CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ এপ্রিল, ২০২৬

৫ আগস্টের পর করা সব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে

#
news image

গণঅভ্যুত্থানের পর সারা দেশে দায়ের হওয়া সব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অনেকই ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। 

চিফ প্রসিকিউটর জানান, অনেক মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন পর্যন্ত আসামি করা হয়েছে। তবে সব আসামি দোষী নয় এমন ধারণা থেকেই মামলাগুলো যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃত দোষীদের পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষও অনেক ক্ষেত্রে আসামি হচ্ছেন, যা বিচার ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।

তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থাকে সারা দেশের সব মামলার তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০০ থেকে ৭০০ মামলার কপি জমা পড়েছে এবং শিগগিরই বাকি মামলাগুলোর তথ্যও পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি বিশেষ টিম গঠন করে প্রতিটি মামলা খতিয়ে দেখা হবে, যাতে কোনো দোষী ব্যক্তি পার পেয়ে না যায় এবং নির্দোষ কেউ হয়রানির শিকার না হন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা বা ‘মামলা বাণিজ্য’ প্রতিরোধেও নজর রাখা হবে। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

এ ছাড়া অতীতে সংঘটিত ক্রসফায়ারের ঘটনাগুলো নিয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি। তার মতে, এসব ঘটনায় একই ধরনের প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়, যা পরিকল্পিত অপরাধ এবং ব্যাপক আকারে সংঘটিত হামলার ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, এসব ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে সারা দেশের ক্রসফায়ার-সংক্রান্ত মামলাগুলোর কপি সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে যেসব মামলা ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়ে, সেগুলোর বিচার করা হবে।

নিউজ ডেস্ক

০১ এপ্রিল, ২০২৬,  12:09 PM

news image

গণঅভ্যুত্থানের পর সারা দেশে দায়ের হওয়া সব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর যেসব মামলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অনেকই ট্রাইব্যুনালের আওতাধীন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। 

চিফ প্রসিকিউটর জানান, অনেক মামলায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন পর্যন্ত আসামি করা হয়েছে। তবে সব আসামি দোষী নয় এমন ধারণা থেকেই মামলাগুলো যাচাই-বাছাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃত দোষীদের পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষও অনেক ক্ষেত্রে আসামি হচ্ছেন, যা বিচার ব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।

তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থাকে সারা দেশের সব মামলার তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০০ থেকে ৭০০ মামলার কপি জমা পড়েছে এবং শিগগিরই বাকি মামলাগুলোর তথ্যও পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমিনুল ইসলাম বলেন, একটি বিশেষ টিম গঠন করে প্রতিটি মামলা খতিয়ে দেখা হবে, যাতে কোনো দোষী ব্যক্তি পার পেয়ে না যায় এবং নির্দোষ কেউ হয়রানির শিকার না হন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা বা ‘মামলা বাণিজ্য’ প্রতিরোধেও নজর রাখা হবে। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

এ ছাড়া অতীতে সংঘটিত ক্রসফায়ারের ঘটনাগুলো নিয়েও তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি। তার মতে, এসব ঘটনায় একই ধরনের প্যাটার্ন লক্ষ্য করা যায়, যা পরিকল্পিত অপরাধ এবং ব্যাপক আকারে সংঘটিত হামলার ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, এসব ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। ইতোমধ্যে সারা দেশের ক্রসফায়ার-সংক্রান্ত মামলাগুলোর কপি সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে যেসব মামলা ট্রাইব্যুনালের আওতায় পড়ে, সেগুলোর বিচার করা হবে।