নিউজ ডেস্ক
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 10:36 AM
মুখ খুলতে শুরু করেছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। টানা ১৫ দিন রিমান্ডের পর গত বৃহস্পতিবার তাকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ এক-এগারোর ষড়যন্ত্র, এর মূল পরিকল্পনাকারী ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মামুনের দেওয়া তথ্য যাচাইবাছাই করছেন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মামুন খালেদ এক-এগারোর সময় ক্ষমতাবান এগারোজনের নাম বলেছেন।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, তিনি এক-এগারোর ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না, ছিলেন একজন বাস্তবায়নকারী। তিনি সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার কমান্ড মান্য করার কোনো বিকল্প নেই সেনাবাহিনীতে। মামুন দাবি করেন, তাকে ডিজিএফআইয়ে বদলি করা হয় এক-এগারোর মাঝামাঝি সময়ে। প্রথমে তিনি সেখানে পরিচালক মিডিয়া হিসেবে যোগদান করেন। পরে ফখরুদ্দীন সরকার যখন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে তখন তাকে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। মামুন খালেদ বলেন, ফখরুদ্দীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ছিলেন নামমাত্র। তারা পুতুল ছিলেন। তিনি দাবি করেন, মিডিয়া পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের নেতৃত্বে একটি কোর গ্রুপ এক-এগারোর সরকার পরিচালনা করত। মইন সেনা সদরে তাদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠক করতেন বলেও দাবি করেন মামুন। তার মতে, সরকার কীভাবে চলবে, কাকে গ্রেপ্তার করা হবে, কার বিরুদ্ধে নিউজ করা হবে ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো এই বৈঠকে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই কোর কমিটিতে কারা ছিলেন, গোয়েন্দাদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মামুন যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তারা হলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ, জেনারেল মাসুদ উদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার বারী, ব্রিগেডিয়ার আমিন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সুজনের নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম মজুমদার, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব ফাহিম মুনয়েম। উল্লেখ্য ফাহিম মুনয়েম প্রেস সচিব হওয়ার আগে ডেইলি স্টারের ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মামুন জানান, কোন রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কখন কী লেখা হবে, তা ঠিক করে দিতেন প্রয়াত ফাহিম।
মামুন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ওই বৈঠকগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে তার ধারণা হয়েছে, এক-এগারোর পুরো পরিকল্পনা কোর কমিটির দুই সম্পাদকের তৈরি। কীভাবে তার এই ধারণা হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে মামুন গোয়েন্দাদের বলেন, তিনি যে কটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তার সবগুলোতেই মইন প্রথমেই এই দুই সম্পাদককে বলতেন, আপনারা বলুন আমাদের করণীয় কী। এমন একটি বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মামুন বলেন, তারেক রহমান এবং দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলা দৈনিকের সম্পাদক। তার সঙ্গে সম্মতি জানিয়েছিলেন ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক। মামুন দাবি করেন, কোর কমিটির অধিকাংশ সদস্যই এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। কিন্তু মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম তাদের গ্রেপ্তারের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। তারা দুজনেই দাবি করেন, এই তিনজনকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে না পারলে, বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক সংস্কার সম্ভব নয়। মামুন দাবি করেন, ওই বৈঠকে দুই নেত্রী এবং তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের আগে জনমত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। জনমত তৈরির জন্য দুই সম্পাদক এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব দায়িত্ব নেন। এরপরই প্রথম আলোর সম্পাদক তার নিজের নামে প্রথম পাতায় ‘দুই নেত্রীকে সরে যেতে হবে’ শিরোনামে মন্তব্য প্রতিবেদন লেখেন।
মামুন দাবি করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভাঙন সৃষ্টির পরিকল্পনাও দুই সম্পাদকের। তার মতে, বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সঙ্গে মতিউর রহমানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। দু'জনই বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সুবাদে মান্নান ভূঁইয়াকে সংস্কারের পক্ষে রাজি করাতে ভূমিকা রাখেন মতিউর রহমান। এক-এগারোর পরপরই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার বিএনপিতে বেগম জিয়ার বিরোধীদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে তাদের লাইমলাইটে আনার চেষ্টা করেন। মামুনের মতে, আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর সঙ্গেও মইনের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছেন মতিউর রহমান। সেই সময় তারাও সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
মামুন দাবি করেন, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এই দুই সম্পাদক। তার মতে, মইন সে সময় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন না নেওয়ার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু এই দুই সম্পাদক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে মিটিংয়ে আসতেন। দুই সম্পাদকই সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের তালিকা তৈরি করেছিলেন বলে মামুন জানিয়েছেন। মামুন বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক্সিট প্ল্যান নিয়ে মইনের সঙ্গে বারী ও আমিনের বিরোধ হয়। এ সময়ে সেনাবাহিনীর মধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেনাসদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মামুন বলেন, জেনারেল মইনের ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর এক-এগারো সরকারের পরিকল্পনা পরিবর্তন হতে শুরু করে। এই সময়ে উপদেষ্টা পদ থেকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের পথে হাঁটতে শুরু করে।
নিউজ ডেস্ক
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 10:36 AM
মুখ খুলতে শুরু করেছেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। টানা ১৫ দিন রিমান্ডের পর গত বৃহস্পতিবার তাকে আবারও তিন দিনের রিমান্ডে আনা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে জিজ্ঞাসাবাদে মামুন খালেদ এক-এগারোর ষড়যন্ত্র, এর মূল পরিকল্পনাকারী ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিচ্ছেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মামুনের দেওয়া তথ্য যাচাইবাছাই করছেন। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, মামুন খালেদ এক-এগারোর সময় ক্ষমতাবান এগারোজনের নাম বলেছেন।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দাবি করেন, তিনি এক-এগারোর ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন না, ছিলেন একজন বাস্তবায়নকারী। তিনি সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তার কমান্ড মান্য করার কোনো বিকল্প নেই সেনাবাহিনীতে। মামুন দাবি করেন, তাকে ডিজিএফআইয়ে বদলি করা হয় এক-এগারোর মাঝামাঝি সময়ে। প্রথমে তিনি সেখানে পরিচালক মিডিয়া হিসেবে যোগদান করেন। পরে ফখরুদ্দীন সরকার যখন নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করে তখন তাকে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়। মামুন খালেদ বলেন, ফখরুদ্দীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টাসহ বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ছিলেন নামমাত্র। তারা পুতুল ছিলেন। তিনি দাবি করেন, মিডিয়া পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি দেখেছেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের নেতৃত্বে একটি কোর গ্রুপ এক-এগারোর সরকার পরিচালনা করত। মইন সেনা সদরে তাদের নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৈঠক করতেন বলেও দাবি করেন মামুন। তার মতে, সরকার কীভাবে চলবে, কাকে গ্রেপ্তার করা হবে, কার বিরুদ্ধে নিউজ করা হবে ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো এই বৈঠকে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই কোর কমিটিতে কারা ছিলেন, গোয়েন্দাদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মামুন যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তারা হলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ, জেনারেল মাসুদ উদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার বারী, ব্রিগেডিয়ার আমিন, দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান জেনারেল (অব.) হাসান মশহুদ চৌধুরী, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত হোসেন, তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, সুজনের নির্বাহী পরিচালক বদিউল আলম মজুমদার, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব ফাহিম মুনয়েম। উল্লেখ্য ফাহিম মুনয়েম প্রেস সচিব হওয়ার আগে ডেইলি স্টারের ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মামুন জানান, কোন রাজনীতিবিদ বা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কখন কী লেখা হবে, তা ঠিক করে দিতেন প্রয়াত ফাহিম।
মামুন জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ওই বৈঠকগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে তার ধারণা হয়েছে, এক-এগারোর পুরো পরিকল্পনা কোর কমিটির দুই সম্পাদকের তৈরি। কীভাবে তার এই ধারণা হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে মামুন গোয়েন্দাদের বলেন, তিনি যে কটি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, তার সবগুলোতেই মইন প্রথমেই এই দুই সম্পাদককে বলতেন, আপনারা বলুন আমাদের করণীয় কী। এমন একটি বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মামুন বলেন, তারেক রহমান এবং দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বাংলা দৈনিকের সম্পাদক। তার সঙ্গে সম্মতি জানিয়েছিলেন ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক। মামুন দাবি করেন, কোর কমিটির অধিকাংশ সদস্যই এই গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হবে। কিন্তু মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনাম তাদের গ্রেপ্তারের পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি তুলে ধরেন। তারা দুজনেই দাবি করেন, এই তিনজনকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে না পারলে, বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক সংস্কার সম্ভব নয়। মামুন দাবি করেন, ওই বৈঠকে দুই নেত্রী এবং তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের আগে জনমত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। জনমত তৈরির জন্য দুই সম্পাদক এবং তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব দায়িত্ব নেন। এরপরই প্রথম আলোর সম্পাদক তার নিজের নামে প্রথম পাতায় ‘দুই নেত্রীকে সরে যেতে হবে’ শিরোনামে মন্তব্য প্রতিবেদন লেখেন।
মামুন দাবি করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ভাঙন সৃষ্টির পরিকল্পনাও দুই সম্পাদকের। তার মতে, বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সঙ্গে মতিউর রহমানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। দু'জনই বাম রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সুবাদে মান্নান ভূঁইয়াকে সংস্কারের পক্ষে রাজি করাতে ভূমিকা রাখেন মতিউর রহমান। এক-এগারোর পরপরই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার বিএনপিতে বেগম জিয়ার বিরোধীদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে তাদের লাইমলাইটে আনার চেষ্টা করেন। মামুনের মতে, আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ ও সুরঞ্জিত সেনগুপ্তর সঙ্গেও মইনের যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছেন মতিউর রহমান। সেই সময় তারাও সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
মামুন দাবি করেন, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন এই দুই সম্পাদক। তার মতে, মইন সে সময় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন না নেওয়ার পক্ষে ছিলেন। কিন্তু এই দুই সম্পাদক শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে মিটিংয়ে আসতেন। দুই সম্পাদকই সন্দেহভাজন দুর্নীতিবাজদের তালিকা তৈরি করেছিলেন বলে মামুন জানিয়েছেন। মামুন বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক্সিট প্ল্যান নিয়ে মইনের সঙ্গে বারী ও আমিনের বিরোধ হয়। এ সময়ে সেনাবাহিনীর মধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেনাসদস্যরা ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মামুন বলেন, জেনারেল মইনের ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফরের পর এক-এগারো সরকারের পরিকল্পনা পরিবর্তন হতে শুরু করে। এই সময়ে উপদেষ্টা পদ থেকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের পথে হাঁটতে শুরু করে।