CKEditor 5 Sample
ঢাকা ০২ এপ্রিল, ২০২৬

তেলের জন্য দীর্ঘ সারি, সময় নির্ধারণ করতে চান পাম্প মালিকরা

#
news image

রাজধানীর তেলের পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চালকদের অভিযোগ, পাম্পে তেল না মিললেও পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে তা অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার অভাবে পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

তিনি বলেন, “বর্তমানে চাহিদা অস্বাভাবিক, তাও সরবরাহ তুলনায় কম হচ্ছে। সরকারেরও তা পূরণের সক্ষমতা সীমিত।” এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে আজও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন। প্রয়োজনে দাম বাড়িয়ে দিয়ে হলেও এমন দীর্ঘ সারি ও অপেক্ষার অবসান চান গ্রাহকরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প, পরিবহন ও কৃষিখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিলে দেশের তেলের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। তেলের স্থানীয় উৎপাদন সীমিত, ফলে আমদানির ওপর বেশি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে সরকারকে। এছাড়া তেল পরিবহন ও মজুতের শৃঙ্খলা না থাকায় ক্রেতাদের অসুবিধা বেড়েছে। স্থানীয় দোকানদাররা সীমিত সরবরাহের সুযোগে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মজুত করা তেলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এতে, জেল-জরিমানাও করা হচ্ছে। সরকার শক্ত হাতে অভিযানের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। ইতোমধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজ ডেস্ক

০১ এপ্রিল, ২০২৬,  12:31 PM

news image
সংগৃহীত

রাজধানীর তেলের পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চালকদের অভিযোগ, পাম্পে তেল না মিললেও পাড়া-মহল্লার দোকানগুলোতে তা অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার অভাবে পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নির্ধারণ করতে চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর মগবাজারে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

তিনি বলেন, “বর্তমানে চাহিদা অস্বাভাবিক, তাও সরবরাহ তুলনায় কম হচ্ছে। সরকারেরও তা পূরণের সক্ষমতা সীমিত।” এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে আজও যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ভোর থেকে কেউ কেউ অপেক্ষা করছেন। প্রয়োজনে দাম বাড়িয়ে দিয়ে হলেও এমন দীর্ঘ সারি ও অপেক্ষার অবসান চান গ্রাহকরা।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প, পরিবহন ও কৃষিখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মিলে দেশের তেলের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। তেলের স্থানীয় উৎপাদন সীমিত, ফলে আমদানির ওপর বেশি নির্ভরশীল হতে হচ্ছে সরকারকে। এছাড়া তেল পরিবহন ও মজুতের শৃঙ্খলা না থাকায় ক্রেতাদের অসুবিধা বেড়েছে। স্থানীয় দোকানদাররা সীমিত সরবরাহের সুযোগে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মজুত করা তেলের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এতে, জেল-জরিমানাও করা হচ্ছে। সরকার শক্ত হাতে অভিযানের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। ইতোমধ্যে জ্বালানি তেলের মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।