CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

কর্পোরেট কমপ্লায়েন্স ও প্রবৃদ্ধির জন্য ইএসজি

#
news image

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্পোরেট কমপ্লায়েন্স এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি)-এর গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীর গুলশানে “সাসটেইনেবিলিটি ফান্ডামেন্টালস: ইএসজি ফর কর্পোরেট কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড গ্রোথ” শীর্ষক সারাদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হোটেল বেঙ্গল কেনেরি পার্কে কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস), এসবিসি বাংলাদেশ, লিন সিক্স সিগমা আইটি সলিউশনস এবং সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড।

মূল আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত
কর্মশালায় বক্তারা ইএসজি-কে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য অপরিহার্য মানদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার (চেয়ারম্যান, ক্যাপস): তিনি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, "বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের ধারায় এখন প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ইএসজি মানদণ্ডে নিজেদের মূল্যায়ন করতে হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠান কতটা পরিবেশবান্ধব, কর্মীদের প্রতি কতটা দায়িত্বশীল এবং প্রশাসনিকভাবে কতটা স্বচ্ছ—এসবই এখন সাফল্য নির্ধারণ করছে। বাংলাদেশ শিল্পোন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে চললেও ইএসজি একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা।"

অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন (উপ-উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়): মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি ‘গ্রিন টেকনোলজি’ ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

মোন্তাসির নাহিদ (পরিচালক, সাসনেক্স লিমিটেড): তিনি বলেন, "বাংলাদেশে ইএসজি ও টেকসই রিপোর্টিং সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মান অনুসারে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল রিপোর্টিং নিশ্চিত করতে হবে।"

মো. রবিউল কবির (এসবিসি বাংলাদেশ কনসালটেন্ট): তিনি বলেন, "ইএসজি কেবল বড় কর্পোরেটের বিষয় নয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও টেকসই ব্যবসায়িক চর্চা গ্রহণ করতে হবে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করলেই বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান নেবে।"

প্রশিক্ষক ও আয়োজকবৃন্দ
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন:

মোন্তাসির নাহিদ (পরিচালক, সাসনেক্স লিমিটেড ও জিআরআই সার্টিফায়েড প্রশিক্ষক)

মাশুক চৌধুরী (সিনিয়র ম্যানেজার, সাসটেইনেবিলিটি, ডিবিএল গ্রুপ)

কারিমুল তুহিন (গ্রিন ফাইন্যান্স প্রফেশনাল)

শাদমান সাকিব আনিক (নির্বাহী পরিচালক, ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ)

কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ক্যাপস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান কবির রুবেল।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ অক্টোবর, ২০২৫,  7:13 PM

news image

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্পোরেট কমপ্লায়েন্স এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (ইএসজি)-এর গুরুত্ব নিয়ে রাজধানীর গুলশানে “সাসটেইনেবিলিটি ফান্ডামেন্টালস: ইএসজি ফর কর্পোরেট কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড গ্রোথ” শীর্ষক সারাদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হোটেল বেঙ্গল কেনেরি পার্কে কর্মশালাটি যৌথভাবে আয়োজন করে বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস), এসবিসি বাংলাদেশ, লিন সিক্স সিগমা আইটি সলিউশনস এবং সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড।

মূল আলোচনা ও বিশেষজ্ঞ মতামত
কর্মশালায় বক্তারা ইএসজি-কে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য অপরিহার্য মানদণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার (চেয়ারম্যান, ক্যাপস): তিনি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, "বিশ্বব্যাপী টেকসই উন্নয়নের ধারায় এখন প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ইএসজি মানদণ্ডে নিজেদের মূল্যায়ন করতে হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠান কতটা পরিবেশবান্ধব, কর্মীদের প্রতি কতটা দায়িত্বশীল এবং প্রশাসনিকভাবে কতটা স্বচ্ছ—এসবই এখন সাফল্য নির্ধারণ করছে। বাংলাদেশ শিল্পোন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে চললেও ইএসজি একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা।"

অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন (উপ-উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়): মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি ‘গ্রিন টেকনোলজি’ ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।

মোন্তাসির নাহিদ (পরিচালক, সাসনেক্স লিমিটেড): তিনি বলেন, "বাংলাদেশে ইএসজি ও টেকসই রিপোর্টিং সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক মান অনুসারে স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল রিপোর্টিং নিশ্চিত করতে হবে।"

মো. রবিউল কবির (এসবিসি বাংলাদেশ কনসালটেন্ট): তিনি বলেন, "ইএসজি কেবল বড় কর্পোরেটের বিষয় নয়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও টেকসই ব্যবসায়িক চর্চা গ্রহণ করতে হবে। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করলেই বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান নেবে।"

প্রশিক্ষক ও আয়োজকবৃন্দ
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন:

মোন্তাসির নাহিদ (পরিচালক, সাসনেক্স লিমিটেড ও জিআরআই সার্টিফায়েড প্রশিক্ষক)

মাশুক চৌধুরী (সিনিয়র ম্যানেজার, সাসটেইনেবিলিটি, ডিবিএল গ্রুপ)

কারিমুল তুহিন (গ্রিন ফাইন্যান্স প্রফেশনাল)

শাদমান সাকিব আনিক (নির্বাহী পরিচালক, ইএসজি ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ)

কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন ক্যাপস-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আহসান কবির রুবেল।