CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ অক্টোবর, ২০২৬
শিরোনামঃ
কোরআনে বর্ণিত গুনাহ মাফের ১০ দোয়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ যোগ্যতার ভিত্তিতে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হচ্ছে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ভাগনে ইমরানকে ‘ভারত ছাড়ার নোটিশ’ বিতর্কের মধ্যে রাজ ঠাকরের বাড়িতে আমির খান ডিজিটাল বিমাসেবা সম্প্রসারণে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স ও নগদের চুক্তি বরিশালে বিএনপি নেতার মাদকবিরোধী অভিযান, মারধরের ভিডিও ভাইরাল জয়পুরহাটের কালাই থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ১ ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু, সবাই ঢাকার দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু ১৬০ রান করে কত রানে জিততে হবে বাংলাদেশের

সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি জামায়াতসহ ১১ দলের

#
news image

জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণমিছিলসহ ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দল। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

কর্মসূচির মধ্যে, প্রথম দফায় ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। ১৮ এপ্রিল শনিবার ১১ দলের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ এপ্রিল শনিবার সকল বিভাগীয় শহরে (ঢাকা ব্যতীত) গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২ মে শনিবার জেলায় জেলায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ১৮-২ মে পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময় গুলোতে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে বিদগ্ধ আলোচকরা অংশ নেবেন।

এই কর্মসূচি শেষ হলে ২ মে পরবর্তী প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগের অন্তর্গত সকল জেলার ব্যবস্থাপনায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাজধানী ঢাকায় বিশাল মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখবেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যমান যে জনদুর্ভোগ, জ্বালানির যে সংকট, হাস্যকরভাবে জ্বালানি মন্ত্রীরা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই। অথচ তিনি যখন কথা বলছেন পেট্রোল পাম্পগুলোতে লম্বা লম্বা গাড়ির লাইন। শহরে গাড়ি চলাচল কমে আসছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তেল পাচ্ছেন না। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যরাও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আমি তেল পাচ্ছি না। অথচ সেই পার্লামেন্টে মন্ত্রীরা দাঁড়িয়ে বলেন তেলের কোন সংকট নেই। 

প্রশাসন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের মধ্যে যে নির্লজ্জ দলীয়করণ চলছে তা বলার মতো না। বদলি, ওএসডি, পদত্যাগে বাধ্য করা এক দেড় মাসের মধ্যে একটি ফ্যাসিবাদী স্টাইলে যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে উনারা বক্তব্য রেখেছেন, আমরা দেখছি সে কাজ নিজেরাই শুরু করেছেন। সচিবালয় থেকে একেবারে অধস্তন পর্যন্ত সবকিছু সরিয়ে দিচ্ছেন। ফলে আমরা দেখছি, শাসন ব্যবস্থার, রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোনো গুণগত পরিবর্তন হয়নি। এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে জুলাই সনদে সংস্কারের ব্যাপারে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্মতি দিয়েছিলো তা বাস্তবায়ন করা। 

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল, ২০২৬,  3:46 PM

news image
সংগৃহীত

জুলাই সনদ ও গণভোট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণমিছিলসহ ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দল। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

কর্মসূচির মধ্যে, প্রথম দফায় ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। ১৮ এপ্রিল শনিবার ১১ দলের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ এপ্রিল শনিবার সকল বিভাগীয় শহরে (ঢাকা ব্যতীত) গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২ মে শনিবার জেলায় জেলায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ১৮-২ মে পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময় গুলোতে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। সেমিনারে বিদগ্ধ আলোচকরা অংশ নেবেন।

এই কর্মসূচি শেষ হলে ২ মে পরবর্তী প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগের অন্তর্গত সকল জেলার ব্যবস্থাপনায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রাজধানী ঢাকায় বিশাল মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখবেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিদ্যমান যে জনদুর্ভোগ, জ্বালানির যে সংকট, হাস্যকরভাবে জ্বালানি মন্ত্রীরা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই। অথচ তিনি যখন কথা বলছেন পেট্রোল পাম্পগুলোতে লম্বা লম্বা গাড়ির লাইন। শহরে গাড়ি চলাচল কমে আসছে। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তেল পাচ্ছেন না। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যরাও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন আমি তেল পাচ্ছি না। অথচ সেই পার্লামেন্টে মন্ত্রীরা দাঁড়িয়ে বলেন তেলের কোন সংকট নেই। 

প্রশাসন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের মধ্যে যে নির্লজ্জ দলীয়করণ চলছে তা বলার মতো না। বদলি, ওএসডি, পদত্যাগে বাধ্য করা এক দেড় মাসের মধ্যে একটি ফ্যাসিবাদী স্টাইলে যে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে উনারা বক্তব্য রেখেছেন, আমরা দেখছি সে কাজ নিজেরাই শুরু করেছেন। সচিবালয় থেকে একেবারে অধস্তন পর্যন্ত সবকিছু সরিয়ে দিচ্ছেন। ফলে আমরা দেখছি, শাসন ব্যবস্থার, রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোনো গুণগত পরিবর্তন হয়নি। এর একমাত্র সমাধান হচ্ছে জুলাই সনদে সংস্কারের ব্যাপারে জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সম্মতি দিয়েছিলো তা বাস্তবায়ন করা।