CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০৭ জুন, ২০২৬

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোচনায় জিনাত আরা 

#
news image

জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনাজপুর জেলা শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মোছা. জিনাত আরা আহমেদ। দিনাজপুর-৩ (সংসদীয় আসন নং-৮) এলাকা থেকে তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে দেখছেন এলাকার জ্ঞানী-গুণী রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনরা। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি বর্তমানে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দলীয় মহলে আলোচনায় রয়েছেন। 

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনাজপুর জেলা শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলভিত্তিক সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রী ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনীতির পাশাপাশি নারী অধিকার, সামাজিক সচেতনতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ তাকে এলাকায় একজন জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেত্রী হিসেবে পরিচিত করেছে।

জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জিনাত আরা আহমেদ। পরবর্তী সময়ে ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের বিরল উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এরপর ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছর বিরল উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হন। একই সময়ে তিনি ওই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অবদান ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপি বিরল উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিরল উপজেলা বিএনপির সদস্য, দিনাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উপদেষ্টা, দিনাজপুর জেলা বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় ঘটে ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর। সেদিন কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে মহিলা দলের একটি মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন এবং তার দুই হাত ভেঙে যায়। হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে তার দুই হাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো রড এখনো সেই ঘটনার সাক্ষ্য বহন করছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেরই মতে, তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা, রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার মতো ত্যাগের ইতিহাস এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সুদৃঢ় রাজনৈতিক যোগাযোগ সব মিলিয়ে মোছা. জিনাত আরা আহমেদ সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে দলের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী মুখ হতে পারেন। তার মতো পরীক্ষিত নেত্রীকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা শুধু নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেই নয়, তৃণমূল রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসা জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য। তিনি সাবেক সেনাপ্রধান ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুর রহমানের ছোট বোন। 

এ ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তার পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় রাজনীতির বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে তার সুদৃঢ় যোগাযোগ রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করে। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় রয়েছেন জিনাত আরা আহমেদ। দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের সহায়তা, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা নেতৃত্ব পর্যন্ত দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা, রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার মতো ত্যাগের ইতিহাস এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সুদৃঢ় রাজনৈতিক যোগাযোগ সব মিলিয়ে মোছা. জিনাত আরা আহমেদ সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে দলের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী মুখ হতে পারেন। তার মতো পরীক্ষিত নেত্রীকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

দিনাজপুর প্রতিনিধি

০৮ মার্চ, ২০২৬,  11:04 PM

news image

জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনাজপুর জেলা শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক মোছা. জিনাত আরা আহমেদ। দিনাজপুর-৩ (সংসদীয় আসন নং-৮) এলাকা থেকে তাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাবনাময় মুখ হিসেবে দেখছেন এলাকার জ্ঞানী-গুণী রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্টজনরা। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত ধারাবাহিক সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি বর্তমানে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দলীয় মহলে আলোচনায় রয়েছেন। 

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দিনাজপুর জেলা শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলভিত্তিক সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নেত্রী ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। রাজনীতির পাশাপাশি নারী অধিকার, সামাজিক সচেতনতা ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ তাকে এলাকায় একজন জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেত্রী হিসেবে পরিচিত করেছে।

জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জিনাত আরা আহমেদ। পরবর্তী সময়ে ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের বিরল উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এরপর ২০০৪ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছর বিরল উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃণমূল পর্যায়ে একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সক্ষম হন। একই সময়ে তিনি ওই কমিটির সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় অবদান ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি বিএনপি বিরল উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিরল উপজেলা বিএনপির সদস্য, দিনাজপুর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উপদেষ্টা, দিনাজপুর জেলা বিএনপির মহিলাবিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার রাজনৈতিক জীবনের একটি বেদনাদায়ক অধ্যায় ঘটে ২০১৩ সালের ২৯ অক্টোবর। সেদিন কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত ৭২ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে মহিলা দলের একটি মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন এবং তার দুই হাত ভেঙে যায়। হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন, তবে তার দুই হাতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো রড এখনো সেই ঘটনার সাক্ষ্য বহন করছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেরই মতে, তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় পর্যন্ত দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা, রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার মতো ত্যাগের ইতিহাস এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সুদৃঢ় রাজনৈতিক যোগাযোগ সব মিলিয়ে মোছা. জিনাত আরা আহমেদ সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে দলের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী মুখ হতে পারেন। তার মতো পরীক্ষিত নেত্রীকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা শুধু নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেই নয়, তৃণমূল রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করে আসা জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতেও তার পারিবারিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্য। তিনি সাবেক সেনাপ্রধান ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুর রহমানের ছোট বোন। 

এ ছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তার পারিবারিক আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে। ফলে কেন্দ্রীয় রাজনীতির বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে তার সুদৃঢ় যোগাযোগ রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করে। রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় রয়েছেন জিনাত আরা আহমেদ। দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের সহায়তা, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা নেতৃত্ব পর্যন্ত দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা, রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হওয়ার মতো ত্যাগের ইতিহাস এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সুদৃঢ় রাজনৈতিক যোগাযোগ সব মিলিয়ে মোছা. জিনাত আরা আহমেদ সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য পদে দলের জন্য একটি গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী মুখ হতে পারেন। তার মতো পরীক্ষিত নেত্রীকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।