CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ফুটবলার হতে চেয়েছিলেন নোরা ফাতেহি নাগরিকত্ব পেতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দিলে ভিসা আবেদন বাতিল বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা ও প্রেম নিয়ে মুখ খুললেন নেহা অসুস্থ হওয়া বিরোধী দলীয় এমপি’র খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সংসদে হঠাৎ অসুস্থ হাফেজ মুহা. রবিউল বাশার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহণ চলছে স্যাটেলাইট ছবিতে সবুজ আভায় বাংলাদেশ, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় চমক ৩৭৮১৪ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনা হোক

ইনবক্সে ‘কবুল’ বললেই কি বিয়ে হয়?

#
news image

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।

নিউজ ডেস্ক

২৯ এপ্রিল, ২০২৬,  1:19 PM

news image
সংগৃহীত

বর্তমানে অনেকে আবেগের বশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা মেসেজে ‘কবুল’ লিখে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে মনে করেন। কিন্তু ইসলামি শরিয়াহ ও আইন অনুযায়ী, কেবল মেসেজে সম্মতি প্রদান করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয় না। কেন এটি বিয়ে নয়? ইসলামে বিয়ে একটি পবিত্র চুক্তি। এর বৈধতার জন্য কিছু অপরিহার্য শর্ত রয়েছে, যা মেসেজে পূরণ হওয়া অসম্ভব।

অভিভাবকের উপস্থিতি: ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকের উপস্থিতি ছাড়া বিয়ে শুদ্ধ নয়।

সাক্ষী: বিয়ের মজলিসে অন্তত দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

আইনি স্বীকৃতি: বাংলাদেশে বিয়ের ক্ষেত্রে সরকারিভাবে কাজী বা নিবন্ধকের মাধ্যমে নিবন্ধন করা আইনত আবশ্যক।

ডিজিটাল মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় এই শর্তগুলো পূরণ হয় না। তাই ইনবক্সে বা মেসেজে ‘কবুল’ বলা কেবল একটি কথোপকথন মাত্র, একে কোনোভাবেই দাম্পত্য সম্পর্ক বা বিয়ে হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বিয়ে জীবনের একটি বড় সিদ্ধান্ত। আবেগতাড়িত হয়ে এমন কাজ করা ভবিষ্যতে সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করাই সঠিক ও নিরাপদ উপায়।