রাবি প্রতিনিধি:
১৯ অক্টোবর, ২০২৫, 2:25 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়োজনে নিউইয়র্কে করোনাকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র 'Hope Never Dies' প্রদর্শিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে বিভাগের ১২৩ নম্বর কক্ষে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন (সাজ্জাদ বকুল) অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন বলেন, “এই প্রামাণ্যচিত্রটি করোনার কঠিন সময় নিয়ে তৈরি করা। কীভাবে এই মহামারি আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানকার মানুষ কীভাবে তার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই চিত্রই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি শেষ মুহূর্তেও মানুষের জীবনে আশা মরে না সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে।”
তিনি আরও বলেন, নতুন কারিকুলামের অংশ হিসেবে দেশ-বিদেশের পরিচালক, গবেষক, লেখকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, আজকের আয়োজন তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী শেষে " মিট দ্য ডিরেক্টর " পর্বে পরিচালক শামীম আল আমিন নিউইয়র্ক থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। চলচ্চিত্র তৈরির পেছনের অনুপ্রেরণা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "নিউইয়র্ক কখনো ঘুমায় না বলে সবাই জানে, সেই শহর স্থবির হয়ে গেল। বিজ্ঞান বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল। ভেবে ছিলাম আমরা হয়তো বের হতে পারবো না। এই ঘটনাটাই আমাকে চলচ্চিত্রটি করতে অনুপ্রেরণা দিল।"
তিনি জানান, তিনি মূলত বাংলাদেশী কমিউনিটিকে কেন্দ্র করে প্রামাণ্যচিত্রটি তৈরি করেছেন এবং এতে ট্যাক্সি ড্রাইভার, শিক্ষক ও অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের করোনাকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রশ্নোত্তর পর্বে পরিচালক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রায়োগিক দিক, অভিজ্ঞতা ও কৌশল সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুল ইসলাম ধ্রুব প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করেন এবং প্রথম বর্ষের ফারিহা তাহসিন রাইসা বলেন, “আমার এই ধরনের অভিজ্ঞতা ছিল না। অনেক ভালো লাগলো। অনেক কিছু শিখতে পারলাম।”
রাবি প্রতিনিধি:
১৯ অক্টোবর, ২০২৫, 2:25 PM
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়োজনে নিউইয়র্কে করোনাকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র 'Hope Never Dies' প্রদর্শিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে বিভাগের ১২৩ নম্বর কক্ষে এই বিশেষ আয়োজন করা হয়।
বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হোসেন (সাজ্জাদ বকুল) অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন বলেন, “এই প্রামাণ্যচিত্রটি করোনার কঠিন সময় নিয়ে তৈরি করা। কীভাবে এই মহামারি আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়েছিল, সেখানকার মানুষ কীভাবে তার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই চিত্রই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি শেষ মুহূর্তেও মানুষের জীবনে আশা মরে না সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে।”
তিনি আরও বলেন, নতুন কারিকুলামের অংশ হিসেবে দেশ-বিদেশের পরিচালক, গবেষক, লেখকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, আজকের আয়োজন তারই প্রাথমিক পদক্ষেপ।
প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী শেষে " মিট দ্য ডিরেক্টর " পর্বে পরিচালক শামীম আল আমিন নিউইয়র্ক থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। চলচ্চিত্র তৈরির পেছনের অনুপ্রেরণা জানতে চাইলে তিনি বলেন, "নিউইয়র্ক কখনো ঘুমায় না বলে সবাই জানে, সেই শহর স্থবির হয়ে গেল। বিজ্ঞান বারবার ব্যর্থ হচ্ছিল। ভেবে ছিলাম আমরা হয়তো বের হতে পারবো না। এই ঘটনাটাই আমাকে চলচ্চিত্রটি করতে অনুপ্রেরণা দিল।"
তিনি জানান, তিনি মূলত বাংলাদেশী কমিউনিটিকে কেন্দ্র করে প্রামাণ্যচিত্রটি তৈরি করেছেন এবং এতে ট্যাক্সি ড্রাইভার, শিক্ষক ও অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের করোনাকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রশ্নোত্তর পর্বে পরিচালক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রায়োগিক দিক, অভিজ্ঞতা ও কৌশল সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশিকুল ইসলাম ধ্রুব প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করেন এবং প্রথম বর্ষের ফারিহা তাহসিন রাইসা বলেন, “আমার এই ধরনের অভিজ্ঞতা ছিল না। অনেক ভালো লাগলো। অনেক কিছু শিখতে পারলাম।”