নিউজ ডেস্ক
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 10:33 AM
প্রখ্যাত চিকিৎসক ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যুবদলের নেতৃবৃন্দ ও কালের কণ্ঠের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর হাসপাতালে সাবেক যুবদল নেতা মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ সহযোগীদের চাঁদাবাজির ঘটনায় আশানুরূপ ইতিবাচক সাড়া দেওয়ায় তিনি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মঈন উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের এই চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবির ঘটনা কালের কণ্ঠে প্রকাশের পর গত শুক্রবার রাতে তাঁর হাসপাতালে ছুটে যান যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
এ খবর প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।
প্রখ্যাত এই চিকিৎসক জানান, যুবদল নেতারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। শুক্রবার গভীর রাতে তাঁরা রাজধানীর শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে গিয়ে এ কথা জানান।
এ সময় ডা. কামরুল ইসলাম যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে কালের কণ্ঠের দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা করেন। এর আগে সিকেডি হাসপাতালে যুবদলের সাবেক নেতা মো. মঈন উদ্দিন মঈনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজচক্রের হুমকির খবর প্রকাশিত হয়।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে জনৈক মঈন উদ্দিনের চাঁদাবাজি ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত সময়ে পাশে থাকায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন যুবদল নেতা বলে পরিচয় দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সরবরাহকাজের জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। কিন্তু হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অনিয়ম বর্জন করায় সাবেক যুবদল নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেন। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে হাসপাতালে এসে তিনি ‘মব’ তৈরির চেষ্টা চালান তিনি।
এর আগে ২৯ মার্চ হাসপাতালে এসে একজন কর্মচারীকে তিনি হুমকি প্রদান করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ মার্চ শেরেবাংলানগর থানায় জিডি করা হয়।
চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সর্বশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে অত্যন্ত দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। আমরা তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ ছাড়া যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য নেতারা রাত ১টার দিকে খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে এসেছিলেন এবং ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন। উনাদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’ এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও কালের কণ্ঠসহ গণমাধ্যমে ভূমিকার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান এই চিকিৎসক।
প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম নিরলস মানবসেবার জন্য দেশজুড়ে খ্যাতির পাশাপাশি পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক। প্রায় ১৯ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কিডনি প্রতিস্থাপন করা এই অধ্যাপকের অস্ত্রোপচারে সাফল্যের হার ৯৫ শতাংশের বেশি। মানবসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে পান স্বাধীনতা পদক।
জানা যায়, গত বছরের মধ্যভাগে তাঁর হাসপাতালের ওপর নজর পড়ে শেরেবাংলানগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন মঈনের। তাঁর নেতৃত্বে একটি চক্র প্রায় এক বছর ধরে চাপ ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল।
কালের কণ্ঠের হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে কর্মরত একজনকে বারবার ধমক দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।
শুধু তাই নয়, ভেতরে ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। হুমকি দেওয়া এই ব্যক্তিই মঈন উদ্দিন মঈন। তাঁর চাঁদাবাজির চক্রের আরেক সদস্য হলেন মাঈনুদ্দিন। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের খাবার সরবরাহকে কেন্দ্র করেই মূলত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের সাবেক নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে দিয়ে টেন্ডার না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে চক্রটি। এর পর থেকেই চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নানা অজুহাতে চাপ সৃষ্টি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়।
শেরেবাংলানগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁরা অভিযোগের তদন্ত করছেন। সত্যতা পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজ ডেস্ক
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 10:33 AM
প্রখ্যাত চিকিৎসক ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যুবদলের নেতৃবৃন্দ ও কালের কণ্ঠের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর হাসপাতালে সাবেক যুবদল নেতা মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ সহযোগীদের চাঁদাবাজির ঘটনায় আশানুরূপ ইতিবাচক সাড়া দেওয়ায় তিনি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মঈন উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীদের এই চিকিৎসকের কাছে চাঁদা দাবির ঘটনা কালের কণ্ঠে প্রকাশের পর গত শুক্রবার রাতে তাঁর হাসপাতালে ছুটে যান যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
এ খবর প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।
প্রখ্যাত এই চিকিৎসক জানান, যুবদল নেতারা ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। শুক্রবার গভীর রাতে তাঁরা রাজধানীর শ্যামলীতে ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে গিয়ে এ কথা জানান।
এ সময় ডা. কামরুল ইসলাম যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে কালের কণ্ঠের দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার প্রশংসা করেন। এর আগে সিকেডি হাসপাতালে যুবদলের সাবেক নেতা মো. মঈন উদ্দিন মঈনের নেতৃত্বে চাঁদাবাজচক্রের হুমকির খবর প্রকাশিত হয়।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে জনৈক মঈন উদ্দিনের চাঁদাবাজি ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দ্রুত সময়ে পাশে থাকায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
তিনি বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে মঈন উদ্দিন যুবদল নেতা বলে পরিচয় দিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন সরবরাহকাজের জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। কিন্তু হাসপাতালের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অনিয়ম বর্জন করায় সাবেক যুবদল নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেন। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে হাসপাতালে এসে তিনি ‘মব’ তৈরির চেষ্টা চালান তিনি।
এর আগে ২৯ মার্চ হাসপাতালে এসে একজন কর্মচারীকে তিনি হুমকি প্রদান করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ মার্চ শেরেবাংলানগর থানায় জিডি করা হয়।
চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সর্বশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ বিষয়ে অত্যন্ত দ্রুত এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন। আমরা তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এ ছাড়া যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্য নেতারা রাত ১টার দিকে খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে এসেছিলেন এবং ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন। উনাদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।’ এ ছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও কালের কণ্ঠসহ গণমাধ্যমে ভূমিকার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান এই চিকিৎসক।
প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম নিরলস মানবসেবার জন্য দেশজুড়ে খ্যাতির পাশাপাশি পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক। প্রায় ১৯ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কিডনি প্রতিস্থাপন করা এই অধ্যাপকের অস্ত্রোপচারে সাফল্যের হার ৯৫ শতাংশের বেশি। মানবসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২২ সালে পান স্বাধীনতা পদক।
জানা যায়, গত বছরের মধ্যভাগে তাঁর হাসপাতালের ওপর নজর পড়ে শেরেবাংলানগর থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন মঈনের। তাঁর নেতৃত্বে একটি চক্র প্রায় এক বছর ধরে চাপ ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল।
কালের কণ্ঠের হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে কর্মরত একজনকে বারবার ধমক দিচ্ছেন এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।
শুধু তাই নয়, ভেতরে ঢুকে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। হুমকি দেওয়া এই ব্যক্তিই মঈন উদ্দিন মঈন। তাঁর চাঁদাবাজির চক্রের আরেক সদস্য হলেন মাঈনুদ্দিন। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাসপাতালের খাবার সরবরাহকে কেন্দ্র করেই মূলত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। অভিযোগ রয়েছে, যুবদলের সাবেক নেতা মঈন উদ্দিন মঈনকে দিয়ে টেন্ডার না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে চক্রটি। এর পর থেকেই চাঁদা দাবি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং নানা অজুহাতে চাপ সৃষ্টি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়।
শেরেবাংলানগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, তাঁরা অভিযোগের তদন্ত করছেন। সত্যতা পেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।