনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের অধিকার আদায়ে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হজযাত্রীদের উদ্দেশে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করার আহ্বান জানান। তার মতে, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সামর্থ্যবানদের জন্য হজ পালন যেমন ফরজ, তেমনি সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি ধর্মীয় বিধান পালনে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পদ-পদবি অর্জনের চেয়ে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক সফলতা অর্জনই মানুষের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত।