নিউজ ডেস্ক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 4:40 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুন্ডা গ্রামে কুলিকুন্ডার বান্নি নামে পরিচিত শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈশাখের শুরুতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির শুটকি মাছের সমারোহ দেখা যায়। বিশেষ করে নদীর শোল,গজার,বোয়াল, লইট্টা, চিংড়ি, কাঁচকি, সহ সামুদ্রিক নানা ধরনের শুটকি বিক্রির জন্য শতাধিক বিক্রেতারা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেন। স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও ব্যবসায়ীরা এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন।
মেলা ঘিরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। ক্রেতারা সুলভ মূল্যে মানসম্মত শুটকি সংগ্রহ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য ছিল নানা ধরনের গ্রামীণ খাবার, খেলনা ও বিনোদনের আয়োজন। পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসে অনেকেই সময় কাটান আনন্দঘন পরিবেশে।
স্থানীয়দের মতে, মোঘল আমল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা শুধু ব্যবসার ক্ষেত্র নয়, বরং এলাকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর এই মেলার মাধ্যমে স্থানীয় ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।
সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নাসিরনগরের ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা। এই মেলা দুই দিন যাবত উদযাপিত হবে।
নিউজ ডেস্ক
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 4:40 PM
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুন্ডা গ্রামে কুলিকুন্ডার বান্নি নামে পরিচিত শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈশাখের শুরুতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ।
মেলায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির শুটকি মাছের সমারোহ দেখা যায়। বিশেষ করে নদীর শোল,গজার,বোয়াল, লইট্টা, চিংড়ি, কাঁচকি, সহ সামুদ্রিক নানা ধরনের শুটকি বিক্রির জন্য শতাধিক বিক্রেতারা তাদের পসরা সাজিয়ে বসেন। স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও ব্যবসায়ীরা এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন।
মেলা ঘিরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। ক্রেতারা সুলভ মূল্যে মানসম্মত শুটকি সংগ্রহ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে এই মেলা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
মেলায় আগত দর্শনার্থীদের জন্য ছিল নানা ধরনের গ্রামীণ খাবার, খেলনা ও বিনোদনের আয়োজন। পরিবার-পরিজন নিয়ে মেলায় ঘুরতে এসে অনেকেই সময় কাটান আনন্দঘন পরিবেশে।
স্থানীয়দের মতে, মোঘল আমল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা শুধু ব্যবসার ক্ষেত্র নয়, বরং এলাকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছর এই মেলার মাধ্যমে স্থানীয় ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হয়।
সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নাসিরনগরের ঐতিহ্যবাহী শুটকি মেলা। এই মেলা দুই দিন যাবত উদযাপিত হবে।