নিউজ ডেস্ক
০৮ এপ্রিল, ২০২৬, 11:33 AM
কক্সবাজারে মঙ্গলবার রাত ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে শুরু হয় কাল বৈশাখী। এসময় শুরু হয় তীব্র বেগে বাতাস। তার সাথে যুক্ত হয় বৃষ্টি। কক্সবাজার পর্যটন শহরের প্রধান প্রধান সড়কে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা উড়তে দেখা যায় এসময়।কিছু সময়ের জন্যে যান ও মানুষের চলাচলে ঘটে বিঘ্ন।
তবে কক্সবাজার হাওয়া দপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেছেন, ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে এই দমকা হাওয়া বয়ে যায়। ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী থাকে এটি।
আব্দুল হান্নান বলেন, এরকম পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বিরাজ করতে পারে। যে কোনো সময় তীব্র বেগে বাতাস, বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। আগামী শনি, রবিবার থেকে তাপ মাত্রা বাড়বে।বৈশাখের যে খরতাপ তা অনুভূত হতে পারে।
মঙ্গলবার ভোররাত তিনটায় প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার ২০ ঘন্টা না যেতেই রাতে আবারো কাল বৈশাখীর কবলে পড়লো কক্সবাজার।
ভোর রাতে চলা কালবৈশাখীর তান্ডবে রামুর একটি বৌদ্ধ মন্দিরের বড় বটগাছ উপড়ে গেছে, আর কিছু কাঁচা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার রাতের এই কাল বৈশাখী জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ও কাচা ঘরবাড়ি চালা উপড়ে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবরপাওয়া গেছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক খুটির উপর গাছ ও ঢালপালা ভেঙ্গে পড়ায় রাত ১১ টা ১০ মিনিটের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় পুরো জেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত।
নিউজ ডেস্ক
০৮ এপ্রিল, ২০২৬, 11:33 AM
কক্সবাজারে মঙ্গলবার রাত ১১ টা ১০ মিনিটের দিকে শুরু হয় কাল বৈশাখী। এসময় শুরু হয় তীব্র বেগে বাতাস। তার সাথে যুক্ত হয় বৃষ্টি। কক্সবাজার পর্যটন শহরের প্রধান প্রধান সড়কে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা উড়তে দেখা যায় এসময়।কিছু সময়ের জন্যে যান ও মানুষের চলাচলে ঘটে বিঘ্ন।
তবে কক্সবাজার হাওয়া দপ্তরের সহকারি আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বলেছেন, ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার বেগে এই দমকা হাওয়া বয়ে যায়। ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী থাকে এটি।
আব্দুল হান্নান বলেন, এরকম পরিস্থিতি আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বিরাজ করতে পারে। যে কোনো সময় তীব্র বেগে বাতাস, বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। আগামী শনি, রবিবার থেকে তাপ মাত্রা বাড়বে।বৈশাখের যে খরতাপ তা অনুভূত হতে পারে।
মঙ্গলবার ভোররাত তিনটায় প্রচন্ড বেগে কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার ২০ ঘন্টা না যেতেই রাতে আবারো কাল বৈশাখীর কবলে পড়লো কক্সবাজার।
ভোর রাতে চলা কালবৈশাখীর তান্ডবে রামুর একটি বৌদ্ধ মন্দিরের বড় বটগাছ উপড়ে গেছে, আর কিছু কাঁচা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে মঙ্গলবার রাতের এই কাল বৈশাখী জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ও কাচা ঘরবাড়ি চালা উপড়ে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবরপাওয়া গেছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক খুটির উপর গাছ ও ঢালপালা ভেঙ্গে পড়ায় রাত ১১ টা ১০ মিনিটের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় পুরো জেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত।