নিউজ ডেস্ক
০৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:17 PM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মার্কিন আকাশে দেখা গেল রহস্যময় ও শক্তিশালী ‘ডুমসডে প্লেন’ বা প্রলয়ঙ্করী বিমান।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নেব্রাস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির ওপর বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ নামের এই বিশেষ বিমানটিকে চক্কর দিতে দেখা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দেওয়া শান্তিচুক্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিমানের উড্ডয়নকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ফ্লাইট ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি অফুট বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে ওই এলাকার চারপাশে অন্তত ছয়বার চক্কর দিয়ে পুনরায় অবতরণ করে।
মূলত পারমাণবিক যুদ্ধের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের কার্যক্রম সচল রাখতে এই বিমানটি তৈরি করা হয়েছে। একে বলা হয় আমেরিকার ‘উড়ন্ত পেন্টাগন’। জরুরি অবস্থায় প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আকাশস্থ কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার এবং তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার জন্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়সীমা না মানলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, একটি পুরো দেশ এক রাতেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এমন চরম উত্তেজনার মুহূর্তে এই বিশেষ বিমানের উপস্থিতি মার্কিন সামরিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজ ডেস্ক
০৭ এপ্রিল, ২০২৬, 12:17 PM
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, ঠিক তখনই মার্কিন আকাশে দেখা গেল রহস্যময় ও শক্তিশালী ‘ডুমসডে প্লেন’ বা প্রলয়ঙ্করী বিমান।
সোমবার (৬ এপ্রিল) নেব্রাস্কার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির ওপর বোয়িং ই-৪বি নাইটওয়াচ নামের এই বিশেষ বিমানটিকে চক্কর দিতে দেখা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে দেওয়া শান্তিচুক্তির সময়সীমা শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে এই বিমানের উড্ডয়নকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। ফ্লাইট ট্র্যাকারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি অফুট বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করে ওই এলাকার চারপাশে অন্তত ছয়বার চক্কর দিয়ে পুনরায় অবতরণ করে।
মূলত পারমাণবিক যুদ্ধের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে এবং সরকারের কার্যক্রম সচল রাখতে এই বিমানটি তৈরি করা হয়েছে। একে বলা হয় আমেরিকার ‘উড়ন্ত পেন্টাগন’। জরুরি অবস্থায় প্রেসিডেন্ট, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আকাশস্থ কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল পর্যায়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার এবং তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় সম্মত হওয়ার জন্য মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এই সময়সীমা না মানলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, একটি পুরো দেশ এক রাতেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এমন চরম উত্তেজনার মুহূর্তে এই বিশেষ বিমানের উপস্থিতি মার্কিন সামরিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।