নিউজ ডেস্ক
০১ এপ্রিল, ২০২৬, 12:07 PM
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথে লাইটার জাহাজ চলাচলেও চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা বড় জাহাজের আমদানি পণ্য পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
লাইটারেজ জাহাজ মালিকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তারা চট্টগ্রামের ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সরবরাহকারী সংস্থা পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা থেকে খুব কম পরিমাণে তেল পাচ্ছেন, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
চাহিদার বিপরীতে ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছে না লাইটার জাহাজগুলো। সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে স্থবির হয়ে পড়তে পারে পণ্য পরিবহন। সেইসঙ্গে যথাসময়ে লাইটার না মেলায় বড় জাহাজগুলোকে বহির্নোঙরে বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় থেকে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।
জ্বালানির এ সংকট নিরসন চেয়ে লাইটার জাহাজ মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই দফায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বরাবরে চিঠিও দিলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত বড় জাহাজ (মাদার ভ্যাসেল) থেকে পণ্য খালাস করে দেশের ৫০টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে পণ্য পরিবহন করে থাকে লাইটার জাহাজগুলো। এসব জাহাজের জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়।
মেরিন ফূয়েল ডিলাররা রাষ্ট্র পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার ডিপো থেকে ডিজেল সংগ্রহ করে ট্যাংকারের মাধ্যমে লাইটার জাহাজে ডিজেল সরবরাহ করে থাকে।
নৌপথে চলাচলকারী বেশিরভাগ লাইটার জাহাজের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি)। তাদের নিবন্ধিত লাইটার সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০ হলেও ১ হাজার ৫০টির মত লাইটার জাহাজ নিয়মিত পণ্য পরিবহন করছে। এর বাইরে বিভিন্ন শিল্পগ্রুপের মালিকানাধীন আড়াইশর বেশি লাইটার জাহাজ রয়েছে।
বিডব্লিউটিসিসির হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি লাইটার জাহাজ বুকিং হয়ে থাকে। সেগুলোর বড় জাহাজে পণ্য খালাস করতে যাওয়া এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে গড়ে আড়াই লাখ লিটার ডিজেল দরকার হয়। কিন্তু এই চাহিদার বিপরীতে মেরিন ডিলারদের কাছ থেকে ৬০ থেকে ৭০ হাজার লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে বলে সংস্থাটির ভাষ্য।
সংস্থাটির আহ্বায়ক হাজী শফিক আহমেদ বলেন, “তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা চাহিদা অনুযায়ী মেরিন ডিলারদের ডিজেল সরবরাহ দিচ্ছে না। তাদের আছ থেকেও আমরা পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না।
‘‘যতটুকু তেল দিচ্ছে তা দিয়ে লাইটারগুলো মাদার ভ্যাসেল থেকে নিয়মিতভাবে পণ্য বোঝাই করতে ব্যর্থ হচ্ছে। পণ্য বোঝাই করলেও মালামাল পরিবহন করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের চেয়েও পাঁচ থেকে সাতদিন বেশি অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।”
সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও মিউচুয়াল শিপিংয়ের মালিক পারভেজ আহমেদ বলেন, “আমাদের কোনো তেলের ডিলারশিপ নেই, মেরিন ডিলারদের কাছ থেকেই তেল সংগ্রহ করে থাকি। কিন্তু তারা পর্যাপ্ত তেল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “চাহিদার বিপরীতে যে তেল লাইটার জাহাজগুলো পাচ্ছে, তা দিয়ে বহির্নোঙরে গিয়ে বড় জাহাজ থেকে পণ্য বোঝাই করা গেলেও নৌপথে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না। কোনোরকমে গেলেও সেটা পুনরায় ফিরে আসতে পারছে না।”
তাদের হিসাবে, বহির্নোঙর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকায় যেতে ও ফিরে আসতে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও পাওয়া যাচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ লিটার। এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়তে পারে।
পারভেজ আহমেদ বলেন, “বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেলগুলো থেকে নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য খালাস করা না গেলে তাদের অতিরিক্ত মাশুল দিতে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ভালো নয়। লাইটারগুলো কম তেল পেলেও মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিঘ্ন হতে দিচ্ছি না। তবে পরবর্তী গন্তব্যে যাবার জন্য পাঁচ থেকে সাতদিন পর্যন্ত বসে থাকতে হচ্ছে।”
জ্বালানি তেল সংকটের সমাধান চেয়ে সোমবার বিদ্যুৎমন্ত্রীর কাছে বিডব্লিউটিসিসি আহবায়ক শফিক আহমেদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের সংকটে লাইটার জাহাজগুলো মাদার ভ্যাসেল থেকে নিয়মিত মালামাল লোডিংয়ে যেতে পারছে না। এমনকি পণ্যবোঝাই করে খালাসের উদেশ্যে যেতে পারছে না।
চিঠিতে বলা হয়, এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে বন্দরে আসা মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে লাইটার জাহাজগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা দরকার। এজন্য সরবরাহকারী সংস্থার অধীন মেরিন ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী তেল প্রদানের অনুরোধ।
বিডব্লিউটিসিসির আহবায়ক শফিক আহমেদ বলেন, সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় প্রতি টন পণ্য পরিবহনে খরচ হয় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। অপরদিকে লাইটার জাহাজে প্রতি টন পণ্যের ভাড়া পড়ে সাড়ে ৫০০ টাকা। সবচেয়ে কম টাকায় পণ্য পরিবহন করা গেলেও নৌপথকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি লাইটার জাহাজে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরে বলেন, “সড়কের মত জলপথে কোনো পেট্রোল পাম্প নেই। তেল নেওয়ার জন্য চট্টগ্রামে মেরিন ডিলারদের ওপরই র্নিভর করতে হয়। নির্দিষ্ট গন্তব্যে গিয়ে ফিরে না আসা পর্যন্ত কোথাও থেকে জ্বলানি ভরার সুযোগ নেই। অথচ আমরা জাহাজ প্রতি যে তেল পাচ্ছি, তা দিয়ে মালামাল বোঝাইয়ের পর গন্তব্যে গিয়ে ফিরে আসা সম্ভব না।”
বন্দরের হিসাব অনুযায়ী, “প্রায় ৮০টি মাদার ভ্যাসেল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও কুতুবদিয়া চ্যানেলে অবস্থান করছে। এসব জাহাজে গম, অন্যান্য খাদ্যশস্য, সার এবং শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।
নিউজ ডেস্ক
০১ এপ্রিল, ২০২৬, 12:07 PM
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথে লাইটার জাহাজ চলাচলেও চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে থাকা বড় জাহাজের আমদানি পণ্য পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
লাইটারেজ জাহাজ মালিকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তারা চট্টগ্রামের ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সরবরাহকারী সংস্থা পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা থেকে খুব কম পরিমাণে তেল পাচ্ছেন, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
চাহিদার বিপরীতে ডিপোগুলো থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছে না লাইটার জাহাজগুলো। সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে স্থবির হয়ে পড়তে পারে পণ্য পরিবহন। সেইসঙ্গে যথাসময়ে লাইটার না মেলায় বড় জাহাজগুলোকে বহির্নোঙরে বেশি সময় ধরে অপেক্ষায় থেকে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।
জ্বালানির এ সংকট নিরসন চেয়ে লাইটার জাহাজ মালিকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে দুই দফায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বরাবরে চিঠিও দিলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।
চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত বড় জাহাজ (মাদার ভ্যাসেল) থেকে পণ্য খালাস করে দেশের ৫০টি অভ্যন্তরীণ নৌরুটে পণ্য পরিবহন করে থাকে লাইটার জাহাজগুলো। এসব জাহাজের জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়।
মেরিন ফূয়েল ডিলাররা রাষ্ট্র পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার ডিপো থেকে ডিজেল সংগ্রহ করে ট্যাংকারের মাধ্যমে লাইটার জাহাজে ডিজেল সরবরাহ করে থাকে।
নৌপথে চলাচলকারী বেশিরভাগ লাইটার জাহাজের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি)। তাদের নিবন্ধিত লাইটার সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০০ হলেও ১ হাজার ৫০টির মত লাইটার জাহাজ নিয়মিত পণ্য পরিবহন করছে। এর বাইরে বিভিন্ন শিল্পগ্রুপের মালিকানাধীন আড়াইশর বেশি লাইটার জাহাজ রয়েছে।
বিডব্লিউটিসিসির হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৮০টি লাইটার জাহাজ বুকিং হয়ে থাকে। সেগুলোর বড় জাহাজে পণ্য খালাস করতে যাওয়া এবং সেখান থেকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে গড়ে আড়াই লাখ লিটার ডিজেল দরকার হয়। কিন্তু এই চাহিদার বিপরীতে মেরিন ডিলারদের কাছ থেকে ৬০ থেকে ৭০ হাজার লিটার তেল পাওয়া যাচ্ছে বলে সংস্থাটির ভাষ্য।
সংস্থাটির আহ্বায়ক হাজী শফিক আহমেদ বলেন, “তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা চাহিদা অনুযায়ী মেরিন ডিলারদের ডিজেল সরবরাহ দিচ্ছে না। তাদের আছ থেকেও আমরা পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছি না।
‘‘যতটুকু তেল দিচ্ছে তা দিয়ে লাইটারগুলো মাদার ভ্যাসেল থেকে নিয়মিতভাবে পণ্য বোঝাই করতে ব্যর্থ হচ্ছে। পণ্য বোঝাই করলেও মালামাল পরিবহন করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। তাদের নির্দিষ্ট সময়ের চেয়েও পাঁচ থেকে সাতদিন বেশি অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে। এতে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।”
সংস্থাটির অন্যতম পরিচালক ও মিউচুয়াল শিপিংয়ের মালিক পারভেজ আহমেদ বলেন, “আমাদের কোনো তেলের ডিলারশিপ নেই, মেরিন ডিলারদের কাছ থেকেই তেল সংগ্রহ করে থাকি। কিন্তু তারা পর্যাপ্ত তেল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “চাহিদার বিপরীতে যে তেল লাইটার জাহাজগুলো পাচ্ছে, তা দিয়ে বহির্নোঙরে গিয়ে বড় জাহাজ থেকে পণ্য বোঝাই করা গেলেও নৌপথে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না। কোনোরকমে গেলেও সেটা পুনরায় ফিরে আসতে পারছে না।”
তাদের হিসাবে, বহির্নোঙর থেকে অভ্যন্তরীণ নৌপথে ঢাকায় যেতে ও ফিরে আসতে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন হলেও পাওয়া যাচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ লিটার। এ অবস্থায় অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য পরিবহন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়তে পারে।
পারভেজ আহমেদ বলেন, “বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেলগুলো থেকে নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য খালাস করা না গেলে তাদের অতিরিক্ত মাশুল দিতে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য ভালো নয়। লাইটারগুলো কম তেল পেলেও মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া বিঘ্ন হতে দিচ্ছি না। তবে পরবর্তী গন্তব্যে যাবার জন্য পাঁচ থেকে সাতদিন পর্যন্ত বসে থাকতে হচ্ছে।”
জ্বালানি তেল সংকটের সমাধান চেয়ে সোমবার বিদ্যুৎমন্ত্রীর কাছে বিডব্লিউটিসিসি আহবায়ক শফিক আহমেদের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের সংকটে লাইটার জাহাজগুলো মাদার ভ্যাসেল থেকে নিয়মিত মালামাল লোডিংয়ে যেতে পারছে না। এমনকি পণ্যবোঝাই করে খালাসের উদেশ্যে যেতে পারছে না।
চিঠিতে বলা হয়, এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে বন্দরে আসা মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে লাইটার জাহাজগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা দরকার। এজন্য সরবরাহকারী সংস্থার অধীন মেরিন ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী তেল প্রদানের অনুরোধ।
বিডব্লিউটিসিসির আহবায়ক শফিক আহমেদ বলেন, সড়কপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় প্রতি টন পণ্য পরিবহনে খরচ হয় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। অপরদিকে লাইটার জাহাজে প্রতি টন পণ্যের ভাড়া পড়ে সাড়ে ৫০০ টাকা। সবচেয়ে কম টাকায় পণ্য পরিবহন করা গেলেও নৌপথকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি লাইটার জাহাজে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি তুলে ধরে বলেন, “সড়কের মত জলপথে কোনো পেট্রোল পাম্প নেই। তেল নেওয়ার জন্য চট্টগ্রামে মেরিন ডিলারদের ওপরই র্নিভর করতে হয়। নির্দিষ্ট গন্তব্যে গিয়ে ফিরে না আসা পর্যন্ত কোথাও থেকে জ্বলানি ভরার সুযোগ নেই। অথচ আমরা জাহাজ প্রতি যে তেল পাচ্ছি, তা দিয়ে মালামাল বোঝাইয়ের পর গন্তব্যে গিয়ে ফিরে আসা সম্ভব না।”
বন্দরের হিসাব অনুযায়ী, “প্রায় ৮০টি মাদার ভ্যাসেল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর ও কুতুবদিয়া চ্যানেলে অবস্থান করছে। এসব জাহাজে গম, অন্যান্য খাদ্যশস্য, সার এবং শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে।