CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

মিরপুরে কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯

#
news image

রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামের একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে ৯ জন নিহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন আরও ৮ জন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।
তিনি জানান, রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে একটি পোশাক কারখানা ও একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, পোশাক কারখানার দ্বিতীয় তলা থেকে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে।
এর আগে, বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের কাছে আগুনের সংবাদ আসে। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ১১টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমে পাঁচ ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে আরও ৭ ইউনিট যোগ দেয় আগুন নিয়ন্ত্রণে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক থাকার কারণে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
এখনো নিখোঁজ অনেকে, স্বজনদের আহাজারি: রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামের একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও অন্তত ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তাদের স্বজনরা।
নিখোঁজদের খোঁজে ঘটনাস্থল ও বিভিন্ন হাসপাতালে ছোটাছুটি করছেন স্বজনরা। অনেকেই আবার নিখোঁজ স্বজনের ছবি হাতে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। অগ্নিকাণ্ডে হতাহত ও নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে অগ্নিদুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও আশপাশের সড়ক। বিকেলে শিয়ালবাড়িতে অগ্নিদুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও আশপাশে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
১৪ বছর বয়সী ভাগনি মাহিরার ছবি হাতে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম। মাঝেমধ্যে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভাগনি মাহিরা পোশাক কারখানার তিন তলায় কাজ করতো। তাকে খুঁজে পাচ্ছি না। আগুন লাগার পর থেকে আমরা তাকে খুঁজছি। আশপাশের হাসপাতালেও খোঁজ নিয়েছি, কোথাও পাইনি। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন ধৈর্য ধরতে।
নিখোঁজ নারগিস আক্তারের বড় বোন লাইজু বেগম বলেন, আমার বোন সকাল পৌনে ৮টায় কাজে আসে। বেলা সাড়ে ১১টায় খবর পাই আগুন লেগেছে। সেখানের একজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানতে পারি কেউ ভেতর থেকে বের হতে পারেনি। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ পাইনি। এখনো কোনো খোঁজ নেই আমার বোনের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করছেন। ঠিক তার কিছুটা দূরে সেনাসদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উৎসুক জনতা ও নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে আসা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক থাকার কারণে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ অক্টোবর, ২০২৫,  6:52 PM

news image

রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামের একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে দগ্ধ হয়ে ৯ জন নিহত হয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ হয়েছেন আরও ৮ জন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।
তিনি জানান, রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে একটি পোশাক কারখানা ও একটি কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও আটজন গুরুতর আহত হয়ে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, পোশাক কারখানার দ্বিতীয় তলা থেকে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে।
এর আগে, বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফায়ার সার্ভিসের কাছে আগুনের সংবাদ আসে। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ১১টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রথমে পাঁচ ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। পরে আরও ৭ ইউনিট যোগ দেয় আগুন নিয়ন্ত্রণে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক থাকার কারণে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
এখনো নিখোঁজ অনেকে, স্বজনদের আহাজারি: রাজধানীর মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও কসমিক ফার্মা নামের একটি কেমিক্যাল গোডাউনে আগুনে ৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দগ্ধ আরও অন্তত ৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তাদের স্বজনরা।
নিখোঁজদের খোঁজে ঘটনাস্থল ও বিভিন্ন হাসপাতালে ছোটাছুটি করছেন স্বজনরা। অনেকেই আবার নিখোঁজ স্বজনের ছবি হাতে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। অগ্নিকাণ্ডে হতাহত ও নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে অগ্নিদুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও আশপাশের সড়ক। বিকেলে শিয়ালবাড়িতে অগ্নিদুর্ঘটনাকবলিত স্থান ও আশপাশে এমন চিত্র চোখে পড়ে।
১৪ বছর বয়সী ভাগনি মাহিরার ছবি হাতে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছিলেন মো. শফিকুল ইসলাম। মাঝেমধ্যে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভাগনি মাহিরা পোশাক কারখানার তিন তলায় কাজ করতো। তাকে খুঁজে পাচ্ছি না। আগুন লাগার পর থেকে আমরা তাকে খুঁজছি। আশপাশের হাসপাতালেও খোঁজ নিয়েছি, কোথাও পাইনি। ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন ধৈর্য ধরতে।
নিখোঁজ নারগিস আক্তারের বড় বোন লাইজু বেগম বলেন, আমার বোন সকাল পৌনে ৮টায় কাজে আসে। বেলা সাড়ে ১১টায় খবর পাই আগুন লেগেছে। সেখানের একজনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জানতে পারি কেউ ভেতর থেকে বের হতে পারেনি। এরপর থেকে আর কোনো খোঁজ পাইনি। এখনো কোনো খোঁজ নেই আমার বোনের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করছেন। ঠিক তার কিছুটা দূরে সেনাসদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উৎসুক জনতা ও নিখোঁজ স্বজনের খোঁজে আসা সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা রাসায়নিকের গোডাউনেও। খবর পেয়ে একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী। এরপর তাদের সঙ্গে সহায়তায় যোগ দেন পাশে থাকা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক থাকার কারণে কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।