CKEditor 5 Sample
ঢাকা ২২ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়া পরিষদের নামে জনতা ব্যাংকে ‘ভুয়া’ কমিটি ঘোষণা! জনতা ব্যাংকে ‘আরসি’ জটিলতা, পদবি বাদ দেওয়ার নামে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ এক ম্যাচ বাকি থাকতে ব্রাজিল শিবিরে আতঙ্ক শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী সিঙ্গাপুরের এসএটিএস মঙ্গলবার রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ সৌদি বধের রাতে ধূলিসাৎ মেসির ১৮ বছরের অহংকার, ইয়ামালের পাশে এখন শুধুই পেলে বিশ্ববাজারে দ্রুত কমছে তেলের দাম রোনালদোকে বল দেওয়ার বাড়তি চাপ নেই, বললেন কনসেইসাও যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকার জেরে ১০ মার্কিন সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

হামে আক্রান্ত শিশুর প্রতি করণীয় ও সতর্কতা

#
news image

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল, ২০২৬,  12:23 PM

news image
সংগৃহীত

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সাধারণত শরীরে ভাইরাসের প্রবেশের ১ থেকে ২ সপ্তাহ পর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। কানের পেছনে বা গলার পাশে লালচে র্যাশ এবং ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি পর্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হামের প্রধান লক্ষণ। শিশুর সঠিক যত্ন ও সময়মতো চিকিৎসা না পেলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু কিছু খেতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে কিংবা শিশুর খিঁচুনি হচ্ছে—তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শিশুর চিকিৎসা ও ঘরোয়া পরিচর্যা

খাবার ও পুষ্টি: শিশুকে বারবার বুকের দুধ এবং স্বাভাবিক খাবার দিতে হবে। জ্বরের সময় প্রচুর তরল খাবার দেওয়া জরুরি।
জ্বর নিয়ন্ত্রণ: শরীরের তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রির বেশি হলে প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। ৩-৪ দিনের বেশি জ্বর থাকলে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না তা পরীক্ষা করা জরুরি।


চোখ ও মুখের যত্ন: চোখের কোণে পুঁজ জমলে পরিষ্কার ভেজা কাপড় বা তুলা দিয়ে মুছে দিতে হবে। মুখে ঘা হলে কুসুম গরম লবণ পানি দিয়ে দিনে অন্তত চারবার মুখ পরিষ্কার করতে হবে।


ভিটামিন-এ: হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মাত্রায় দুই ডোজ ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি চোখের ক্ষতি ও অপুষ্টি রোধে কাজ করে।


সংক্রমণ রোধে বিশেষ সতর্কতা: হামে আক্রান্ত শিশুকে ফুসকুড়ি ওঠার পর থেকে অন্তত চার দিন অন্য শিশুদের সংস্পর্শ থেকে দূরে রাখতে হবে। যদি আক্রান্ত শিশুর সংস্পর্শে অন্য কোনো শিশু আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তাকে দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। মনে রাখবেন, নিউমোনিয়া বা দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে শিশুকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।