CKEditor 5 Sample
ঢাকা ১৪ মার্চ, ২০২৬

ইফতারে সেরা পানীয়, ডাবের পানি নাকি আখের রস

#
news image

সারাদিন রোজা রাখার পর এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় শরীরে তৃপ্তি এনে দেয়। ঠান্ডা পানীয় শরীরকে ভেতর থেকে হাইড্রেট এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ঠান্ডা ভাব কমে প্রকৃতিতে এখন একটু একটু গরম অনুভূত হচ্ছে। এ সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেরই পছন্দ ডাবের পানি। কেউ কেউ আখের রস খেতেও পছন্দ করেন। ইফতারে দীর্ঘ সময় তৃষ্ণার্ত থাকার পর শরীরকে রিহাইড্রেট করা এবং তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া সবচেয়ে জরুরি। ডাবের পানি এবং আখের রস—দুটোই প্রাকৃতিক পানীয় হলেও এদের পুষ্টিগুণ ও কার্যকারিতা ভিন্ন।

ইফতারে পানীয়
তীব্র গরমের রোজায় ইফতারে পানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুস্থতা ও হজমের বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন। এ দুটি পানীয়র পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা একেবারেই আলাদা।

১. ডাবের পানি : খনিজ উপাদানের ভান্ডার
ডাবের পানিকে বলা হয় প্রাকৃতিক স্যালাইন। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে।

উপকারিতা : এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনে। এতে ক্যালরি খুব কম এবং কোনো বাড়তি চিনি নেই, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

কেন খাবেন : দীর্ঘ সময় পর শরীর যখন পানিশূন্য হয়ে পড়ে, তখন ডাবের পানি দ্রুত ক্লান্তি দূর করে এবং কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখে।

সতর্কতা : যাদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি বা গুরুতর কিডনি জটিলতা আছে, তাদের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. আখের রস : তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস
আখের রস হলো প্রাকৃতিক শর্করার আধার। এতে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে।

উপকারিতা : এটি শরীরের লিভারকে সচল রাখতে এবং জন্ডিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। ইফতারের পর যাদের খুব বেশি দুর্বল লাগে, আখের রস তাদের গ্লুকোজ লেভেল দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।

কেন খাবেন : এটি আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজের ভালো উৎস, যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

সতর্কতা : এতে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিক রোগীদের এটি এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া রাস্তার ধারের খোলা আখের রসে জীবাণুর ভয় থাকে।

কোনটি বেছে নেবেন?
ইফতারে ডাবের পানি বেশি স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ এটি পাকস্থলীর জন্য হালকা এবং এর খনিজ উপাদান শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে আখের রসের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

তবে আপনি যদি খুব বেশি দুর্বল বোধ করেন এবং আপনার ডায়াবেটিস না থাকে, তবে মাঝেমধ্যে আখের রস পান করতে পারেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি টাটকা রস পান করার চেষ্টা করবেন।

নিউজ ডেস্ক

১৩ মার্চ, ২০২৬,  3:47 PM

news image
ফাইল ছবি

সারাদিন রোজা রাখার পর এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় শরীরে তৃপ্তি এনে দেয়। ঠান্ডা পানীয় শরীরকে ভেতর থেকে হাইড্রেট এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। ঠান্ডা ভাব কমে প্রকৃতিতে এখন একটু একটু গরম অনুভূত হচ্ছে। এ সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে অনেকেরই পছন্দ ডাবের পানি। কেউ কেউ আখের রস খেতেও পছন্দ করেন। ইফতারে দীর্ঘ সময় তৃষ্ণার্ত থাকার পর শরীরকে রিহাইড্রেট করা এবং তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া সবচেয়ে জরুরি। ডাবের পানি এবং আখের রস—দুটোই প্রাকৃতিক পানীয় হলেও এদের পুষ্টিগুণ ও কার্যকারিতা ভিন্ন।

ইফতারে পানীয়
তীব্র গরমের রোজায় ইফতারে পানীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে সুস্থতা ও হজমের বিষয়টি মাথায় রাখা প্রয়োজন। এ দুটি পানীয়র পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা একেবারেই আলাদা।

১. ডাবের পানি : খনিজ উপাদানের ভান্ডার
ডাবের পানিকে বলা হয় প্রাকৃতিক স্যালাইন। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম থাকে।

উপকারিতা : এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য দ্রুত ফিরিয়ে আনে। এতে ক্যালরি খুব কম এবং কোনো বাড়তি চিনি নেই, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

কেন খাবেন : দীর্ঘ সময় পর শরীর যখন পানিশূন্য হয়ে পড়ে, তখন ডাবের পানি দ্রুত ক্লান্তি দূর করে এবং কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখে।

সতর্কতা : যাদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেশি বা গুরুতর কিডনি জটিলতা আছে, তাদের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. আখের রস : তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস
আখের রস হলো প্রাকৃতিক শর্করার আধার। এতে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে।

উপকারিতা : এটি শরীরের লিভারকে সচল রাখতে এবং জন্ডিস প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। ইফতারের পর যাদের খুব বেশি দুর্বল লাগে, আখের রস তাদের গ্লুকোজ লেভেল দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।

কেন খাবেন : এটি আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজের ভালো উৎস, যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

সতর্কতা : এতে উচ্চমাত্রায় চিনি থাকায় ডায়াবেটিক রোগীদের এটি এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া রাস্তার ধারের খোলা আখের রসে জীবাণুর ভয় থাকে।

কোনটি বেছে নেবেন?
ইফতারে ডাবের পানি বেশি স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ এটি পাকস্থলীর জন্য হালকা এবং এর খনিজ উপাদান শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে আখের রসের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

তবে আপনি যদি খুব বেশি দুর্বল বোধ করেন এবং আপনার ডায়াবেটিস না থাকে, তবে মাঝেমধ্যে আখের রস পান করতে পারেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি টাটকা রস পান করার চেষ্টা করবেন।