নিউজ ডেস্ক
১৮ এপ্রিল, ২০২৬, 4:19 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিরোধী জোটের জন্য নির্ধারিত ১৩টি আসনের মধ্যে ১১টিতে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বাকি দুটি আসন শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দিচ্ছে দলটি। আগামী ২১ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে এসব আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, শরিক দল এবং বিতর্কে পারদর্শী নারী নেত্রীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শরিক ও শহীদ পরিবারকে অগ্রাধিকার
জামায়াতের ভাগে থাকা ১১টি আসনের মধ্যে একটি দেওয়া হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যকে। এ ছাড়া রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে ন্যাশনাল সিভিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে দুটি আসন উপহার দিচ্ছে দলটি। এনসিপি থেকে নারী শক্তির প্রধান মনিরা শারমিনের নামও আলোচনায় রয়েছে।
শহীদ পরিবারের সদস্য মনোনয়নের বিষয়ে নূরুন নেসা সিদ্দীকা জানান, রাজনৈতিক আদর্শের চেয়ে এখানে শহীদদের প্রতিনিধিত্বকে বড় করে দেখা হচ্ছে। উত্তরার পুলিশের গুলিতে নিহত শিশু জাবির ইব্রাহিমের মাসহ বেশ কয়েকজন স্বজনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্য থেকে একজনকে চূড়ান্ত করা হবে।
আলোচনায় যারা
জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আইনজীবী, শিক্ষক এবং সাবেক ছাত্র নেত্রীদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:
নূরুন নেসা সিদ্দীকা: সেক্রেটারি, কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ।
অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী: আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
মারদিয়া মমতাজ: প্রভাষক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ঢাকা অঞ্চল)।
সাবেক অধ্যাপক মাহফুজা সিদ্দীকা: সিলেট অঞ্চল।
মেরিনা সুলতানা: চট্টগ্রাম অঞ্চল।
সাজেদা সামাদ: সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (বগুড়া অঞ্চল)।
মারজিয়া বেগম ও নাজমুন্নিছা নিলু: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাঈদা রুম্মান, জান্নাতুল কারীম ও নাজমুন নাহারদের নামও পর্যালোচনায় রয়েছে। প্রার্থীদের অধিকাংশই সাবেক ছাত্রসংস্থা নেত্রী এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বশীল।
দক্ষতাকে প্রাধান্য
সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে জামায়াত এবার ‘পার্লামেন্টারি ডিবেট’ বা সংসদীয় বিতর্কে দক্ষতা এবং সংবিধান ও আইন বিষয়ে গভীর জ্ঞান আছে-এমন নেত্রীদের প্রাধান্য দিচ্ছে। সংসদে বিরোধী দলের বলিষ্ঠ ভূমিকা নিশ্চিত করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্বাচনের সময়সূচি
তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। আগামী ১২ মে এই আসনের ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও একক প্রার্থী হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জোটভিত্তিক হিসেবে বিএনপি ও তার মিত্ররা পাচ্ছে ৩৬টি আসন, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য রয়েছে ১টি আসন।
নিউজ ডেস্ক
১৮ এপ্রিল, ২০২৬, 4:19 PM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিরোধী জোটের জন্য নির্ধারিত ১৩টি আসনের মধ্যে ১১টিতে নিজেদের প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বাকি দুটি আসন শরিক দলগুলোর জন্য ছেড়ে দিচ্ছে দলটি। আগামী ২১ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে এসব আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য, শরিক দল এবং বিতর্কে পারদর্শী নারী নেত্রীদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন নেসা সিদ্দীকা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শরিক ও শহীদ পরিবারকে অগ্রাধিকার
জামায়াতের ভাগে থাকা ১১টি আসনের মধ্যে একটি দেওয়া হচ্ছে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যকে। এ ছাড়া রাজনৈতিক মিত্র হিসেবে ন্যাশনাল সিভিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং জাগপা সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে দুটি আসন উপহার দিচ্ছে দলটি। এনসিপি থেকে নারী শক্তির প্রধান মনিরা শারমিনের নামও আলোচনায় রয়েছে।
শহীদ পরিবারের সদস্য মনোনয়নের বিষয়ে নূরুন নেসা সিদ্দীকা জানান, রাজনৈতিক আদর্শের চেয়ে এখানে শহীদদের প্রতিনিধিত্বকে বড় করে দেখা হচ্ছে। উত্তরার পুলিশের গুলিতে নিহত শিশু জাবির ইব্রাহিমের মাসহ বেশ কয়েকজন স্বজনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্য থেকে একজনকে চূড়ান্ত করা হবে।
আলোচনায় যারা
জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় আইনজীবী, শিক্ষক এবং সাবেক ছাত্র নেত্রীদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:
নূরুন নেসা সিদ্দীকা: সেক্রেটারি, কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ।
অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী: আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
মারদিয়া মমতাজ: প্রভাষক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ঢাকা অঞ্চল)।
সাবেক অধ্যাপক মাহফুজা সিদ্দীকা: সিলেট অঞ্চল।
মেরিনা সুলতানা: চট্টগ্রাম অঞ্চল।
সাজেদা সামাদ: সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (বগুড়া অঞ্চল)।
মারজিয়া বেগম ও নাজমুন্নিছা নিলু: কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগ।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাঈদা রুম্মান, জান্নাতুল কারীম ও নাজমুন নাহারদের নামও পর্যালোচনায় রয়েছে। প্রার্থীদের অধিকাংশই সাবেক ছাত্রসংস্থা নেত্রী এবং দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বশীল।
দক্ষতাকে প্রাধান্য
সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে জামায়াত এবার ‘পার্লামেন্টারি ডিবেট’ বা সংসদীয় বিতর্কে দক্ষতা এবং সংবিধান ও আইন বিষয়ে গভীর জ্ঞান আছে-এমন নেত্রীদের প্রাধান্য দিচ্ছে। সংসদে বিরোধী দলের বলিষ্ঠ ভূমিকা নিশ্চিত করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্বাচনের সময়সূচি
তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ২১ এপ্রিল। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। আগামী ১২ মে এই আসনের ভোটগ্রহণের কথা থাকলেও একক প্রার্থী হলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জোটভিত্তিক হিসেবে বিএনপি ও তার মিত্ররা পাচ্ছে ৩৬টি আসন, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য রয়েছে ১টি আসন।