নিউজ ডেস্ক
১১ এপ্রিল, ২০২৬, 2:28 PM
‘কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এই কারিগরি শিক্ষা এর ওপর আমার গবেষণাপত্র রয়েছে। বাংলাদেশকে যদি আমরা সোসিও-ইকোনমিক্যালি ডেভেলপ করতে চাই, তবে একমাত্র কারিগরি শিক্ষায় তা সম্ভব। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া অন্য কোনো শিক্ষার বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘দিস ইজ দ্যা গভমেন্ট থার্ড সেক্টর। এই সেক্টরকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এবং এটার দায়িত্ব পেয়েছি আমি। কোনো অবস্থাতেই কারিগরি শিক্ষাকে নেগলেক্ট করা যাবে না।’
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ‘স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-২০২৬’ এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বে উপর জোর তিনি শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশকে যদি আমরা ডেভেলপ করতে চায় তাহলে একমাত্র শিক্ষা কারিগরি শিক্ষা। কোন ভাবেই কারিগরি শিক্ষাকে বাদ দিয়ে করা যাবে না। কারিগরি শিক্ষা উন্নত হয়েছে বলেই পৃথিবীতে বড় দেশ গুলো উন্নতি হয়েছে। আত্ম সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষা মানে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা, সেই কারিগরি শিক্ষার কথা বলছি; যেই কারিগরি শিক্ষা হাতে-কলমে শিখতে হবে। যেই কারিগরি শিক্ষা এই দেশকে ডেভেলপ করবে। যেভাবে জার্মান, জাপান, ইউএসএ, কানাডা কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত হয়েছিল বলেই তারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় দেশ হয়েছে। আমি সেই কারিগরি শিক্ষার কথা বলছি।’
তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার মধ্যে যারা উচ্চ পর্যায়ে যাবে, তাদের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই সেই সুযোগ দেওয়া আছে। সেই সুযোগ যারা নিবেন, নিবেন। ‘ইট ইজ লাইকে পিরামিড’ সকলকে পিরামিডে উপচে পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’
অর্থনীতিতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষা হচ্ছে- স্বল্প সময়ে হাতে-কলমে শিখে রুটি রোজগারি করে দেশকে স্বাবলম্বী করা, পরিবারকে স্বচ্ছল করা, সমাজকে সেবা করা। এই কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের রেমিট্যান্স আনতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি এ্যাডেমিয়ার যে লিংকেজের যে প্রয়োজনতা রয়েছে, সেটা আমাদের করতে হবে। কারিক্যুলাম যেটা প্রয়োজন, সেটাই করতে হবে। এখানে বাড়তি পড়ালেখা, অযাচিত পড়ালেখা, সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের সমস্যা আমাদের এ্যাড্রেস করতেই হবে। সকলকে এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আবাসন দেওয়ার মতো সম্পদ আমাদের নেই। কিন্তু একটা মিনিমাম পারসেন্টেজ তো দিতে হবে। যেই জায়গা গুলোতে তোমাদের অপ্রতুল্যতা রয়েছে, সেটা আমরা এ্যাড্রেস করবো। সেজন্য তোমরা বসে থেকো না, কারণ তোমাদেরকে লেখাপড়া করতে হবে। পরিবারকে দেখতে হবে এবং তোমাকে দেশকে দেখতে হবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান। রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউশনে সাড়ে চার হাজার স্টুডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের নামীদামি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে, কিন্তু ছাত্র পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে মানবে ভরপুর। আমাদের দেশে মানুষের কোনো অভাব নেই।
কিন্তু মানবকে সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। এই দায়িত্বটি হচ্ছে সরকারের, এই দায়িত্বটি হচ্ছে এখানে যারা বসা তাদের। তোমরা জানো উন্নত বিশ্বে, বেশি মানুষ মারা যায় আর কম মানুষ জন্মগ্রহণ করে। এই যেমন- জাপান, জার্মান, ক্যানাডা, সাউথ কোরিয়া সহ পৃথিবীর সবক’টি দেশে মানুষের অভাব। আর আল্লাহ আশরাফুল মাখলুকাত এতো বেশি দিয়েছেন যে, সেটিকে আমরা যদি ট্রেইন্ড করতে পারি, এবং তাদেরকে যদি আমরা এক্সপোর্টেবল আইটেম করতে পারি; আমাদের দেশ হবে বিশ্বের সেরা দেশ।
ভবিষ্যতের ভীত গড়তে শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, আমরা আর ওই গ্লানি নিয়ে ঘুরতে চাই না যে, মানুষে ভরা বাংলাদেশ; কিন্তু কাজের লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা হাইলি টেন্সলি, পপুলেটেড কান্ট্রি ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। আমরা চাই- আমরা হবো ড্যান্সলি হিউম্যান ক্যাপিটালে ভরপুর একটি দেশ।
এজন্যই এই সরকারের একটি বড় উদ্যোগ কারিগরি শিক্ষা। আমরা প্রত্যেকটি জায়গায় কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। অতএব, তোমরাই হলো সেই ভাগ্যবান যারা কারিগরি শিক্ষায় আছো।
তিনি অভিভাবক ও শিক্ষকদের বলেন, আপনারা যারা অভিভাবক রয়েছে তাদের সন্তানদের সহযোগিতা করেন। শিক্ষক যারা রয়েছেন আপনাদের সমস্যাগুলি একটি একটি করে এড্রেস করা হবে। কোন টাকেই আনটাচ রাখা হবে না।
শিক্ষায় বিগত সরকারের ব্যর্থতা ও অপচয় সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব আমাদের সমস্যা শোনা এবং তার সমাধান দেওয়া। সরকারের দায়িত্ব সমস্যা বাড়ানো নয়। সরকারের দায়িত্ব যুগ যুগ ধরে সমস্যাকে রেখে দেওয়া নয়। এইখানে আপনাদের বিগত সরকারের সময় শ্রীলংকা থেকে ট্রেনিং করে টাকা নষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু রেজাল্ট আমি দেখিনি। যে যেই ট্রেনিং করেছেন, তার রেজাল্ট আমি দেখতে চাই। যে যা কাজ করবেন তার জবাবদিহিতা দেখতে চাই। এই পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে প্রত্যেকটি ক্লাসরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করতে হবে। ক্লাসরুমে টিচাররা ছাত্রদের কি পড়ায় সেটা আমি ঢাকায় বসে দেখবো। শিক্ষকরা ক্লাসে যান কিনা, তারা পড়ান কিনা, ছাত্ররা ক্লাস করে কিনা সেটাও দেখা হবে। আমাদের সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে।’
সেমিনার শেষে মন্ত্রী পলিটেকনিক মাঠ প্রাঙ্গণে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রতিযোগিতায় রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হয়।
এ সময় রাজশাহী বিভাগী কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ ডেস্ক
১১ এপ্রিল, ২০২৬, 2:28 PM
‘কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। এই কারিগরি শিক্ষা এর ওপর আমার গবেষণাপত্র রয়েছে। বাংলাদেশকে যদি আমরা সোসিও-ইকোনমিক্যালি ডেভেলপ করতে চাই, তবে একমাত্র কারিগরি শিক্ষায় তা সম্ভব। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া অন্য কোনো শিক্ষার বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘দিস ইজ দ্যা গভমেন্ট থার্ড সেক্টর। এই সেক্টরকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এবং এটার দায়িত্ব পেয়েছি আমি। কোনো অবস্থাতেই কারিগরি শিক্ষাকে নেগলেক্ট করা যাবে না।’
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ‘স্কিলস এন্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-২০২৬’ এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বে উপর জোর তিনি শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশকে যদি আমরা ডেভেলপ করতে চায় তাহলে একমাত্র শিক্ষা কারিগরি শিক্ষা। কোন ভাবেই কারিগরি শিক্ষাকে বাদ দিয়ে করা যাবে না। কারিগরি শিক্ষা উন্নত হয়েছে বলেই পৃথিবীতে বড় দেশ গুলো উন্নতি হয়েছে। আত্ম সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি শিক্ষা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষা মানে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা, সেই কারিগরি শিক্ষার কথা বলছি; যেই কারিগরি শিক্ষা হাতে-কলমে শিখতে হবে। যেই কারিগরি শিক্ষা এই দেশকে ডেভেলপ করবে। যেভাবে জার্মান, জাপান, ইউএসএ, কানাডা কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত হয়েছিল বলেই তারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় দেশ হয়েছে। আমি সেই কারিগরি শিক্ষার কথা বলছি।’
তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার মধ্যে যারা উচ্চ পর্যায়ে যাবে, তাদের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই সেই সুযোগ দেওয়া আছে। সেই সুযোগ যারা নিবেন, নিবেন। ‘ইট ইজ লাইকে পিরামিড’ সকলকে পিরামিডে উপচে পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই।’
অর্থনীতিতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষা হচ্ছে- স্বল্প সময়ে হাতে-কলমে শিখে রুটি রোজগারি করে দেশকে স্বাবলম্বী করা, পরিবারকে স্বচ্ছল করা, সমাজকে সেবা করা। এই কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে আমাদের রেমিট্যান্স আনতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি এ্যাডেমিয়ার যে লিংকেজের যে প্রয়োজনতা রয়েছে, সেটা আমাদের করতে হবে। কারিক্যুলাম যেটা প্রয়োজন, সেটাই করতে হবে। এখানে বাড়তি পড়ালেখা, অযাচিত পড়ালেখা, সময় নষ্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের সমস্যা আমাদের এ্যাড্রেস করতেই হবে। সকলকে এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আবাসন দেওয়ার মতো সম্পদ আমাদের নেই। কিন্তু একটা মিনিমাম পারসেন্টেজ তো দিতে হবে। যেই জায়গা গুলোতে তোমাদের অপ্রতুল্যতা রয়েছে, সেটা আমরা এ্যাড্রেস করবো। সেজন্য তোমরা বসে থেকো না, কারণ তোমাদেরকে লেখাপড়া করতে হবে। পরিবারকে দেখতে হবে এবং তোমাকে দেশকে দেখতে হবে।’
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান। রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউশনে সাড়ে চার হাজার স্টুডেন্ট। কিন্তু বিশ্বের নামীদামি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে, কিন্তু ছাত্র পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে মানবে ভরপুর। আমাদের দেশে মানুষের কোনো অভাব নেই।
কিন্তু মানবকে সম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। এই দায়িত্বটি হচ্ছে সরকারের, এই দায়িত্বটি হচ্ছে এখানে যারা বসা তাদের। তোমরা জানো উন্নত বিশ্বে, বেশি মানুষ মারা যায় আর কম মানুষ জন্মগ্রহণ করে। এই যেমন- জাপান, জার্মান, ক্যানাডা, সাউথ কোরিয়া সহ পৃথিবীর সবক’টি দেশে মানুষের অভাব। আর আল্লাহ আশরাফুল মাখলুকাত এতো বেশি দিয়েছেন যে, সেটিকে আমরা যদি ট্রেইন্ড করতে পারি, এবং তাদেরকে যদি আমরা এক্সপোর্টেবল আইটেম করতে পারি; আমাদের দেশ হবে বিশ্বের সেরা দেশ।
ভবিষ্যতের ভীত গড়তে শিক্ষার্থীদের তিনি বলেন, আমরা আর ওই গ্লানি নিয়ে ঘুরতে চাই না যে, মানুষে ভরা বাংলাদেশ; কিন্তু কাজের লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা হাইলি টেন্সলি, পপুলেটেড কান্ট্রি ইন দ্যা ওয়ার্ল্ড। আমরা চাই- আমরা হবো ড্যান্সলি হিউম্যান ক্যাপিটালে ভরপুর একটি দেশ।
এজন্যই এই সরকারের একটি বড় উদ্যোগ কারিগরি শিক্ষা। আমরা প্রত্যেকটি জায়গায় কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। অতএব, তোমরাই হলো সেই ভাগ্যবান যারা কারিগরি শিক্ষায় আছো।
তিনি অভিভাবক ও শিক্ষকদের বলেন, আপনারা যারা অভিভাবক রয়েছে তাদের সন্তানদের সহযোগিতা করেন। শিক্ষক যারা রয়েছেন আপনাদের সমস্যাগুলি একটি একটি করে এড্রেস করা হবে। কোন টাকেই আনটাচ রাখা হবে না।
শিক্ষায় বিগত সরকারের ব্যর্থতা ও অপচয় সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব আমাদের সমস্যা শোনা এবং তার সমাধান দেওয়া। সরকারের দায়িত্ব সমস্যা বাড়ানো নয়। সরকারের দায়িত্ব যুগ যুগ ধরে সমস্যাকে রেখে দেওয়া নয়। এইখানে আপনাদের বিগত সরকারের সময় শ্রীলংকা থেকে ট্রেনিং করে টাকা নষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু রেজাল্ট আমি দেখিনি। যে যেই ট্রেনিং করেছেন, তার রেজাল্ট আমি দেখতে চাই। যে যা কাজ করবেন তার জবাবদিহিতা দেখতে চাই। এই পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে প্রত্যেকটি ক্লাসরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করতে হবে। ক্লাসরুমে টিচাররা ছাত্রদের কি পড়ায় সেটা আমি ঢাকায় বসে দেখবো। শিক্ষকরা ক্লাসে যান কিনা, তারা পড়ান কিনা, ছাত্ররা ক্লাস করে কিনা সেটাও দেখা হবে। আমাদের সবাইকে জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে।’
সেমিনার শেষে মন্ত্রী পলিটেকনিক মাঠ প্রাঙ্গণে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রতিযোগিতায় রাজশাহী অঞ্চলের ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৪টি উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শিত হয়।
এ সময় রাজশাহী বিভাগী কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।